বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০৯ পি.এম
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন দফার মারাত্মক শুল্ক আরোপ স্থগিত করার পর, বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি রয়েছে।
‘আমরা কানাডার সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছি,' ট্রাম্প বুধবার বলেছেন এবং তিনি যোগ করেন যে এটি ‘দলিল চূড়ান্তকরণের ওপর নির্ভরশীল।' তিনি পরে বলেন: ‘আমরা কিছু শুল্ক কমিয়ে অন্যান্য দেশের পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি, কারণ কানাডাকে উচ্চতর শুল্ক দিতে হচ্ছিল।'
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি কিছুটা সতর্ক ভঙ্গিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান যে অটোয়া ও ওয়াশিংটন ‘এখন একটি চুক্তির দিকে এগোচ্ছে।’ পরিকল্পিত মার্কিন শুল্ক, যা ৫০ শতাংশ হারে ধার্য করা হয়েছিল, তা মূলত মঙ্গলবারের পর থেকে কানাডার নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ট্রাম্প মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘোষণা করেন যে, উভয় পক্ষ একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য কাজ করায় তিনি এগুলোর সূচনা তিন দিনের জন্য বিলম্বিত করবেন।
ব্লুমবার্গ নিউজ বুধবার জানায় যে, এই খসড়া বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী কানাডার কিছু ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম রপ্তানির ওপর মার্কিন শুল্ক অর্ধেকে নামিয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে। যদিও অন্যান্য ধাতুগুলো থেকে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে ভিন্ন হার প্রযোজ্য হতে পারে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর বিস্তারিত বিবরণ এখনো চূড়ান্ত নয়।
গাড়ি, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং বনজ পণ্যের ওপর ট্রাম্পের শুল্ক কানাডার অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সপ্তাহব্যাপী আলোচনার মাধ্যমে এই শুল্ক থেকে অব্যাহতি নিশ্চিত করা অটোয়ার জন্য একটি অগ্রাধিকার ছিল।
বুধবার কার্নি আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’র জন্য তার কানাডা-মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লেব্লাঙ্ক এবং ট্রাম্পের শীর্ষ আলোচক জেমিসন গ্রিয়ারের প্রশংসা করেন। লেব্লাঙ্ক একটি পৃথক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, বুধবার ওয়াশিংটনে গ্রিয়ারের সঙ্গে তার আবারও দেখা হয়েছে এবং উভয় পক্ষই ‘একটি চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।’
বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি গ্রিয়ার আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, তাদের মধ্যে এমন একটি চুক্তি হয়েছে যা ‘উত্তর আমেরিকার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।’
সিএনবিসি’র প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘যদিও আমি মনে করি আমরা গত এক বছরে থাকা কিছু অস্বস্তিকর বিষয় অবশ্যই দূর করেছি, তবে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছি।’ ট্রাম্প বুধবার বলেন, এতে মার্কিন কৃষকরা লাভবান হবেন, যারা কানাডার বাজারে সীমিত প্রবেশাধিকার নিয়ে অভিযোগ করে আসছেন।
৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার সময় হোয়াইট হাউস অভিযোগ করেছিল যে, কানাডা মার্কিন মদ, গাড়ি ও দুগ্ধজাত পণ্যের প্রতি ‘বৈষম্যমূলক আচরণ’ করছে। কার্নি বলেন, এই চুক্তিটি কানাডার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত খাতে সর্বেোত্তম শর্ত নিশ্চিত করে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিষয়ে অধিকতর নিশ্চয়তা প্রদান করে।
১ জুলাই কানাডাও বিদ্যমান উত্তর আমেরিকান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি নবায়ন করার আগ্রহ নিশ্চিত করেছে, কিন্তু ট্রাম্প এতে ব্যাপক পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে তা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। একটি সংশোধিত চুক্তি নিয়ে পক্ষগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে নিবিড় আলোচনায় নিযুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে চলতি বছরে কোনো অবৈধ ইটভাটা চলতে দেওয়া হবে না, এই ঘোষণা দিলেন ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই—এমন কোনো ইটভাটাকে কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিনব্যাপী ধামরাই উপজেলায় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক। তিনি জানান, ‘ঢাকা জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইটভাটা রয়েছে ধামরাই উপজেলায়। তবে চলতি বছরে এখানে কোনো ধরনের অবৈধ ইটভাটা চলতে দেওয়া হবে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই—এমন কোনো ইটভাটাকে কোনোভাবেই কার্যক্রমে আসতে দেওয়া হবে না।
তবে স্বল্প পরিসরে কিছু ইটভাটাকে অনুমতি দেওয়া হতে পারে, সেটিও যথাযথ যাচাই-বাছাই করে।’
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেলে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের রূপনগরের বেদেপল্লির ৬৩ পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক। এ ছাড়া ১২ জনকে ঢেউটিন ও নগদ ৬ হাজার টাকা করে, ১১৩ জনকে শাড়ি ও থ্রিপিস এবং ২০০ শিশুর মধ্যে খেলনা বিতরণ করা হয়।
এ সময় বেদে সম্প্রদায়কে আধুনিক ও মূলধারার সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন ফরিদা খানম।
শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আইনি সহায়তা বিষয়ে বেদেপল্লির বাসিন্দাদের সচেতন করেন তিনি। শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপদ বাসস্থান ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। পাশাপাশি বেদেদের জীবনমান উন্নয়নে ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন তিনি।
এ ছাড়া বেদেদের বাসস্থানের জন্য ১০ দিনের মধ্যে খাসজমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে সেখানে তাদের বসবাসের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক।
এর আগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে উপজেলার ৫২টি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ফরিদা খানম।
তিনি বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনার বিষয়ে শিক্ষকদের আন্তরিকভাবে নজর দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া ১৮৬ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাদের অভিনন্দন জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, এ সাফল্য শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পথচলায় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। শুধু ভালো ফল নয়, জ্ঞান, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এ সময় তিনটি প্রতিবন্ধী স্কুলে শিক্ষা উপকরণ, ছয়জন উদ্যোক্তা ও আত্মকর্মীর মধ্যে ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ এবং একজন প্রতিবন্ধীকে ৪ লাখ টাকার চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।
এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্পোর্টস ক্লাবসহ ৪০টি প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য পরিচালিত ১৫টি স্কুলে খেলনা ও শিক্ষা উপকরণ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১০ ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার এবং ৪২ প্রাথমিক শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও জুতা বিতরণ করা হয়। গ্রাম পুলিশের সদস্যদের মধ্যেও পোশাক বিতরণ করেন তিনি।
‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে অন্ধ, থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত, প্রতিবন্ধী ও শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্র ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
দিনের কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে ধামরাই পৌরশহরের আব্দুস সোবহান মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক। পরে ৭০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলাম, কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম ও জালসা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিভাগের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে মোঃ ইউসুফ আলী নিয়োগ পেয়েছেন, যিনি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সদস্য-পরিচালক।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জনগণের প্রশাসনের মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের স্বাক্ষরিত আদেশের মাধ্যমেই মোঃ ইউসুফ আলীকে রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে ড. এ এন এম বজলুর রশীদকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। একজন একদিন পর তিনি নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে ইউসুফ আলীকে নিয়োগ দিয়েছেন।
বিএডিসির সদস্য-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর এবার রাজশাহী বিভাগের প্রশাসনিক নেতৃত্বের গুরুত্বপর্ণ দায়িত্ব পেলেন ইউসুফ আলী। নতুন দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি বিভাগের আট জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ, উন্নয়ন কার্যক্রমের তদারকি এবং সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অধিক গুরুত্ব রাখবেন।
রাজশাহী বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও আন্তঃজেলা সমন্বয়ে নতুন বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবিক চিকিৎসা সংস্থা মেডিসিনস স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্সের (এমএসএফ)-এর আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এমএসএফ প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এলকো ব্রুমেলম্যান, মালয়েশিয়া মিশনের রিজিওনাল হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স লিড আনা আনসারি এবং বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাডভাইজার ইমামুর রহমান।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে তাঁরা বাংলাদেশে এমএসএফ-এর কার্যক্রম এবং চলমান সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।
এমএসএফ উল্লেখ করে যে, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য পরিচালিত কার্যক্রমের বাইরেও তাদের কাজের পরিধি বিস্তৃত। সংস্থাটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও সেবা প্রদান করে থাকে, এমনকি তাদের কোনো কোনো চিকিৎসা কেন্দ্রে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর রোগীর সংখ্যা প্রায় সমান।
সাক্ষাৎকালে বর্তমান অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলোর মধ্যে জাতীয় কলেরার টিকাদান কর্মসূচি এবং চট্টগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
ভূমিকম্প ও রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে এমএসএফ সরকারের দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক টাস্কফোর্সে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে।
এছাড়া, জরুরি বিষয়ক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ডিএমসিএইচ) সঙ্গে তাদের বিদ্যমান সহযোগিতার বিষয়টিও তারা তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া চার নবজাতককে অল্প অল্প করে মায়ের দুধ পান করানো শুরু হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিশেষ নবজাতক পরিচর্যা ইউনিট (স্ক্যানু) এ তাদের মায়ের দুধ দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৩৪ সপ্তাহে জন্ম নেওয়া চার নবজাতককে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের সবার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল।
নবজাতকদের মা তিশা খাতুন রাজশাহী নগরীর সিপাইপাড়া এলাকার নয়ন ইসলামের স্ত্রী। প্রসববেদনা শুরু হলে গত সোমবার বিকেলে তাঁকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি চার সন্তানের জন্ম দেন।
চার নবজাতকের মধ্যে দুজনের ওজন এক কেজি করে। অপর দুজনের ওজন যথাক্রমে ১ কেজি ১০০ গ্রাম ও ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম নেওয়ায় তাদের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম। সাধারণত ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যে নবজাতকের জন্ম হয়।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ বলেন, শুরুতে চার নবজাতককে শূন্য দশমিক ৫ মিলিলিটার করে মায়ের দুধ দেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে তাদের মুখে খাবার দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা তা গ্রহণ করতে পারছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা যায়। মুখে খাবার না দিলে নবজাতকের পাকস্থলী শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি আরও বলেন, চার নবজাতকের মধ্যে এক কেজি ওজনের একজনের অক্সিজেনও খুলে দেওয়া হয়েছে। সে এখন স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছে। এ পর্যন্ত চার নবজাতকের অবস্থাই স্থিতিশীল রয়েছে। তবে অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় চিকিৎসকেরা তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। এ ধরনের নবজাতক জন্মের চার থেকে পাঁচ দিনের দিকে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।
জন্মের পর প্রথমে চার নবজাতককে হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্ক্যানু ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ