ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাঠালিয়ার সাংবাদিক বাদলের ভুই ফোর বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা করলেন রাজিব সাংবাদিক


কাঠালিয়ার সাংবাদিক বাদলের ভুই ফোর বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা করলেন রাজিব সাংবাদিক

 

খাই খাই সংগঠন, বরিশাল সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, গরিবের বন্ধু সমাজকল্যাণ সংস্থা, কাঠালিয়া নাগরিক ফোরামসহ কাঠালিয়ার সাংবাদিক বাদলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

তিনি বলেন, এসব সংগঠনের কার্যক্রম ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের মূল উদ্দেশ্য সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করা হলেও বাস্তবে সাংবাদিকরা বিপদে পড়লে তাদের পাশে না দাঁড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে সকলের সমর্থন ও দোয়া চান মোহাঃ সাদিকুল ইসলাম

তার অভিযোগ, বিভিন্ন দপ্তর থেকে সংগঠনের নামে আর্থিক বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও অর্থের যথাযথ ব্যবহার না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এসব কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সব পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।

তবে তিনি বলেন, কাঠালিয়া প্রেসক্লাব তার সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠান এবং তিনি প্রেসক্লাবের সঙ্গে পূর্বের মতোই যুক্ত থাকবেন।

তিনি আরও জানান, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিরোধ সৃষ্টি করা তার উদ্দেশ্য নয়। বরং সংগঠনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া উচিত—এটাই তার প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে আমির হামজার মাহফিলের প্যান্ডেল খুলে ফেলা হলো

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফোনে উত্ত্যক্ত-হুমকি, যেভাবে নেবেন আইনগত ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


ফোনে উত্ত্যক্ত-হুমকি, যেভাবে নেবেন আইনগত ব্যবস্থা

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৫১

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী আয়েশা সোনিয়া।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কল করে উত্ত্যক্ত করা, হুমকি প্রদান করা অথবা মেসেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত। বিশেষত যখন নারীরা এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হন, তখন আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত প্রমাণ সংরক্ষণ এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী আয়েশা সোনিয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ উল্লেখ করেছেন।

আইনজীবী আয়েশা সোনিয়া উল্লেখ করেন, বর্তমানে নারীদের মোবাইল ফোনে হয়রানি করার জন্য বিভিন্ন চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কর্মজীবী নারীরা এবং কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ অনেকেই এ ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কখনও কখনও পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে কারো ফোন নম্বর ছড়িয়ে দিয়েও হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি জানান, কোন নারী যদি ফোনে উত্ত্যক্ত হয়, হুমকির শিকার হয় কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানির শিকার হন, তাহলে বিষয়টি গোপন না রাখতে বলেন এবং দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে পরামর্শ দেন। পাশাপাশি সম্ভাব্য সব ধরনের প্রমাণ সংগ্রহ করাও অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, হয়রানিকারীর ফোন নম্বর, কললগ, ক্ষুদে বার্তা, ভয়েস মেসেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথন এবং অন্যান্য তথ্য মুছে না ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন আয়েশা সোনিয়া। এসব তথ্যের স্ক্রিনশট নেওয়ার পাশাপাশি সম্ভব হলে অডিও বা ভিডিও রেকর্ড করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের ব্যাকআপ রাখা উচিত।

হুমকি যদি গুরুতর হয়ে ওঠে বা তাৎক্ষণিক নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করে, তাহলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯ নম্বরে যোগাযোগ করেও সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া সম্ভব।

হয়রানিকারীর মোবাইল নম্বর, কলের তথ্য, মেসেজ ও অন্যান্য প্রমাণসহ নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে পারেন। অপরাধের প্রকৃতি ও পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মামলা করার সুযোগও রয়েছে।

ফোনে বারবার উত্ত্যক্ত করা হলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বরাবর অভিযোগ করা যেতে পারে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নম্বর এবং হয়রানির তথ্য সংযুক্ত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ অথবা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ বার্তা, হুমকি, ব্ল্যাকমেইল অথবা অন্য ধরনের সাইবার হয়রানির শিকার হলে পুলিশের সাইবার ইউনিটের সহায়তা নেওয়া উচিত। নারীরা সাইবার হয়রানির ক্ষেত্রে পুলিশের ‘Cyber Support for Women’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও সহায্য চাইতে পারেন।

আয়েশা সোনিয়া বলেন, এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীর নীরব থাকা উচিত নয়। অনেক সময় একাধিক ব্যক্তি অথবা একটি সংঘবদ্ধ চক্র এক ব্যক্তিকে টার্গেট করে তাঁকে হয়রানি করার জন্য যুক্ত হতে পারে। সুতরাং দ্রুত অভিযোগ করতে এবং মাদুর প্রমাণ রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘ব্ল্যাকমেইল অথবা হয়রানির শিকার হলে পুলিশকে জানাতে এবং লিখিত অভিযোগ দিতে ভুলবেন না। দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নিলে অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণশুনানিতে মার্চেন্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রথম ৫ বছর কম ট্যারিফের প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


গণশুনানিতে মার্চেন্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রথম ৫ বছর কম ট্যারিফের প্রস্তাব

মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টে (এমপিপি) বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফ কমিয়ে ০.৫০ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)। এ সংগঠন একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলে ‘ডিমড জেনারেশন’-এর জন্য ক্ষতিপূরণ, এমপিপি বন্ধ করার আগে কমপক্ষে ২০ বছরের মেয়াদ নিশ্চিত করা এবং গ্রিডে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আয়োজিত মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টের গাইডলাইন ও ট্যারিফ বিষয়ে গণ-শুনানিতে তারা এই দাবি জানায়।

এ সময় বিএসআরইএ সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। ছিলেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদসহ কমিশনের সদস্যরা এবং সৌরবিদ্যুৎ খাতের উদ্যোক্তা ও প্রতিনিধিরাও।

সংগঠনটির মতে, দেশে মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টের উন্নয়ন চারিপ্রান্তিই এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে। তারা বলেছে, বেসরকারি বিনিয়োগের উত্সাহিত করতে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফ ০.৫০ নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এর ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা বাড়বে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহারে গতিশীলতা আনবে।

গণ-শুনানিতে বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সৌরবিদ্যুৎ ভিত্তিক বেসরকারি মার্চেন্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ বিক্রির ট্যারিফ হিসেবে ইউনিট প্রতি ৬ টাকা ৪৮ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। কমিটি জানায়, সৌরভিত্তিক বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা যাবে।

এছাড়া, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিট স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৩২৬ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার সাথে নিয়ন্ত্রক কার্যকরী মূলধন বাবদ ৪৪ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার টাকা যোগ করে মোট মূল্যভিত্তি ৩৭০ কোটি ৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ধরা হয়েছে।

প্রস্তাবিত মুনাফার হার ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ নির্ধারণ করে বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফা হিসেবে ৩৩ কোটি ২২ লাখ টাকা পাওয়ার পর জনবল, মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশাসনিক ও সাধারণ ব্যয়ের জন্য ১১ কোটি ২১ লাখ এবং অবচয়ের জন্য ১৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এমনকি মোট রাজস্ব প্রয়োজন হিসেবে ৫৯ কোটি ৫৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং অন্যান্য আয় হিসাবে ৯৮ লাখ টাকা বাদ দিয়ে নিট রাজস্ব প্রয়োজন হিসেবে ৫৯ কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ট্যারিফ হিসাব অনুযায়ী, কমিটির হিসাবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিট উৎপাদন হবে ৯ কোটি ১৮ লাখ ৪০ হাজার ইউনিট। এই উৎপাদন এবং নিট রাজস্ব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিদ্যুতের উৎপাদন ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ৬ টাকা ৪৮ পয়সা হিসাবে নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।

অধিকন্তু, সৌরবিদ্যুৎ গ্রাহকদের দিন এবং রাত হওয়া সাপেক্ষে সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম স্থাপনের প্রস্তাব করেছে। তারা মনে করছেন, ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকলে দিনে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব হবে। ফলে সৌরবিদ্যুতের সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে।

সুতরাং, বিএসআরইএ বলেছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এমপিপি থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করলেও, ডিআইএসকমের ত্রুটির কারণে গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব না হলে ‘ডিমড জেনারেশন’-এর ক্ষতিপূরণের সুরক্ষা দিতেও ব্যবস্থা রাখতে হবে। তারা দাবি করেছে, এমপিপি বন্ধ করার আগে অবশ্যই কমপক্ষে ২০ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ নিশ্চিত করতে হবে এবং ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফের পোস্ট-পেমেন্ট ভিত্তিতে আদায়ের প্রস্তাবও এসেছে।

সংগঠনটি উৎপাদিত অব্যবহৃত বা উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ সরকারি খাতের ইউটিলিটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহারের সুযোগ দিতে এবং এ বিদ্যুতের মূল্য বিইআরসি নির্ধারিত গড় হারে পরিশোধের ব্যবস্থা করার দাবি করেছে।

এছাড়া স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে বিনিয়োগের আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রকল্পের ডেভেলপার এবং বিনিয়োগকারীর মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সার্ভিস লিগ্যাল অ্যাগ্রিমেন্ট করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় যে ক্ষতি হয়, তা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও সরকারের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব এসেছে সংগঠনের তরফ থেকে।

বিএসআরইএ গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্যও দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, অন্যান্য গৌণ উৎসের আগে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ গ্রিডে ফিড করার সুযোগ দিতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ খাতে কর ও শুল্ক সুবিধায় সমতা আনার করণীয়ও স্পষ্ট করেছে।

নিষ্কর্ষ ওই প্রস্তাবে এসআরও ১৮১-এর ভাষা সংশোধন করে মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী (আইপিপি) এবং করপোরেট বা শিল্প খাতের সৌরবিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম এবং গ্রিড-সংযুক্ত অবকাঠামো আমদানিতে অভিন্ন শুল্ক ও কর অব্যাহতি দেওয়ার দাবি করা হয়েছে।

সর্বশেষ, বিএসআরইএর মতে, নতুন ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফ ব্যবস্থা বিদ্যুৎ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে, তবে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তাই বিনিয়োগবান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদি নীতির কাঠামো তৈরি করা গেলে মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার পাশাপাশি ২০৩০ ও ২০৪১ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতি কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ সংসদীয় কমিটির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


দুর্নীতি কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ সংসদীয় কমিটির

ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ : দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরাসরি যোগাযোগনির্ভর কার্যক্রমকে কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

এ সময় দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত বা শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করে এমন প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থার পরিবর্তন বা বিলোপের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এই বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান এমপি।

বৈঠকে জানানো হয়, সরকারি সেবা ও কার্যক্রমে সরাসরি যোগাযোগ কমানোর ফলে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হলে দুর্নীতির সুযোগ কমে যাবে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের ব্যয় এবং হয়রানি কমবে, ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায়কৃত অর্থও বৃদ্ধি পাবে।

বৈঠকে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। যদি এ ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা যায়, তবে সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা ও কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও অভিমত প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া সরকারের ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা, কর-জিডিপি অনুপাতের ব্যবধান কমাতে গৃহীত পদক্ষেপ এবং এনবিআরের সাংগঠনিক কাঠামো নিরূপণ ও করণীয় বিষয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে কমিটির সদস্যরা আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

বৈঠকের শুরুতে কমিটির প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মো. জালাল উদ্দিন এমপি, মঈনুল ইসলাম খান এমপি, মো. শাহাদাত হোসেন এমপি, মো. সাইফুল আলম এমপি, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি এবং মো. আবুল হাসনাত এমপি।

বৈঠকে এনবিআরের করনীতির প্রথম সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য উন্নয়ন কার্যক্রম জনবান্ধব করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি প্রতিনিধি

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


পার্বত্য উন্নয়ন কার্যক্রম জনবান্ধব করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একত্রে কাজ করার আহ্বান করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

তিনি রোববার (২৩ আগস্ট) রাঙামটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কর্ণফুলী সম্মেলন কক্ষে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দীন বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং জনবান্ধব করার প্রয়োজন রয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে বলেন।

এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, এনডিসি, পিএসসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ (যুগ্মসচিব)। এ ছাড়াও বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বোর্ডের চলমান এবং বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, কর্মপরিবেশ এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভা শেষে মাইনী মিলনায়তনে বোর্ডের বিভিন্ন স্কিমের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী এবং নারীদের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।

এ সময় জানানো হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে তিনটি পার্বত্য জেলায় দুই শতাধিক তরুণ-তরুণীকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতেও এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%