বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১২ পি.এম
এশিয়া গেমসে অভিষেকের এক রূপকথার মতো সফল সমাপ্তি ঘটালেন চীনের সাঁতারুর নতুন প্রতিভা ইউ জিদি। তিনটি আলাদা ইভেন্টে তিনি অর্জন করেছেন তিনটি স্বর্ণপদক, প্রতিটি ইভেন্টে নতুন রেকর্ড গড়ে।
বৈশ্বিক এই গেমসের কাহিনী এর চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হতে পারত না। বুধবার, তার স্টাইলিশ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ইউ জিদি সফলভাবে তার এশিয়ান গেমসে অভিষেক সম্পন্ন করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০ মিটার বাটারফ্লাই এবং ২০০ মিটার ইন্ডিভিজুয়াল মেডলিতে সোনা জিতে সাঁতার জগৎকে নাড়িয়ে দিয়েছেন এই ১৩ বছর বয়সী কিশোরী। এরপর ৪০০ মিটার ইন্ডিভিজুয়াল মেডলিতেও তিনি একচেটিয়া আধিপত্য স্থাপন করে জয়লাভ করেছেন। তার এই সাফল্যের মাধ্যমে তিনি নিজের প্রজন্মের সেরা প্রতিভা হিসেবে থাকা সব সংশয় দূর করেছেন এবং পদক তালিকায় চীনের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিমানবন্দরে তারকাদের চারপাশে আলোকচিত্রীদের ব্যস্ততা নতুন কিছু নয়। তবে সব সময় ক্যামেরার সামনে স্বস্তিতে থাকেন না তারা। সম্প্রতি, পেছন দিক থেকে ছবি তোলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আলোকচিত্রীদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মানুষী চিল্লার এবং সেই ছবি মুছে ফেলার অনুরোধ করেছেন ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
মঙ্গলবার মুম্বাই বিমানবন্দরে মানুষীকে দেখা যায়। গাড়ি থেকে নামার পর হাসিমুখে আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দেন তিনি। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ছবি তোলার পাশাপাশি পাপারাজ্জিদের সঙ্গে কথাও বলেন অভিনেত্রী। কিন্তু বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশের সময় পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। পিছন দিক থেকে কয়েকজন আলোকচিত্রী ছবি তুলতে থাকেন। বিষয়টি লক্ষ্য করতেই তাদের থামিয়ে দেন মানুষী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মানুষীকে শান্তভাবে বলতে শোনা যায়, "দয়া করে ওই ছবিগুলো মুছে দিন। পেছন থেকে তোলা ছবি দেবেন না।"
নিজের আপত্তি জানানোর পরও আলোকচিত্রীদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করেন মানুষী। তাদের জন্য পোজ দেন, হাত নেড়ে বিদায় জানান এবং এরপর বিমানবন্দরের ভেতরে চলে যান। জানা গেছে, সেখান থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন অভিনেত্রী।
তারকাদের ছবি তোলার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বস্তি ও গোপনীয়তার বিষয়টি নিয়ে এর আগে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে অস্বস্তিকর দৃষ্টিকোণ থেকে ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা নিয়ে বিভিন্ন তারকা প্রকাশ্যে আপত্তি জানিয়েছেন।
মানুষীর আগে জাহ্নবী কাপুর, নেহা ধুপিয়া, আয়েশা খান, রশ্মি দেশাই ও শানায়া কাপুরসহ একাধিক অভিনেত্রী এ ধরনের ছবি তোলার বিষয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মামা ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আসামি ওবায়দুরকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, শুনানির সময় আসামির পক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়নি।
আটক রাখার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি ভিকটিম মরিয়মের আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তদন্তকালে জানা যায়, মরিয়মের বিয়ের আগে থেকেই সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত থেকে আসামি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামির রিমান্ড চাওয়া হবে। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামিকে কারাগারে আটক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
এর আগে গত বুধবার ওবায়দুর রহমানকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর পর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন ও মাকছুদা বেগমকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তের দায়িত্ব গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর নজরুল ইসলাম চার দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ এবং দলের সম্ভাব্য একাদশের গোপন তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ভারতীয় ক্রিকেটে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে চেন্নাই সুপার কিংসের এক খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, ২০২৫ আইপিএলে ম্যাচের আগে একাদশের তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এই বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
চেন্নাই সুপার কিংসের একজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ‘আমাদের সামনে বার্ষিক সাধারণ সভা রয়েছে। এর আগে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।’ চেন্নাই কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
অভিযোগের সূত্র হিসেবে সাবেক ঘরোয়া ক্রিকেটার রাচিত ভাটিয়ার নাম উঠে এসেছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, চেন্নাই সুপার কিংসের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে পাওয়া একাদশের তথ্য লন্ডনের জুয়াড়িদের কাছে পৌঁছানো হয়েছিল। সেখানে প্রতি ম্যাচে ৬০ লাখ রুপি এবং পাঁচ ম্যাচে মোট প্রায় ৩ কোটি রুপি লেনদেনের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব দাবির সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
এদিকে, সাবেক চেন্নাই সুপার কিংস ক্রিকেটার বংশ বেদী অভিযোগগুলো সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, রাচিত ভাটিয়া যে ব্যক্তির কথা বলেছেন, আমি সেই ব্যক্তি নই। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’
বেদী আরো জানান, ‘আমাকে এসব অভিযোগের সঙ্গে মিথ্যাভাবে জড়ানোর চেষ্টা মানহানিকর। আমার আইনজীবীরা দোষীদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’
ফিক্সিং বিতর্কে চেন্নাই সুপার কিংসের নাম জড়ানো নতুন কিছু নয়। ২০১৩ আইপিএলে দলের কর্মকর্তা গুরুনাথ মেইয়াপ্পনের বাজি সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছিল।
তদন্তে ফিক্সিংয়ের প্রমাণ পাওয়ার পর ২০১৫ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোধা কমিটি চেন্নাই সুপার কিংসকে দুই বছরের জন্য আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ করে। একইসঙ্গে মেইয়াপ্পনকে ক্রিকেট সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়নে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় বাঁচবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ফুটওভার ব্রিজটি উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন মন্তব্য করেন, ‘আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। এই ব্রিজ নির্মাণের ফলে নাগরিকদের যাতায়াতে সময় বাঁচবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। এতে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেবল এই ফুটওভার ব্রিজটিই নয়, এর পাশাপাশি আরো দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। আগামীতে এমআরটির কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে চাপ কমাতে এই ব্রিজগুলো বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং যানজট নিরসন করবে।’
সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ