০৪:৩৩ পি.এম
ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গবেষক এবং উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়া কেবল বিআইআরডিআই’র আওতাভুক্ত গবেষক এবং উদ্যোক্তাদের নয়, বরং দেশজুড়ে প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে নিয়োজিত বৃহত্তর গবেষক ও উদ্ভাবক সমাজকেও ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি বলেন, শিল্প খাতে উদ্ভাবন এবং উন্নয়নে অবদান রাখা গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দিতে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ) যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা প্রশংসনীয়।
রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (বিআইআরডিআই) উদ্যোগের আওতায় আয়োজিত স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: কসবায় ৯ রাউন্ড চাইনিজ গুলিসহ যুবক মো. শামিম আটক
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এ উদ্যোগ দেশের শিল্প সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ পরিচালিত সিসিপের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিল্প উন্নয়নে উদ্ভাবনী অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক, ও উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব এবং সিসিপের জাতীয় প্রোগ্রাম পরিচালক ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। তিনি বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতায় অর্থ বিভাগের বাস্তবায়নের অধীনে বিআইআরডিআই উদ্যোগটি এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বাস্তবমুখী এবং শিল্পবান্ধব সমাধানের বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সক্ষমতা সুসংহতকরণ, এবং দক্ষ জনশক্তির ভিত্তি সুদৃঢ় করবে।
আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে
তিনি আরও বলেন, বিআইআরডিআই উদ্যোগটি সিসিপের মূল লক্ষ্য ‘দক্ষতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আলোকিত করা’-এর সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে এডিবির বাংলাদেশ রেসিডেন্ট মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বক্তব্য রাখেন। তিনি কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের সাথে এডিবি’র দীর্ঘমেয়াদি এবং শক্তিশালী অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সিসিপের অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন সমাপনী বক্তব্য প্রদান করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি অনুষ্ঠানটি সফল ও সার্থকভাবে আয়োজনের জন্য সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, বিআইআরডিআই i র আওতায় নির্বাচিত গবেষক, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকবৃন্দ এবং উপস্থিত সব অংশগ্রহণকারীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিআইআরডিআই শিল্পভিত্তিক গবেষণা এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।
আরও পড়ুন: ঢাকা-কুমিল্লা ৯০ কিমি. রেলপথ নির্মাণে ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন