নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
০৪:১৭ পি.এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এফআইআরভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানার চত্বর থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে আসামি গ্রেপ্তারের কথা বলে বাদীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেছেন মামলার বাদী।
অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই নাগেশ্বরী উপজেলার চর বেরুবাড়ী গ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে আহমাদুল হক ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আহমাদুল হক ও তার চাচাতো ভাই মো. মোজাহিদ হক আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় আহমাদুল হক গত ৪ আগস্ট কুড়িগ্রামের আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদালত নাগেশ্বরী থানাকে নির্দেশ দেন। পরে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ। মামলাটির নম্বর ১৫, জিআর নং-২০৯/২৬ (নাগেশ্বরী)। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাদী আহমাদুল হকের অভিযোগ, মামলা রেকর্ডের পর প্রধান আসামি আল আমিন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তারের কথা বলে নাগেশ্বরী থানার এসআই মোফাখখারুল তার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেন। পরে পুলিশ আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে এলেও তাকে আদালতে পাঠানো হয়নি। বরং অজ্ঞাত কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বাদী আরও অভিযোগ করেন, আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি আল আমিন থানা থেকে বাড়ি ফেরার পর তাদের মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন আহমাদুল।
আহমাদুল হক বলেন,আসামিকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতে চালান না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। পাশাপাশি আমাকে ও আমার পরিবারকে হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গ্রেপ্তারের পর থানার চত্বর থেকে কোনো আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগটি এলাকায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে এসআই মোফাখখারুলের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাদীর দাবি, টাকা দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে প্রমাণও রয়েছে।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. আতিকুর রহমান বলেন,আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। ওসি স্যারের বিদায় অনুষ্ঠান চলছে।
এফআইআরভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার পুলিশের আইনগত এখতিয়ার আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,আপনি থানায় আসেন, সরাসরি কথা বলি। মোবাইলে কোনো কথা বলতে পারব না।
অভিযোগের বিষয়ে নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. গোলাম মোর্শেদের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিযোগের সত্যতা, আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার কারণ এবং এসআইয়ের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ এসব বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একজন মায়ের আন্তরিক অনুরোধ কিভাবে বড় এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম, তার এক উদাহরণ দেখা গেল ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (আইভিএসি)। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে একটি নিরাপদ এবং আধুনিক শিশু বিনোদন কেন্দ্র (চিলড্রেনস কর্নার) চালু করা হয়েছে, যা এক মায়ের বিশেষ অনুরোধের ফলস্বরূপ।
রবিবার (৯ আগস্ট) সেই মা এবং তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে এই আনন্দদায়ক কর্নারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সম্প্রতি তিনি ভিসাকেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। সেখানে আসা এক মা হাইকমিশনারের কাছে আবেদন করেন, ভিসা আবেদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া চলাকালীন শিশুদের সময় কাটানোর জন্য যেন একটি নিরাপদ খেলার জায়গা তৈরি করা হয়। সাধারণ একজন নাগরিকের এই অনুরোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্লে-এরিয়াটি প্রস্তুত করা হয়।
উদ্বোধনকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘ভিসা প্রত্যাশীরা লাইনে অপেক্ষা করার সময় শিশুদের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে এক মা পরামর্শ দিয়েছিলেন, এরপর থেকেই এই ধারণাটি মাথায় আসে।’ তিনি আরো জানান, ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা বন্ধ থাকার পর পুনরায় খোলার ঘোষণার সময়, একজন মহিলা তার কাছে এসে এক পরামর্শ দেন—প্রাপ্তবয়স্করা লাইনে অপেক্ষা করার সময় শিশুদের জন্য একটি খেলার জায়গার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। এই পরামর্শটি তার ভালো লেগেছিল এবং তিনি এ অনুযায়ী কাজ করেছেন।
হাই কমিশনার ত্রিবেদী আরো উল্লেখ করেন, নারী, শিশু এবং চিকিৎসা ভিসার আবেদনকারীদের চাহিদা পূরণের ওপর মনোযোগ দিয়ে আরো সুযোগ-সুবিধা তৈরির কাজ করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এর উদ্দেশ্য হলো ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াটি মসৃণ এবং ঝামেলামুক্ত করা। এই উদ্যোগটি ছোট মনে হলেও এটি ভারতের ‘জনমুখী কূটনীতি’ এবং তাৎক্ষণিক সেবা প্রদানের একটি বড় প্রতিফলন। ভারতীয় এই হাইকমিশনার যোগ করেন, এটি প্রমাণ করে যে, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো দুই দেশের সাধারণ মানুষ এবং তাদের পারস্পরিক বন্ধন।
চলতি বছরের জুলাই মাসে দুই বছরের বিরতির পর বাংলাদেশে ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুনরায় চালু করা হয়। ভারত তার ভিসা কার্যক্রম আরো বাড়ানোর ঘোষণার পরে, ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া সহজ করতে এই সর্বশেষ সংযোজনটি করা হলো। ভিসা কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের ঘোষণাটি বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।
এর আগে জুলাই মাসে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছিল, বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া বিপুল সাড়া তাদের উৎসাহিত করেছে। এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ‘ভারতীয় হাইকমিশন জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বকে আরো গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ‘কারিকুলাম ম্যানেজমেন্ট ফর বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) কর্তৃক স্বীকৃতি অর্জনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, গণিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জ্ঞানের যতগুলো শাখা রয়েছে, সবগুলোর মূল ভিত্তি হচ্ছে গণিত। উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে অ্যাক্রেডিটেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে কারিকুলাম প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন ও নিয়মিত পরিমার্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শিখনফল অর্জন নিশ্চিত করার পাশাপাশি কোর্স আউটলাইন, কোর্স ফাইল, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও সংরক্ষণ করতে হবে।
আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান।
প্রশিক্ষণে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অ্যাক্রেডিটেশনের গুরুত্ব, বিএসি অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য কারিকুলামের প্রয়োজনীয়তা, কোর্স লার্নিং আউটকাম (সিএলও) ও প্রোগ্রাম লার্নিং আউটকাম (পিএলও) সংশোধন, সিএলও অর্জন নিশ্চিতকরণে মূল্যায়ন কৌশল, কোর্স আউটলাইন প্রণয়ন, কোর্স ফাইল প্রস্তুত ও সংরক্ষণ এবং অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও সহায়তা বিষয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষণের বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন, আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির, অতিরিক্ত পরিচালক ড. শাহ আদিল ইশতিয়াক আহমদ এবং অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. খাইরুল ইসলাম। দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে কোর্স আউটলাইন প্রস্তুতের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং প্রশ্নোত্তর ও সমাপনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুছা মিয়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকগণ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা সফরের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পৌঁছেছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে বাঁশখালী থেকে ফটিকছড়ির পেলাগাজী দিঘির মাঠে তিনি পৌঁছান।
হেলিকপ্টার অবতরণের পর মাঠে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে আদরণীয়ভাবে স্বাগত জানান। তাকে দেখে উপস্থিত জনতার মধ্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায়। প্রধানমন্ত্রীও তাঁদের শুভেচ্ছার জবাবে হাত নেড়ে প্রতিক্রিয়া জানান।
পরে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসার দিকে রওনা হন।
সফরসূচি অনুযায়ী, সেখানে তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়াও সেখানে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ওকানাগান লেকের আশপাশে একটি ভয়াবহ দাবানল দ্রুতভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। দাবানলের কারণে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিটিভি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দাবানলের ফলে প্রায় ১২ হাজার মানুষের বসবাসের শহর সামারল্যান্ডের পুরো এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, পিচল্যান্ড ও এর আশপাশের এলাকায় আরও প্রায় ৮ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রথম দাবানলের খবর পাওয়া যায় শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আগুন প্রায় ৫০ বর্গকিলোমিটার অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ছোট্ট ফাউল্ডার সম্প্রদায়ও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাড়িঘর পুড়ে গেছে। আতঙ্কিত বাসিন্দারা দ্রুত এলাকা ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এ সময় পেন্টিকটনের দিকে গমনকারী সড়কে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।
জরুরি তথ্য কর্মকর্তা এরিক থম্পসন দাবানলটিকে এ অঞ্চলে দেখা সবচেয়ে ‘দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া ও দ্রুত বেড়ে ওঠা’ দাবানলগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে তিনি নিজেও জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (ইসিও) থেকে নিজের পরিবারকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন। বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিতে থাকা প্রতিবেশীদের সাহায্য করার জন্য থম্পসন আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ কলম্বিয়ার প্রিমিয়ার ডেভিড ইবি তার একটি বিবৃতিতে বলেছেন, দাবানলের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ঘরবাড়ি এবং সম্পদের। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের ফলে কিছু মানুষ আটকা পড়ে যান। সূত্র: আনাদোলু, এপি নিউজ, আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ