রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৮ এম
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, এমন দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির ঘনিষ্ঠতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি দলটির নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন এবং বলেছেন, একদিন তারা আফসোস করে বলবেন, ‘দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পোষলাম।’
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড
দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।
রাশেদ খান মন্তব্য করেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে। জামায়াত সহযোগিতা চাওয়ায় পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত তাদের গাড়িবহর নিয়ে গেছে। সহযোগিতা না চাইলেও পুলিশ একই ধরনের নিরাপত্তা দিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল জামায়াতের। রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোঁটা জড়ো করেছিল। জানি না, এ লাঠিগুলো পরবর্তীতে বহরের গাড়িতে তোলা হয় কি না। তবে জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছেন—‘হৈ হৈ রৈ রৈ, ছাত্রদল-যুবদল গেলি কই!’
রাশেদ খান জানান, ‘অনেকে বলছে, সব কিছু দেখে মনে হলো, এটি জামায়াতের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলে এনসিপির লং মার্চ।’
তিনি বলেন, জামায়াত যেহেতু সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না, সে ক্ষেত্রে এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে এবং আওয়ামী লীগকে পেছনে রেখে, মাঝখানে থেকে খেলতে চায়।
রাশেদ খান দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের অনেক নেতাকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্ট এনসিপিকে জামায়াতের মুখপাত্র হিসেবে দেখানোর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না। তিনি বলেন, তাদের কেউ কেউ মনে করছেন, এনসিপি আজ হোক বা কাল হোক, জামায়াতের জোট ছেড়ে দেবে। তাহলে তাদের এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন, এ নিয়ে সচেতন নেতাকর্মীদের মধ্যে আক্ষেপ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শোনেন, জামায়াত জোটে কারা আছে? এনসিপিকে বিএনপি চারটির বেশি আসন ছাড়েনি, এ জন্য জামায়াতে গেছে।’
‘আর মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের দলও পর্যাপ্ত আসন পেলে বিএনপিতে থাকত। এ ছাড়া বাকিরা একটি করে আসন না পেয়ে জামায়াতে গেছে। ভবিষ্যতে বিএনপি বেশি আসন সমন্বয় করতে পারলে, এরা সবাই আবার বক্তব্য পরিবর্তন করে ব্যাক করবে,’ বলেন রাশেদ খান।
তিনি মন্তব্য করেন, জামায়াত যাদের ওপর ভরসা করে অর্থ ও শ্রম ব্যয় করছে, তারাই একদিন দলটির জন্য বড় ক্ষতির কারণ হবে। রাশেদ খান বলেন, ‘সব মিলিয়ে জামায়াত যাদের ওপর ভরসা রেখে এত অর্থকড়ি খরচ করছে, তারাই একদিন জামায়াতকে এমন ধাক্কা দেবে যে জামায়াত আর ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পাবে না।’
এনসিপির নেতাদের অতীত বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “‘জামায়াত স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানচিত্রবিরোধী শক্তি’, ‘ভারতের এক্সটেনশন’, ‘সংস্কারের নামে ভণ্ডামি করছে’, ‘জামায়াত ইসলামিক দল নয়’—এ ধরনের অনেক বক্তব্য এনসিপির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে এনসিপির অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়টি নোট করে রাখার পরামর্শ দিয়ে রাশেদ খান বলেন, ‘ভবিষ্যতের ডায়েরি এখন থেকে কিনে রাখুন, কী কী বলবে সেটি নোট করার জন্য।’
সর্বশেষে জামায়াতের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মনে রাখুন, এনসিপি ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে। বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা ও শক্তি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে বলেও জনশ্রুতি আছে। আর কিছু বললাম না, শুধু এতটুকু বলব, একদিন আপনারাই বলবেন, দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পোষলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উচ্চ ও কারিগরি শিক্ষা, নগর উন্নয়ন এবং পর্যটনমন্ত্রী সুদিব্য কুমার সোনু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (জেএমএম) একজন প্রবীণ নেতা ছিলেন।
শনিবার দিবাগত রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ৫৬ বছর বয়সী এই নেতাকে রাঁচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক পুত্র রেখে গেছেন বলে
তিনি ২০১৯ সালে গিরিডিহ আসন থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও রাজনৈতিক কৌশলবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তার অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং পরিবহনমন্ত্রী দীপক বিরুয়া।
ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা এক বিবৃতিতে কুমার সোনুর অকালমৃত্যুকে দল, সরকার ও রাজ্যের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছে। মৃত্যুর মাত্র কয়েক দিন আগে তিনি রাজ্যের পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়নে ঝাড়খণ্ড সরকারের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে কর্ণাটক সফর করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী অঞ্চলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হামলা এবং পাল্টা হামলার কারণে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, ইরান মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী তিনটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরকে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। ইরান, হরমুজ দিয়ে যাতায়াতকারী অন্যান্য দেশগুলিকেও সতর্ক করেছে।
পশ্চিম এশিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আমেরিকার সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তাদের নৌসেনার দু’টি জাহাজকে নিশানা করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। এর জবাবে, আমেরিকা তিনটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা করেছে। এর মধ্যে একটি হামলা খার্গ দ্বীপের উপকূলে, যা ইরানের তেল রফতানির একটি প্রধান কেন্দ্র।
সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার সতর্ক করে বলেন, “আইআরজিসি-র উদ্দেশে আমাদের বার্তা খুব স্পষ্ট। তোমরা যদি আমাদের দুটো জাহাজে গুলি করো, আমরা আরও বড় হামলা করব, তোমাদের তিনটে নিয়ে উড়িয়ে দেব।”
যুক্তরাষ্ট্রের এই হুঁশিয়ারির পর, ইরানও প্রতিক্রিয়া জানাতে পিছপা হয়নি। তাদের দাবি, তিনটি মার্কিন ট্যাঙ্কার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত তিনটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি-র নৌবাহিনী একটি বিবৃতিতে অন্যান্য দেশের উদ্দেশে বলেছে, “যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গি সেনার কথায় কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। অনুমোদিত জলপথ দিয়ে চলাচল করুন। কোনও সন্দেহজনক তৎপরতা দেখাবেন না। না-হলে এর পরের হামলা আপনাদের উপর হবে।”
তবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই হামলা এবং পাল্টা হামলার ফলে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
হরমুজ প্রণালি দীর্ঘকাল ধরে দুই দেশের বিবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করে এবং সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে। এরপর থেকেই সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে ধারাবাহিকভাবে নিশানা করেছে ইরান। হরমুজ প্রণালির মতো আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দিয়ে তারা শুল্ক দাবি করেছে। একাধিক বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজও হরমুজে আক্রান্ত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো ইরানকে আর্থিক এবং সামরিকভাবে এতটাই দুর্বল করে দেওয়া, যাতে তারা আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে। সেইসঙ্গে, ইরানের নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক স্তরে দুই দেশের সংঘর্ষ থামাতে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চলছে। কিন্তু গত কয়েক দিনে হরমুজের তীরে উত্তাপ আবার বেড়ে গেছে।
সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্রধারী ডাকাত দলের আতংক হয়ে উঠেছেন কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ।
সাহসিকতার সাথে তিনি মাত্র ২ মাসের মধ্যে মাদক পাচারকারী এবং চোর ডাকাতসহ ২৮৬ জন অপরাধীকে আটক করে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, যা থানার আইনশৃঙ্খলার স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে।
অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, চলতি বছরের জুলাই মাসের ৫ তারিখে দাউদকান্দি থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন তিনি।
থানা এলাকার মহাসড়কে টহল দেওয়ার মাধ্যমে গত চলতি মাসের ০৫/০৯/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত, ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৯শত ৬৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৭শত ২৭ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ১ হাজার ৫শত ৭৫ বোতল ভারতীয় ফেয়ারডি সিরাপ, ১ হাজার ২শত ১ বোতল স্কাফ সিরাপ, ৬ বোতল বোটকা মদ, ২ টি বিদেশী পিস্তল ৫ রাউন্ড গুলিসহ মাদক মামলার ৫৮ জন, গ্রেফতারী পরোয়ানার ৯৪ জন, ডাকাতির সাথে জড়িত ৫৬ জন, চুরি ও ছিনতাইকারী ২৮ জনসহ মোট ২৮৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
দাউদকান্দি থানার পুলিশের অব্যাহত অভিযানের ফলে থানা এলাকার সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রা শান্তিপূর্ণ রয়েছে, যা নাগরিক সমাজে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে সহায়তা করছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, "কুমিল্লা জেলার মধ্যে দাউদকান্দি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত টহল জোরদার করা হচ্ছে। মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরিসহ অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনার উপকূলীয় এলাকায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পরও বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নম্বর বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাতাকাটা গ্রামে কমেনি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের দোসরদের প্রভাব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। অভিযোগ উঠেছে, এলাকার বাসিন্দা নাসিম সিকদার ও তার ভাই রিয়াজ সিকদারের গড়ে তোলা সশস্ত্র বাহিনীর চাঁদাবাজি, ভূমি দখল এবং লাগাতার হুমকিতে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, নাসিম সিকদার ও রিয়াজ সিকদার সাবেক বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অনিকের ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বরগুনা পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বাসাবাড়িতে হামলার পেছনে এই দুই ভাইয়ের সরাসরি ইন্ধন ও নেতৃত্ব ছিল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হলেও পাতাকাটা গ্রামে দুই ভাইয়ের দাপট কমেনি। তারা জোরপূর্বক মানুষের বসতবাড়ি ও জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং পুকুর থেকে মাছ ধরে বিক্রির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে। এমনকি প্রতিবাদ করতে গেলে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হামলা চালানো এবং সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, রিয়াজ সিকদার বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করলেও সেখান থেকে কলকাঠির মাধ্যমে দেশে থাকা ক্যাডার বাহিনীকে বিভিন্ন অপকর্মের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। এতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও অপমান-অপদস্থ হচ্ছেন, ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক সামাজিক পরিবেশ।
ভুক্তভোগী পাতাকাটা গ্রামের বাসিন্দা ইউনুস মৃধা বলেন, সরকারের পতন হলেও এই দুই ভাইয়ের অত্যাচার থামেনি। আমার পৈতৃক ভিটেমাটি এবং আদালতের রায় আমার পক্ষে থাকা সত্ত্বেও তারা স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে প্রভাবিত করে জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, মানুষকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করা এবং মিথ্যা অপবাদ ছড়ানোর কাজেও তারা জড়িত। আমরা অবিলম্বে এই দুই ভাইয়ের বিচার চাই।
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "প্রশাসনের কাছে আমাদের আকুল আবেদন—আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন এই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে। অন্যথায় ভবিষ্যতে গ্রামে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকেই নিতে হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাসিম সিকদারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে, সার্বিক বিষয়ে বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সরকারি মোবাইল নম্বরে কল করা হলে তাকেও ফোনে পাওয়া যায়নি।
(প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়াবলি স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। পুরো ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত কাম্য।)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ