ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধুপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা


মধুপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

‘আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সংরক্ষণে এগিয়ে আসুন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার (৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভূটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিভিন্ন আদিবাসী উন্নয়ন ও সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সকালে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে শেষ হয়।
পরে ভূটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জয়নেশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা জজ আদালতের সাবেক বিচারক জগদীশ চন্দ্র বর্মন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি মৃগেন হাগিদক, কারিতাস ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পরিচালক রোজি রুংমা, বিশিষ্ট আদিবাসী গবেষক ও লেখক থিওফিল নকরেক, মধুপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এ এম রতন হায়দার, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক এবং সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মেহেদি হাসান মিনজু।
আলোচনা সভায় বক্তারা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ঐতিহ্যগত জ্ঞান সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে আদিবাসীদের অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা বলেন, একটি দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তার সামগ্রিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য রক্ষায় রাষ্ট্র, সামাজিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
আলোচনা সভা শেষে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, আদিবাসী নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শশীভুষনে নাম পরিচয়হীন মধ্য বয়সী নারীর অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এইচ এম নোমান চরফ্যাশন

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


শশীভুষনে নাম পরিচয়হীন মধ্য বয়সী নারীর অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার

ভোলা চরফ্যাশন উপজেলার শশীভুষন থানার জাহানপুর ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড, মেঘনা নদী থেকে অর্ধগলিত নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে শশীভুষন থানা পুলিশ।

শশীভুষন থানার এসআই জাকির হোসনে জানান।গতকাল ৮ আগষ্ট শনিবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময়, জাহানপুর ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড, চর হাসিনা আবাসনের দক্ষিণ পাশে মেঘনা নদীর মোহনায় ঢোসের খাল এলাকায় অর্ধগলিত নারীর মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন,পরে জাহানপুর ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ আঃ রব রতন ঘটনাটি মোবাইল ফোনে থানায় অবগত করলে। আমি শশীভুষন থানার অফিসার ইনচার্জ মহোদয়কে অবগত করে চর কুকরি মুকরি নৌ পুলিশ সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে নাম পরিচয় হীন আনুমানিক বয়স (৩৫) এক নারীর অর্ধগলিত বস্রহীন পচা লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।তবে স্থানীয় লোকজন কে জিজ্ঞাসা করলেও এই নারীর বিষয়ে কেউ কোন তথ্য দিতে পারেনি।

এবিষয়ে শশীভুষন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ আহমেদ ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন,লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলায় মর্গে পাঠানো হয়েছে,তবে এখন পর্যন্ত মৃত নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।আপাতত থানায় অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে এবং নাম পরিচয় সহ মূল ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত জটিলতা কাটিয়ে শূন্যরেখায় নতুন সড়ক, শেষ হবে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


সীমান্ত জটিলতা কাটিয়ে শূন্যরেখায় নতুন সড়ক, শেষ হবে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ

স্বাধীনতার অর্ধশতাধিক বছর পর, দীর্ঘদিনের সীমান্ত জটিলতা কাটিয়ে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী এলাকায় শূন্যরেখায় দৃশ্যমান হচ্ছে নতুন সড়ক ব্যবস্থা। সোমেশ্বরী নদী শাসনের মাধ্যমে নদীর পাড় বাঁধাই করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গ্রামবাসীদের চলাচলের জন্য সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ব্রিজসহ সড়কটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে অবহেলিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সীমান্তরক্ষী বিজিবির দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগের অবসান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবারও উন্নতি হবে এই সীমান্তবর্তী জনপদে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা কয়েকটি ঝরনাছড়া নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী ভবানীপুর গ্রামের ভেতর দিয়ে সোমেশ্বরী নদীতে গিয়ে মিশেছে। পাহাড়ি ঢলের কারণে দিন দিন ছোট হয়ে আসছে গ্রামটি। এর সঙ্গে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙনও তীব্র হয়েছে। একপর্যায়ে ভাঙন শূন্যরেখা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও গ্রামটির মানুষের চলাচলের জন্য নিজস্ব সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে গ্রামবাসী ও বিজিবি সদস্যদের অনেক সময় ভারতের পাশ দিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। এতে বিজিবি ক্যাম্পসহ গ্রামের কয়েক হাজার পরিবারের মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

শূন্যরেখা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগও বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বিএসএফের বাধার মুখে পড়েছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিনের এই জটিলতার কারণে ভবানীপুরে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সংখ্যাও আগের তুলনায় কমে গেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

অবশেষে এই ভোগান্তির অবসান ঘটাতে বিজিবির মধ্যস্থতায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নদীর ভেতরে জায়গা তৈরি করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। বালু উত্তোলনে বাধার কারণে কাজটি প্রায় এক বছর পিছিয়ে গেলেও বর্তমানে তা শেষের পথে। ইতোমধ্যে সড়ক বিভাগ ও এলজিইডির পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রথম প্যাকেজে ১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় প্যাকেজে ৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫৫ মিটার ভরাটসহ ৩৬০ মিটার নদীর পাড় বাঁধাই করা হচ্ছে।

৩১ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল তৌহিদুল বারী পিএসসি জানান, সীমান্ত থেকে ৫০ মিটার দূর দিয়ে ১ হাজার ৪৪০ মিটার সড়ক নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে বিজিবি। ২০২৩ সালে বিএসএফ ও বিজিবির বৈঠকের মাধ্যমে এ বিষয়ে অনুমোদন নেওয়া হয়। সড়কটির নির্মাণকাজ শেষের পথে। এটি চালু হলে দীর্ঘদিনের চলাচল থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসী সুফল পাবেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভবানীপুরের বিলীন হয়ে যাওয়া রাস্তার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে বিজিবির সহায়তায় কাজ প্রায় শেষের দিকে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি জটিলতায় আটকে ছিল। আমরা নদীর ভেতরে সড়ক সৃজন করে গ্রামের জন্য ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। এই সড়ক দিয়েই মানুষ এখন চলাচল করতে পারবে। এছাড়াও এলজিইডির সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ করে দেবে।’

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা শুধু আশ্বাস শুনে আসছেন। এবার তারা দ্রুত ব্রিজ ও সড়ক নির্মাণ শেষ করে বাস্তবে যাতায়াতের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগেশ্বরীতে এফআইআরভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ, এসআইয়ের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


নাগেশ্বরীতে এফআইআরভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ, এসআইয়ের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণের দাবি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এফআইআরভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানার চত্বর থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে আসামি গ্রেপ্তারের কথা বলে বাদীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেছেন মামলার বাদী।

অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই নাগেশ্বরী উপজেলার চর বেরুবাড়ী গ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে আহমাদুল হক ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আহমাদুল হক ও তার চাচাতো ভাই মো. মোজাহিদ হক আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় আহমাদুল হক গত ৪ আগস্ট কুড়িগ্রামের আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদালত নাগেশ্বরী থানাকে নির্দেশ দেন। পরে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ। মামলাটির নম্বর ১৫, জিআর নং-২০৯/২৬ (নাগেশ্বরী)। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাদী আহমাদুল হকের অভিযোগ, মামলা রেকর্ডের পর প্রধান আসামি আল আমিন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তারের কথা বলে নাগেশ্বরী থানার এসআই মোফাখখারুল তার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেন। পরে পুলিশ আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে এলেও তাকে আদালতে পাঠানো হয়নি। বরং অজ্ঞাত কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

বাদী আরও অভিযোগ করেন, আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি আল আমিন থানা থেকে বাড়ি ফেরার পর তাদের মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন আহমাদুল।

আহমাদুল হক বলেন,আসামিকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতে চালান না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। পাশাপাশি আমাকে ও আমার পরিবারকে হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গ্রেপ্তারের পর থানার চত্বর থেকে কোনো আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগটি এলাকায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে এসআই মোফাখখারুলের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাদীর দাবি, টাকা দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে প্রমাণও রয়েছে।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. আতিকুর রহমান বলেন,আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। ওসি স্যারের বিদায় অনুষ্ঠান চলছে।

এফআইআরভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার পুলিশের আইনগত এখতিয়ার আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,আপনি থানায় আসেন, সরাসরি কথা বলি। মোবাইলে কোনো কথা বলতে পারব না।

অভিযোগের বিষয়ে নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. গোলাম মোর্শেদের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অভিযোগের সত্যতা, আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার কারণ এবং এসআইয়ের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ এসব বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক মায়ের অনুরোধ পূরণ করলেন ভারতের হাইকমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


এক মায়ের অনুরোধ পূরণ করলেন ভারতের হাইকমিশনার

একজন মায়ের আন্তরিক অনুরোধ কিভাবে বড় এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম, তার এক উদাহরণ দেখা গেল ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (আইভিএসি)। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে একটি নিরাপদ এবং আধুনিক শিশু বিনোদন কেন্দ্র (চিলড্রেনস কর্নার) চালু করা হয়েছে, যা এক মায়ের বিশেষ অনুরোধের ফলস্বরূপ।

রবিবার (৯ আগস্ট) সেই মা এবং তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে এই আনন্দদায়ক কর্নারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সম্প্রতি তিনি ভিসাকেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। সেখানে আসা এক মা হাইকমিশনারের কাছে আবেদন করেন, ভিসা আবেদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া চলাকালীন শিশুদের সময় কাটানোর জন্য যেন একটি নিরাপদ খেলার জায়গা তৈরি করা হয়। সাধারণ একজন নাগরিকের এই অনুরোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্লে-এরিয়াটি প্রস্তুত করা হয়।

উদ্বোধনকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘ভিসা প্রত্যাশীরা লাইনে অপেক্ষা করার সময় শিশুদের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে এক মা পরামর্শ দিয়েছিলেন, এরপর থেকেই এই ধারণাটি মাথায় আসে।’ তিনি আরো জানান, ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা বন্ধ থাকার পর পুনরায় খোলার ঘোষণার সময়, একজন মহিলা তার কাছে এসে এক পরামর্শ দেন—প্রাপ্তবয়স্করা লাইনে অপেক্ষা করার সময় শিশুদের জন্য একটি খেলার জায়গার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। এই পরামর্শটি তার ভালো লেগেছিল এবং তিনি এ অনুযায়ী কাজ করেছেন।

হাই কমিশনার ত্রিবেদী আরো উল্লেখ করেন, নারী, শিশু এবং চিকিৎসা ভিসার আবেদনকারীদের চাহিদা পূরণের ওপর মনোযোগ দিয়ে আরো সুযোগ-সুবিধা তৈরির কাজ করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এর উদ্দেশ্য হলো ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াটি মসৃণ এবং ঝামেলামুক্ত করা। এই উদ্যোগটি ছোট মনে হলেও এটি ভারতের ‘জনমুখী কূটনীতি’ এবং তাৎক্ষণিক সেবা প্রদানের একটি বড় প্রতিফলন। ভারতীয় এই হাইকমিশনার যোগ করেন, এটি প্রমাণ করে যে, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো দুই দেশের সাধারণ মানুষ এবং তাদের পারস্পরিক বন্ধন।

চলতি বছরের জুলাই মাসে দুই বছরের বিরতির পর বাংলাদেশে ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুনরায় চালু করা হয়। ভারত তার ভিসা কার্যক্রম আরো বাড়ানোর ঘোষণার পরে, ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া সহজ করতে এই সর্বশেষ সংযোজনটি করা হলো। ভিসা কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের ঘোষণাটি বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

এর আগে জুলাই মাসে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছিল, বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া বিপুল সাড়া তাদের উৎসাহিত করেছে। এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ‘ভারতীয় হাইকমিশন জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বকে আরো গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%