শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৬ পি.এম
প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী ও সাসেক্সের ডিউচেস মেগান মার্কেল তাঁর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বাবা থমাস মার্কেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করেছেন। মেগান জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে তাঁর বাবার বিরুদ্ধে একটি 'উদ্বেগজনক অভিযোগের' চিঠি যুক্তরাজ্যের মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছিল, যা পরে তাঁর কাছে হস্তান্তরিত হয়।
সম্প্রতি ব্রিটিশ গ্যাবলয়েড 'দ্য সান'-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, থমাস মার্কেলের সাবেক বাসভবন ফিলিপাইনে শিশু যৌন নিপীড়নের কিছু ছবি ও কনটেন্ট পাওয়া গেছে। মেগানের সৎ ভাই, থমাস মার্কেল জুনিয়র 'দ্য সান'-কে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর বাবার ফিলিপাইনের বাড়িতে এই আপত্তিকর ছবিগুলো আবিষ্কার করেন এবং পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে দেন। বর্তমানে ৮২ বছর বয়সী থমাস মার্কেল যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তিনি এসব অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন।
মেগান মার্কেল এক বিবৃতিতে গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "গত ২৪ ঘণ্টায় যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তাতে আমি ভীষণভাবে মর্মাহত। যেসব শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত, আমার সমবেদনা তাদের সঙ্গে রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালে যখন তিনি এ সংক্রান্ত চিঠি পান, তখন তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে।
নিজের সন্তানদের কেন নানা (থমাস মার্কেল) থেকে দূরে রেখেছেন, সে সম্পর্কে মেগান বলেন, "আমার সন্তানদের সুরক্ষার জন্যই আমি বাবার কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছি এবং তাঁদেরকে বাবার স্পর্শে আসতে দেইনি। আমি বিশ্বাস করেছিলাম যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অন্যান্য শিশুদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।"
ফিলিপাইন পুলিশের তদন্ত শুরু:
ফিলিপাইনের বিচার বিভাগের আন্ডারসেক্রেটারি নিকোলাস টাই বিবিসি-কে নিশ্চিত করেছেন যে, সেবুর অ্যান্টি-হিউম্যান ট্রাফ্যাকিং অ্যান্ড চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন টাস্কফোর্স বিষয়টি তদন্ত করছে। অন্যদিকে, ফিলিপাইনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনভিক রেমুলা জানিয়েছেন, জাতীয় পুলিশ ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য থমাস মার্কেলের কম্পিউটারটি জব্দ করেছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত ফরেনসিক ফলাফল জানা যাবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে বিয়ের পরপরই রাজপরিবারের পক্ষ থেকে মেগানকে এই অভিযোগের কথা জানানো হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্রের মতে, ভবিষ্যৎ তদন্তে বাধা না সৃষ্টি করতে এবং আইনি জটিলতা এড়াতে এতদিন মেগান প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মুখ খোলেননি। সূত্র: বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, মাদকাসক্ত যুবসমাজ কখনো দেশের এবং জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে সক্ষম নয়। তিনি উল্লেখ করেন, মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিদের সামাজিকভাবে বর্জন করা জরুরি। বিপথগামী নেশাগ্রস্ত যুবসমাজকে ইসলামের পথে, আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে হবে, যা দেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। তাহলেই জাতি দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দাউদকান্দি পৌরসভার বারাগাঁও গ্রামে হজরত সারা (রা.) মহিলা মাদরাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মারুফ আরও বলেন, আমরা নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মত হয়ে অত্যন্ত গর্বিত। ইসলাম মাদক তথা নেশাদ্রব্যকে হারাম ঘোষণা করেছে। সমাজে কোনো ধরনের মাদক গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ৯১ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের বিস্তার অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন। মুসলিম ও তিরমিজি শরিফে বর্ণিত বিভিন্ন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, নেশা সৃষ্টিকারী বস্তু সম্পর্কে নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম।
তিনি আরও বলেন, দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশাদ্রব্য বৈধ পণ্যের মতো ছড়িয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার বিষয়। এসব মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে সব শ্রেণির মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভূমিকা রাখতে হবে।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, আসুন, আমরা মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বর্জন করি এবং মাদকের ব্যবহার ও কেনাবেচা বন্ধ করে আলোকিত সমাজ গঠন করি।
এছাড়া, কিশোর গ্যাং দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের অভিজাত শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, সদস্যসচিব কাউসার আলম সরকার ও যুবদল নেতা শরীফ চৌধুরী প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ড গ্যালারিতে দর্শকদের মাঠের খেলায় মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ঘরের মাঠে খেলা চলাকালীন মোবাইল ফোনের ব্যবহার যত কম হবে, দর্শকেরা তত বেশি পয়েন্ট অর্জন করবেন। সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া দর্শকদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ডর্টমুন্ডের নিজস্ব অ্যাপে নতুন ‘ফ্যান মোড’ চালু করা হয়েছে। খেলা শুরুর আগে দর্শকেরা এই সুবিধাটি সক্রিয় করে ফোনের পর্দা বন্ধ রাখতে পারবেন। খেলা চলাকালীন প্রতি মিনিট ফোন বন্ধ থাকলে পয়েন্ট জমা হবে। বিরতির সময় ফোন ব্যবহার করা যাবে, তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগে আবার ফ্যান মোড চালু করে ফোন বন্ধ রাখতে হবে। শেষ বাঁশির সঙ্গে পয়েন্ট সংগ্রহও শেষ হয়ে যাবে।
পুরস্কার হিসেবে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া দর্শকদের জন্য থাকবে খেলোয়াড়দের স্বাক্ষর করা ডর্টমুন্ডের জার্সি এবং ক্লাবের পণ্য কেনার জন্য উপহার কুপন। তবে এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়নি; বরং দর্শকদের মাঠের খেলায় আরও বেশি মনোযোগী করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গ্যালারিতে মোবাইল ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে এক হাজার নিয়মিত দর্শকের ওপর পরিচালিত একটি জরিপে দেখা যায়, ৬৩ শতাংশ দর্শক ম্যাচ চলাকালীন নিয়মিত মোবাইল ব্যবহার করেন। ডর্টমুন্ডের মতে, গ্যালারিতে ছবি তোলা, সরাসরি সম্প্রচার দেখা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অনেক দর্শক বিরক্ত হচ্ছেন।
ডর্টমুন্ডের ঘরের মাঠ সিগনাল ইদুনা পার্কে ৮১ হাজারের বেশি দর্শক একসঙ্গে ম্যাচ উপভোগ করেন। বিশেষ করে বিখ্যাত ‘ইয়েলো ওয়াল’-এর সমর্থন মাঠের পরিবেশের অন্যতম আকর্ষণ। ক্লাবটির প্রধান নির্বাহী কার্স্টেন ক্রামার মনে করেন, প্রযুক্তির ব্যবহার যেখানে প্রয়োজন নেই, সেখানে মাঠের সরাসরি আবেগ ও সম্মিলিত অভিজ্ঞতাকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে ২৪ অক্টোবরের ঘরের ম্যাচ থেকেই এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হচ্ছে। পরবর্তীতে ডর্টমুন্ডের সব ঘরের লিগ ম্যাচে এটি ব্যবহার করা হবে। ক্লাবটির লক্ষ্য শুধুমাত্র মোবাইল ব্যবহার কমানো নয়, বরং দর্শকদের মাঠের মুহূর্ত, উচ্ছ্বাস ও সমর্থনের সরাসরি অভিজ্ঞতার সঙ্গে পুনরায় যুক্ত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কালুশাহ সড়ক থেকে জাগুয়া—নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিক তল্লাশি, অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা বিএমপির
বরিশাল মহানগরীতে মাদকদ্রব্যের বিস্তার, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানা। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএমের নেতৃত্বে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযানে অংশ নেয়। নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধীদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, নগরীর কালুশাহ সড়ক, কাজিপাড়া, দক্ষিণ আলেকান্দা, টিয়াখালী, ঠাকুরবাড়ি পুল ও জাগুয়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিকভাবে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে আইনানুগ তৎপরতা পরিচালনা করে পুলিশের বিশেষ দল।
নগরীতে মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা, অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো এবং সম্ভাব্য অপরাধ প্রতিরোধে আকস্মিক অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এ বিশেষ অভিযান নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রমের অংশ। বিশেষ করে জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধ প্রতিরোধমূলক তৎপরতা জোরদারের মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিএমপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, বরিশাল মহানগরীজুড়ে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি ও আইনানুগ পুলিশি কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বন্ধুর দাফনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কবরস্থানে গিয়েছিলেন। চল্লিশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি বাবার কবর জিয়ারত শেষে সেটির ওপর বসার সাথে সাথে কবরের পাথরের কাঠামো ভেঙে পড়ে। এতে তিনি ভেতরের সমাধিকক্ষে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
এই ঘটনা ঘটেছে বুধবার (২১ অক্টোবর) ব্রাজিলের এস্পিরিতো সান্তো রাজ্যের লিহারেস শহরের সাও জোসে পৌর কবরস্থানে। কবরস্থানটি রিও ডি জেনিরো থেকে প্রায় ৪০০ মাইল উত্তরে অবস্থিত।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তি ঘটনার দিন মোটরসাইকেলে করে কবরস্থানে এসেছিলেন তার সদ্যপ্রয়াত বন্ধুর দাফনের স্থান জানার জন্য। তথ্য সংগ্রহের পর তিনি মোটরসাইকেল পার্ক করে বাবার কবরের দিকে হেঁটে যান। জিয়ারত করার আগে অথবা পরে কবরের পাথরের ঢাকনার ওপর বসেন।
এসময় পুরো কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং তিনি ভেতরের গভীরে পড়ে গুরুতর আহত হন। শব্দ শুনে কবরস্থানে আসা অন্যান্য ব্যক্তিরা দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তারা অ্যাম্বুলেন্সে খবর দেন। অ্যাম্বুলেন্স আসার পর চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কবরস্থানের কর্মী নাজারে ব্রাভিন জানান, ওই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে কবরস্থানে এসে তার বন্ধুকে কোথায় দাফন করা হবে, তা জানতে চেয়েছিলেন। পরে মোটরসাইকেলটি পার্ক করে তিনি বাবার কবরের দিকে হেঁটে যান। সেখানেই ঘটে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনাটি।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে লিনহারেস সিটি কাউন্সিল।
এক বিবৃতিতে পরিষদ জানিয়েছে, কবরস্থানের সাধারণ জায়গার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের হলেও প্রতিটি স্বতন্ত্র কবরের দেখভালের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পরিবারের। সামনে ‘অল সোলস ডে’ উপলক্ষে কবরস্থানগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে পারে উল্লেখ করে সবাইকে সাবধানে চলাফেরার ও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে সিটি কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ