বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:১৩ পি.এম
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া চার নবজাতককে অল্প অল্প করে মায়ের দুধ পান করানো শুরু হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিশেষ নবজাতক পরিচর্যা ইউনিট (স্ক্যানু) এ তাদের মায়ের দুধ দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৩৪ সপ্তাহে জন্ম নেওয়া চার নবজাতককে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের সবার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল।
নবজাতকদের মা তিশা খাতুন রাজশাহী নগরীর সিপাইপাড়া এলাকার নয়ন ইসলামের স্ত্রী। প্রসববেদনা শুরু হলে গত সোমবার বিকেলে তাঁকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি চার সন্তানের জন্ম দেন।
চার নবজাতকের মধ্যে দুজনের ওজন এক কেজি করে। অপর দুজনের ওজন যথাক্রমে ১ কেজি ১০০ গ্রাম ও ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম নেওয়ায় তাদের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম। সাধারণত ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যে নবজাতকের জন্ম হয়।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ বলেন, শুরুতে চার নবজাতককে শূন্য দশমিক ৫ মিলিলিটার করে মায়ের দুধ দেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে তাদের মুখে খাবার দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা তা গ্রহণ করতে পারছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা যায়। মুখে খাবার না দিলে নবজাতকের পাকস্থলী শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি আরও বলেন, চার নবজাতকের মধ্যে এক কেজি ওজনের একজনের অক্সিজেনও খুলে দেওয়া হয়েছে। সে এখন স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছে। এ পর্যন্ত চার নবজাতকের অবস্থাই স্থিতিশীল রয়েছে। তবে অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় চিকিৎসকেরা তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। এ ধরনের নবজাতক জন্মের চার থেকে পাঁচ দিনের দিকে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।
জন্মের পর প্রথমে চার নবজাতককে হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্ক্যানু ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন জানিয়েছেন, তেজগাঁও কলেজ একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে নেতৃত্ব তৈরি হয়।
তিনি এ কথা বলেন বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের (টিসিডিসি) আয়োজিত টিসিডিসি ১ম জাতীয় বিতর্ক উৎসব-২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে।
ড. মাহ্দী আমিন মন্তব্য করেন, তেজগাঁও কলেজ একটি অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থীরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জাতীয় পর্যায়েও এখানে সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। মাহ্দী আমিন বলেন, এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে নেতৃত্ব তৈরি হয়। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের ক্ষেত্রেও তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ গণতন্ত্রের বিভিন্ন আন্দোলনে এখানে অনেক শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থী অবদান রেখেছেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সবসময় গণতন্ত্র ও ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে, সঠিক ও ন্যায্য বিষয়ের পক্ষে থাকতে হবে এবং অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা জনগণের প্রতিনিধি হয়ে মানুষের কথা বলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে ড. মাহ্দী আমিন বলেন, যারা ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তারা ভবিষ্যতে নিজ নিজ জায়গায় দক্ষিণে আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছাবেন এবং জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। পারিবারিক শিক্ষা, সামাজিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতা একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সঙ্গে সঙ্গে কর্মদক্ষতা অর্জন করতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের উপযোগী হতে পারেন কিংবা উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলে অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও মননশীলতা বিকাশে বিতর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিতর্কের মাধ্যমে যুক্তি, সমালোচনামূলক চিন্তা ও বিশ্লেষণী দক্ষতা তৈরি হয়। টিসিডিসির উদ্যোগে জাতীয় বিতর্ক উৎসব আয়োজনের প্রশংসা করে ড. মাহ্দী আমিন বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মেধা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ সময় ড. মাহ্দী আমিন তেজগাঁও কলেজের বিভিন্ন ভবন ও অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, তেজগাঁও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের দাতা সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার এবং হিতৈষী সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম ভূঁইয়া রবিন।
বিতর্ক উৎসব সকাল ৯টায় তেজগাঁও কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তেজগাঁও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক শামীমা ইয়াসমিন।
বিতর্ক উৎসবে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীর যুক্তিনির্ভর চিন্তা, বিশ্লেষণী দক্ষতা ও বক্তব্য উপস্থাপনের সক্ষমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ড. মাহ্দী আমিন তেজগাঁও কলেজের ঐতিহ্য ও অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।
এ বিষয়ে আরটিভির প্রতিবেদক এসআর জানান, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে ফল ঘোষণা করেন নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটার ৩৪৯ জন। মুদ্রিত মোট ব্যালট পেপারের সংখ্যা ৩৪৯টি। এর মধ্যে ব্যবহৃত ব্যালট পেপারের সংখ্যা ৩৪৩টি। ৬টি অব্যবহৃত রয়েছে। ৩৪৩টি বৈধ ব্যালট পেপারের মধ্যে কিছু ভুলত্রুটি হওয়ার কারণে বিধি অনুযায়ী আমরা ৪টি ব্যালট পেপার রিপ্লেস করেছি।
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, বৈধ ব্যালট পেপারের মধ্যে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, আগামীকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে শপথ গ্রহন করবেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর শপথ পড়াবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি কায়সার কামাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিজ মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিষদ-১ শাখা থেকে ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নতুন কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন চনুমং, মং ক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই ম্রো, আগষ্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উইচাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউ প্রু খিয়াং, মিজ উম্যাসিং মারমা এবং মিজ কাজী নিরুতাজ বেগম।
এর আগেই ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রফেসর থানজামা লুসাইকে চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্যের বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের ঘোষণাও দেয়া হয়েছিল। ওই কমিটি ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
১৯৮৯ সালের জুনে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে ৩১ সদস্যের বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং সেই সময় থেকে পরিষদে আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, বাংলাদেশে একসময় শ্রেষ্ঠতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে।
তিনি বলেন, ‘মডেল স্কুলের যে ঐতিহ্য ছিল, এটা বাংলাদেশে শ্রেষ্ঠতম স্কুল ছিল। আমাদের একটাই আশা, আবার সেই আগের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমি এই স্কুল নিয়ে গর্ব করি। এই স্কুল আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আজকে আমি এই দেশের যে পর্যায়েই আছি, এর অনেকটুকু অবদান এই স্কুলের। বিশেষ করে সেই স্যারদের কথা মনে পড়ে, যাদের কাছে অনেক মারও খেয়েছি। ওই মারের কারণেই বোধ হয় আজকে এই জায়গায় আসতে পেরেছি।
তিনি বলেন, আমাদের সময় অনেক বেশি শৃঙ্খলা ছিল। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হোস্টেলে থাকত এবং বাইরে থাকার সুযোগ খুব সীমিত ছিল। ক্যাডেট কলেজের মতো শৃঙ্খলা, খেলাধুলা, স্কাউটিংসহ নানা বৈশিষ্ট্য মডেল স্কুলের মধ্যে ছিল। খুব কম স্কুলেই এত ফ্যাসিলিটি আছে। এর সুন্দর অডিটোরিয়াম খুব কম স্কুলেই বোধহয় আছে।
জাকারিয়া তাহের বলেন, বর্তমানে অনেক ভালো ভালো স্কুল গড়ে উঠেছে। তারপরও মডেল স্কুলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। খেলাধুলা, স্কাউটিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্কুলটির যে অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল, তা পুনরুদ্ধার করতে হবে।
স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাফল্যের কথা উল্লেখ করে জাকারিয়া তাহের বলেন, সম্প্রতি স্কুলের শিক্ষার্থী অর্ক আমেরিকায় গিয়ে রোবটিক্সে কাজ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তার কার্যক্রম দেখে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন এবং তাকে দীর্ঘ সময় দিয়েছেন। আগামীতে এরকম যেকোনো প্রচেষ্টায় আমাদের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।
ওল্ড রিমেইন ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম। এ সময় ওল্ড রিমেইন ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন সদস্যবৃন্দ ও সাবেক কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : আজ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করেছে।
সকাল বেলা, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার এর এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল হায়দার আব্দুল্লাহ মিরপুরে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে যান। সেখানে তিনি বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে আয়োজিত মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন এবং শ্রদ্ধাবনত চিত্তে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন। এই সময় মরহুমের পরিবারের সদস্যগণ, বিমান সদর এবং ঢাকাস্থ বিমান বাহিনী ঘাঁটি সমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিমানসেনারা উপস্থিত ছিলেন।
এই উপলক্ষে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটের মসজিদসমূহে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের গৌরবোজ্জ্বল আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
অতিরিক্তভাবে, বিমান বাহিনী পরিচালিত সকল স্কুল ও কলেজসমূহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের জীবনীর উপর আলোকপাত ও তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ