বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৯ পি.এম
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়নে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় বাঁচবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ফুটওভার ব্রিজটি উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন মন্তব্য করেন, ‘আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। এই ব্রিজ নির্মাণের ফলে নাগরিকদের যাতায়াতে সময় বাঁচবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। এতে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেবল এই ফুটওভার ব্রিজটিই নয়, এর পাশাপাশি আরো দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। আগামীতে এমআরটির কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে চাপ কমাতে এই ব্রিজগুলো বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং যানজট নিরসন করবে।’
সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটসংলগ্ন এলাকায় ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত ও প্রদর্শনের অভিযোগে দুটি মেডিকেল হলকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে হাজী মেডিকেল হল ও বিসমিল্লাহ মেডিকেল হলে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ওষুধ পাওয়া যায়। পরে প্রতিষ্ঠান দুটিকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযানকালে নেত্রকোনা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক শামিম হোসেন ও তাঁর দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান পরিচালনাকারীরা জানান, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ওষুধ সাধারণভাবে বিক্রির জন্য নয়। তাই এসব ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত, প্রদর্শন বা বিক্রি না করার জন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম বলেন, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ওষুধ সাধারণভাবে বিক্রির জন্য নয়। এ ধরনের ওষুধের অননুমোদিত বিক্রি বা মজুত ঠেকাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্য করে এসব ওষুধ বিক্রি বা সংরক্ষণ করা হলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পাকিস্তানের লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ প্রথমবারের মতো আইসিসি টি-টোয়েন্টি বোলিং র্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠেছেন, আফগানিস্তানের রশিদ খানকে টপকে। রশিদ বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন।
লেগ স্পিনার রশিদ সম্প্রতি ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন।
আশানুরূপ পারফরমেন্স না করতে পারায় তার র্যাংকিংয়ে এক ধাপ অবনতি ঘটেছে।
এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলা আবরার রশিদের অবনতির সুযোগ নিয়ে শীর্ষে উঠেছেন। তার রেটিং ৭৩৬। অপরদিকে, রশিদের রেটিং ৭৩৫। দুজনের মধ্যে পার্থক্য মাত্র ১ রেটিংয়ের।
আবরার পাকিস্তানের পঞ্চম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন। এর আগে পাকিস্তানের হয়ে শীর্ষে উঠেছিলেন উমর গুল, সাঈদ আজমল, ইমাদ ওয়াসিম ও শহীদ আফ্রিদি।
আবরার ও রশিদের পর বোলিং তালিকায় তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছেন দুই লেগ স্পিনার, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম জাম্পা ও ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বোলিং র্যাংকিংয়ে শীর্ষ চার বোলারই লেগ স্পিনার।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবার উপরে আছেন বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। তিনি ৬৪৬ রেটিং নিয়ে ১২তম স্থানে রয়েছেন।
সদ্য ঘরের মাঠে শ্রীলংকার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ১ সেঞ্চুরিতে ১৭০ রান করেন। ব্যাট হাতে তার দারুণ পারফরমেন্সের ফলে তিনি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে ব্যাটিং তালিকায় পাঁচ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৭৯৩ রেটিং নিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠেছেন।
সিরিজে সর্বোচ্চ ১৭২ রান করে ইংল্যান্ড ওপেনার জশ বাটলার দুই ধাপ এগিয়ে ৭৮৯ রেটিং নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছেন।
৯০৪ রেটিং নিয়ে ব্যাটিং তালিকায় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছেন ভারতের উইকেটরক্ষক ইশান কিশান।
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সেরা অবস্থানে আছেন তানজিদ হাসান। তিনি ৬৪৮ রেটিং নিয়ে ১৭তম স্থানে রয়েছেন।
অলরাউন্ডারদের তালিকায় ৩২১ রেটিং নিয়ে শীর্ষে আছেন জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে সাংবাদিকদের জন্য একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা জেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার গাইবান্ধা সার্কিট হাউজের কনফারেন্স রুমে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল আড়াইটা পর্যন্ত এই কর্মশালা চলেছে।
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গাইবান্ধার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার জন্য অধিকার ও পেশাগত দায়িত্ববোধ সম্পর্কিত আইন ও বিধি বিধান বাস্তবায়নের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম, যিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ড. মো মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মো. আব্দুর সবুর, যিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব।
জেলার ৪০ জন গণমাধ্যমকর্মীকে নিয়ে দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে পরিচালিত হয়।
এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং পেশাগত আইন সম্পর্কে দায়িত্বশীল হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে ৪০ জন গণমাধ্যমকর্মীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে গতি আনতে ২৩টি কর্মসূচি গ্রহণ করছে।
এই কর্মসূচিগুলি আগামী নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তরুণ-কিশোর-কিশোরী, নবদম্পতি ও পুরুষদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, বস্তিবাসী, ভাসমান এবং বিভিন্ন অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা প্রচার-প্রচারণা ও ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সেমিনারে এক বছরের এই কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
নবদম্পতি ও পুরুষদের জন্য পরিবার পরিকল্পনায় নতুন কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, হাট ক্যাম্পেইন, র্যালি ও সমন্বয় সভা বাদে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এক বছরে প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। নভেম্বর মাসে মহিলা সংসদ সদস্যদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ওরিয়েন্টেশনের পাশাপাশি ৬৪ জেলা ও ৫০৩ উপজেলায় প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ডিসেম্বর মাসে ইউনিয়ন পর্যায়ে হাট ক্যাম্পেইন এবং উপজেলা পর্যায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ডা. জিন্নাত রেহানা বলেন, ২০২২ সালে দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২ দশমিক ১৫ শতাংশে নেমে এলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে ২ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে গেলে তা আবার হঠাৎ বেড়ে যাওয়া উদ্বেগের বিষয়। গত দুই বছর আগে আমাদের যে অপারেশনাল পরিকল্পনা ছিল, সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। এটি এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচার-প্রচারণা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়ে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবার পরিকল্পনার পাশাপাশি বাল্যবিয়ে, অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানো এবং কিশোর-কিশোরীদের প্রজননস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে অধিদপ্তর কাজ করছে। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য ও সেবা পৌঁছে দিতে ডিজিটাল মাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে দুর্গম ও সেবাবঞ্চিত এলাকার মানুষের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় তথ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়া জরুরি।
মহাপরিচালক আরো বলেন, শুধু তথ্য পৌঁছে দিলেই হবে না, তা মানুষের বোধগম্য করে উপস্থাপন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, গবেষক, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী ধারণা কাজে লাগানো হবে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী। সভাপতিত্ব করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ডা. জিন্নাত রেহানা। সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) এবং পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, একই বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. আমিনুল হকসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রায় ৫০ প্রতিনিধি সেমিনারে অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারীদের পাঁচটি দলে ভাগ করে গ্রুপ ওয়ার্কও অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন, অংশীজনদের সমন্বয়, প্রচার কৌশল এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা ও তথ্য পৌঁছানোর বিষয়ে মতামত নেওয়া হয়। এসব সুপারিশ পর্যালোচনা করে কর্মপরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ