প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। কিন্তু উত্তেজনার মাঝে একটি নতুন বিতর্ক জায়গা করে নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো। বজ্রঝড়ের কারণে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে ম্যাচগুলো। দ্য অ্যাথলেটিকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি কঠোর নিরাপত্তা বিধি এই সংকটের কেন্দ্রবিন্দু।
নিয়মটি সহজ হলেও কঠোর। এটি অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের আট মাইলের মধ্যে যদি কোন বজ্রপাত কিংবা বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ শনাক্ত হয়, তাহলে ম্যাচ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হবে। এরপর শুরু হবে ৩০ মিনিটের বাধ্যতামূলক অপেক্ষার কাউন্টডাউন। তবে, যদি সেই ৩০ মিনিটের মধ্যে আবার বজ্রপাত হয়, তাহলে টাইমার শূন্য থেকে শুরু হবে। এর মানে হলো, যদি পরপর ঝড় হয়, তাহলে খেলা অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে।
টাইমারের রিসেট হলে খেলার বন্ধ থাকা সময় অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড বজ্রঝড়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। বিশ্বকাপের কয়েকটি ভেন্যু এই এলাকায় অবস্থিত। এরই মধ্যে, দেশটিতে পূর্বের আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।
ফিফার কাছে এই স্থানীয় নিরাপত্তা বিধি বাতিল করার কোনো ক্ষমতা নেই। এমনকি সম্প্রচারের সময়সূচি বা খেলার চাপ যদি যতই থাকে, নিয়ম মানতেই হবে। এর সাথে, আরেকটি চিন্তার বিষয় হলো, কতক্ষণ বন্ধ থাকলে ম্যাচ পুরোপুরি বাতিল হবে, সেটার কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম ফিফার হাতে নেই। প্রতিটি পরিস্থিতি আলাদাভাবে বিচার্য হবে। এই অনিশ্চয়তা দল, দর্শক ও সম্প্রচারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
ফিফার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর আবহাওয়া এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এছাড়াও, ১৬টি আয়োজক শহরের সঙ্গেও সমন্বয় করা হচ্ছে। তীব্র আবহাওয়ার ক্ষেত্রে একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ব্যাপক মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। সব ভেন্যুতে রিয়েল-টাইম আবহাওয়া এবং তাপ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকবে।
সূত্র: দ্য অ্যাথলেটিক, ফিফা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন