প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একত্রে কাজ করার আহ্বান করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।
তিনি রোববার (২৩ আগস্ট) রাঙামটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কর্ণফুলী সম্মেলন কক্ষে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দীন বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং জনবান্ধব করার প্রয়োজন রয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে বলেন।
এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, এনডিসি, পিএসসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ (যুগ্মসচিব)। এ ছাড়াও বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় বোর্ডের চলমান এবং বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, কর্মপরিবেশ এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে মাইনী মিলনায়তনে বোর্ডের বিভিন্ন স্কিমের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী এবং নারীদের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
এ সময় জানানো হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে তিনটি পার্বত্য জেলায় দুই শতাধিক তরুণ-তরুণীকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতেও এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন