ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কমছে জনসংখ্যা, বেশি সন্তান নিতে নগদ সহায়তার ঘোষণা ভুটানের


কমছে জনসংখ্যা, বেশি সন্তান নিতে নগদ সহায়তার ঘোষণা ভুটানের

ভুটান, ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত একটি দেশ, যার জনসংখ্যা আট লাখ এবং এটি হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত। দেশটি ক্রমবর্ধমান নিম্ন জন্মহার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং তাই জনসংখ্যা বাড়াতে নতুন প্রণোদনা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিবারগুলোকে আরও বেশি সন্তান নিতে উৎসাহ দিতে নাগদ সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে ভুটান সরকার।

৪ জুন বৃহস্পতিবার, ভুটান সরকার একটি বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে যে, ২০২৬ সালের ৪ জুন বা তার পরে জন্ম নেয়া পরিবারের তৃতীয় এবং পরবর্তী সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ১০ হাজার গুলট্রাম (প্রায় ১০৫ ডলার) নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে। শিশুর বয়স তিন বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত এই সহায়তা চালু থাকবে।

সরকার জানিয়েছে, ৪ জুনের আগে জন্ম নেয়া তৃতীয় বা পরবর্তী সন্তানরাও যদি এখনও তিন বছর বয়সী না হয় তবে তারা এই সুবিধার আওতায় আসবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ওলামা লীগ নেতার বিএনপিতে যোগদান নাকি সৌজন্য সাক্ষাৎ?

মন্ত্রিপরিষদ সচিব কেসাং ডেকি রায়টার্সকে বলেন, যে পরিবারে দ্বিতীয় সন্তানের পর যত সন্তানই হোক—তিন, চার, পাঁচ, ছয় বা সাত—এ সকল ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা কার্যকর হবে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভুটানে ২০১৫ সালে মোট জন্মের সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ১, ২০২৪ সালে এটি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ১৫৩-এ। অর্থাৎ, জন্মের সংখ্যা প্রায় ২৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সেই সময় মোট প্রজনন হার (প্রতি নারীর গড় সন্তান সংখ্যা) নেমে এসেছে প্রায় ২ দশমিক ১-এ, যা জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় ‘রিপ্লেসমেন্ট লেভেল’-এর কাছাকাছি রয়েছে।

ভুটান সরকার জানিয়েছে, জনসংখ্যা কমে যাওয়া, বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বিদেশে কাজের জন্য অভিবাসন দীর্ঘমেয়াদে ভুটানের শ্রমশক্তি, সামাজিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপরে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে, স্থলবেষ্টিত বৌদ্ধ রাষ্ট্রটিতে অর্থনৈতিক অসন্তোষের কারণে অনেক তরুণ ভুটানি উন্নত জীবনের খোঁজে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা রেকর্ডভাবে কমেছে, কলকাতার চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যবসা সংকটে

সরকার বলছে, নতুন এই নীতি মাতৃস্বাস্থ্য, শিশু ও পরিবার কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভুটানের দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যাগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতির নির্দেশ করে।

রয়টার্স সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়েছে, প্রতিবেশী ভারতের সিকিম রাজ্য ২০২৩ সালে জন্মহার বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে নারীদের জন্য এক বছরের মাতৃত্বকালীন ছুটি, পুরুষদের জন্য এক মাসের পিতৃত্বকালীন ছুটি এবং আইভিএফের মাধ্যমে সন্তান নিতে আগ্রহীদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নিয়মে যে কারণে বিশ্বকাপ ম্যাচ দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থগিত হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


মার্কিন নিয়মে যে কারণে বিশ্বকাপ ম্যাচ দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থগিত হতে পারে

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। কিন্তু উত্তেজনার মাঝে একটি নতুন বিতর্ক জায়গা করে নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো। বজ্রঝড়ের কারণে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে ম্যাচগুলো। দ্য অ্যাথলেটিকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি কঠোর নিরাপত্তা বিধি এই সংকটের কেন্দ্রবিন্দু।

নিয়মটি সহজ হলেও কঠোর। এটি অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের আট মাইলের মধ্যে যদি কোন বজ্রপাত কিংবা বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ শনাক্ত হয়, তাহলে ম্যাচ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হবে। এরপর শুরু হবে ৩০ মিনিটের বাধ্যতামূলক অপেক্ষার কাউন্টডাউন। তবে, যদি সেই ৩০ মিনিটের মধ্যে আবার বজ্রপাত হয়, তাহলে টাইমার শূন্য থেকে শুরু হবে। এর মানে হলো, যদি পরপর ঝড় হয়, তাহলে খেলা অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে।

টাইমারের রিসেট হলে খেলার বন্ধ থাকা সময় অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড বজ্রঝড়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। বিশ্বকাপের কয়েকটি ভেন্যু এই এলাকায় অবস্থিত। এরই মধ্যে, দেশটিতে পূর্বের আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।

ফিফার কাছে এই স্থানীয় নিরাপত্তা বিধি বাতিল করার কোনো ক্ষমতা নেই। এমনকি সম্প্রচারের সময়সূচি বা খেলার চাপ যদি যতই থাকে, নিয়ম মানতেই হবে। এর সাথে, আরেকটি চিন্তার বিষয় হলো, কতক্ষণ বন্ধ থাকলে ম্যাচ পুরোপুরি বাতিল হবে, সেটার কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম ফিফার হাতে নেই। প্রতিটি পরিস্থিতি আলাদাভাবে বিচার্য হবে। এই অনিশ্চয়তা দল, দর্শক ও সম্প্রচারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

ফিফার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর আবহাওয়া এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এছাড়াও, ১৬টি আয়োজক শহরের সঙ্গেও সমন্বয় করা হচ্ছে। তীব্র আবহাওয়ার ক্ষেত্রে একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ব্যাপক মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। সব ভেন্যুতে রিয়েল-টাইম আবহাওয়া এবং তাপ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকবে।

সূত্র: দ্য অ্যাথলেটিক, ফিফা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনার ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান আসামি রফিক বরিশালে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


খুলনার ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান আসামি রফিক বরিশালে গ্রেফতার

খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার আলোচিত শাশুড়ি ও দুই শিশু হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রফিক হাওলাদারকে র‌্যাব-৬ বরিশাল থেকে গ্রেফতার করেছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশালের কোতোয়ালি থানার কাশিপুর এলাকায় র‌্যাব-৬ এবং র‌্যাব-৮ এর যৌথ অভিযানের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে আটক করা হয়। এরপর তাকে খুলনায় নিয়ে এসে সোনাডাঙ্গা থানায় রাখা হয়েছে। সেখানে তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

র‌্যাব ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ঘটে ২৯ মে রাত ২টা থেকে সকাল ৮টার মধ্যে যেকোনো সময়। তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রথমে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে নানী বেবি এবং দুই শিশু—১২ বছর বয়সী শামীম ও ৭ বছর বয়সী মোস্তাকিমকে প্রথমে অচেতন করা হয়। এরপর ঘরের ভেতরে তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পরে মরদেহ গোপন করার চেষ্টা করা হয়; একটি মরদেহ ঘরের ভেতর এবং আরেকটি মরদেহ ট্রাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানালেন, রফিক হাওলাদারকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। রফিককে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা উদঘাটন করার চেষ্টা চলছে।

গত ২৯ মে সোনাডাঙ্গা কাঁচাবাজার এলাকার দারুন আমার মহল্লার একটি ভাড়া বাসা থেকে নানী বেবি এবং তার দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত শিশুদের বাবা মাসুম বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শিশুদের মা মেরির দ্বিতীয় স্বামী রফিক হাওলাদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের পরিবেশ রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ বলছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা, সম্ভাব্য বড় পতন ঘটবে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা, সম্ভাব্য বড় পতন ঘটবে!

স্বর্ণের দাম জানুয়ারিতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫০০ ডলার ছুঁয়েছে। তবে তারপর থেকে সেই ঊর্ধ্বগতি ধরে রাখতে পারেনি স্বর্ণ; বরং দাম অনেকটাই কমে এসেছে। এতে বাজারে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। বিনিয়োগকারীরা কি এটিকে নেতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখবেন, নাকি এটাকে দামের স্বাভাবিক ওঠানামা হিসেবে নেবেন, সে বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস বলে, স্বর্ণের দাম বড় ধরনের উত্থানের পর সাধারণত কিছুটা সংশোধন বা দরপতনের মধ্য দিয়ে যায়। বর্তমানে এই ওঠানামাকে অনেক বিশ্লেষক কৃষকের স্বাভাবিক চক্রের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

বিগত দুই দশকের মূল্য ইতিহাস বলছে, শক্তিশালী উত্থানের পর প্রায়ই বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। যেমন ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ২৪৫ শতাংশ বেড়েছিল, তবে সেই লাভের বড় অংশ পরবর্তীতে স্থিতিশীল থাকে। এর আগে ২০০৮ সালের অক্টোবরে প্রতি আউন্স ৬৯৭.৪৫ ডলার থেকে বেড়ে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ১,৮৮৪.৪০ ডলারের রেকর্ডে পৌঁছায় স্বর্ণ। এরপর ২০১৮ সালের আগস্টে তা ৩৭ শতাংশ কমে ১,১৯১.৩৫ ডলারে নেমে আসে।

পরবর্তীতে আবার ২০২০ সালের আগস্টে দাম ৭৪ শতাংশ বেড়ে ২,০৭২.৪৯ ডলারের সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল। কিন্তু এরপর ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাম ২২ শতাংশ কমে ১,৬২০.২০ ডলারে নামে। এই দীর্ঘমেয়াদি ধারার মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে যে দাম যত বেশি বাড়ে, পরবর্তী পতনও তত বড় হয়ে ওঠে। আবার ঊর্ধ্বগতির তুলনায় পতনের সময় সাধারণত দীর্ঘ হয় না।

২০২২ সালের পর স্বর্ণের দাম আবার দ্রুত বাড়তে থাকে এবং ২৯ জানুয়ারিতে আউন্সপ্রতি ৫,৫৯৪.৮২ ডলারে পৌঁছে সর্বকালের রেকর্ড গড়ে। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দাম প্রায় ২০ শতাংশ কমে বৃহস্পতিবার (৪ জুন, ২০২৬) দাঁড়াচ্ছে ৪,৪৭৩.৮৯ ডলারে। ইতিহাস অনুযায়ী, এই পতন বড় কোনো ধস নয়, বরং তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত একটি সংশোধন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আগের উত্থান-পতনের ধারা যদি আবারও অনুসরণ করে, তাহলে আগামী মাস বা বছরগুলোতে আরও বড় পতনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এইবার পরিস্থিতি কি আগের মতোই? বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান উত্থান একাধিক শক্তিশালী কারণ একসঙ্গে কাজ করার ফল। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর বড় পরিমাণে স্বর্ণ কেনা, চীন ও ভারতের শক্তিশালী খুচরা চাহিদা এবং বিনিয়োগকারীদের ‘ভয়ভিত্তিক লেনদেন’ বা ফিয়ার ট্রেড।

এই ফিয়ার ট্রেডের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির কারণে ডলারের বৈশ্বিক অবস্থান দুর্বল হতে পারে এমন ধারণা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কেনাকাটা কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে চীন ও ভারতের ভোক্তা চাহিদাও কমেছে।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ২৪৩.৭ মেট্রিক টন স্বর্ণ কিনেছে। যদিও এটি আগের বছরের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি, তবে এটি আগের কয়েক বছরের উচ্চ পর্যায়ের চেয়ে কম। ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০২৪ সালের শেষে প্রতি ত্রৈমাসিকে ৩০০ টনের বেশি কেনাকাটা হলেও বর্তমানে তা প্রায় ২০০ টনের আশেপাশে স্থিতিশীল রয়েছে। একই সময়ে চীন ও ভারতে গহনার চাহিদাও কমেছে। চীনে চাহিদা ৩১ শতাংশ এবং ভারতে ১৯ শতাংশ কমে গেছে। ফলে বিশ্বব্যাপী গহনার চাহিদা ২৫ শতাংশ কমে ২৬০.২ টনে নেমেছে।

উচ্চ দামের কারণে সাধারণ ভোক্তার চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে ভারত সরকারও সোনা আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে স্বর্ণ-সমর্থিত এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে বিনিয়োগ প্রবাহও কমেছে। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৭৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বৈশ্বিক স্বর্ণের মোট চাহিদা ৯ শতাংশ কমে ১,১৯৫.৯ টনে দাঁড়িয়েছে।

এ কারণে জানুয়ারির সর্বোচ্চ দাম থেকে যে তুলনামূলক ছোট পতন দেখা গেছে, সেটি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক সংশোধন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো; এই মুহূর্তে স্বর্ণের দাম মৌলিক চাহিদার চেয়ে বেশি নির্ভর করছে মুদ্রানীতির প্রত্যাশার ওপর।

সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দামের সঙ্গে স্বর্ণের সম্পর্কও পরিবর্তিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে তেলের দাম বাড়লে স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়, আবার শান্তিচুক্তির সম্ভাবনায় তেলের দাম কমলে স্বর্ণ কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। কারণ তেলের দাম মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশা ও সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে।

উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের মতো আয়হীন সম্পদের আকর্ষণ কমিয়ে দেয়, আর সুদের হার কমার প্রত্যাশা স্বর্ণকে সমর্থন দেয়। তাই বর্তমানে স্বর্ণ শুধু সরবরাহ-চাহিদার নয়, বরং বৈশ্বিক রাজনীতি ও সুদের হার প্রত্যাশার জটিল সমীকরণের মধ্যে আটকে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাকিব-বুবলীর কন্যার নাম শারলিন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


শাকিব-বুবলীর কন্যার নাম শারলিন খান

অবশেষে সুখবর দিয়েছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন। আবেগঘন পোস্টের পর নায়িকাকে শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসাচ্ছেন তার ভক্তরা।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে আনন্দময় খবরটি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন নায়িকা। তিনি জানিয়েছেন, তার ও শাকিব খানের সংসারে একটি কন্যা সন্তান এসেছে। জন্ম নিয়েছে ১১ মে এবং কন্যা সন্তানের নাম রাখা হয়েছে শারলিন খান।

ফেসবুকে একটি গোলাপি-পিচ রঙের ফটোকার্ডে কন্যা সন্তানের সুখবর দিয়েছেন বুবলী। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন,

"আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।"

শবনম বুবলী ২০১৮ সালের ২০ জুলাই মেগাস্টার শাকিব খানকে বিয়ে করেন। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করে শাকিব ও বুবলীর প্রথম সন্তান শেহজাদ খান বীর। প্রথম সন্তানের ৬ বছর পর, দ্বিতীয় অতিথি এসে হাজির হলো এই তারকা দম্পতির সংসারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%