ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: আইসিটি মন্ত্রী


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: আইসিটি মন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তি নয়; এটি ভবিষ্যতের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। সরকার এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এবং গবেষণা-উদ্ভাবনের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে কাজ করছে।

আজ শনিবার (১১ জুলাই) সাভারের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ল্যাব’ এবং ‘এআই প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক এআই গবেষণা ল্যাবটি গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবে। এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে সহযোগিতা করবে, গবেষণা পরিচালনা, উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপ তৈরি এবং শিল্প-উপযোগী সমাধান উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

আরও পড়ুন: ১৬ ডিসেম্বর নতুন সচিবালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমানে শিক্ষাসহ স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, প্রশাসন এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে এআই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে আসছে। তাই নতুন বাংলাদেশ গড়তে, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা অপরিহার্য।

মন্ত্রী জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি নির্মাণ করছে এবং ভবিষ্যতে উপযোগী দক্ষ জনসংখ্যা গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এআই গবেষণা ল্যাব দেশের শিক্ষা, শিল্প এবং সরকারের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করবে এবং একটি শক্তিশালী উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়া, মন্ত্রী জানান, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বাস করেন আজকের তরুণ প্রজন্মই আগামীকাল বাংলাদেশের মূল শক্তি হবে। এআই এখন আর কেবল একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এটি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু। আমাদের লক্ষ্য হবে আইসিটি খাতে আগামী ৫ বছরে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।'

আরও পড়ুন: একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমের জেরে ব্যবসায়ী হত্যা

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ১৪৫টি এআই প্রকল্পের মধ্যে থেকে সম্ভাবনাময় ও সেরা প্রকল্পগুলোকে সরকার এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ ফান্ড ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে। তাছাড়া, সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানের জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, উদ্বোধিত ল্যাবে ফ্রন্ট ল্যাব হিসেবে ২৫টি এনভিডিয়া ডিজে স্পার্ক (NVIDIA DJ Spark) পিসি এবং ৫টি বিশেষায়িত আরটিএক্স ৩০৬০ ও ৪০৯০ (RTX 3060 / 4090) জিপিইউ সমৃদ্ধ শক্তিশালী কম্পিউটার রয়েছে। বাস্তব জীবনের জটিল সমস্যা সমাধান, এআই এজেন্ট ডেভেলপমেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক প্রোডাক্ট সলিউশন তৈরির জন্য ল্যাবটিতে ৫ জন পূর্ণকালীন দক্ষ গবেষক নিযুক্ত রয়েছেন। ল্যাবটির গবেষক দল ইতোমধ্যে ‘এআই প্রফেসর’, ‘এআই প্রক্টর’ এবং ‘এআই রেজিস্ট্রার’-এর মতো যুগান্তকারী সলিউশন তৈরি করেছে এবং বর্তমানে তাদের ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে।

মন্ত্রী পরে এআই প্রকল্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ১৪৫টি প্রকল্পের মধ্যে ৬ ক্যাটাগরিতে ১২টি বিজয়ী দলকে পুরস্কার বিতরণ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আর. কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সামস ইকবাল এবং কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সারওয়ার হোসেন মোল্লাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবাইকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানালেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


সবাইকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানালেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘গাছ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জন্মের পর প্রত্যেক মানুষের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো উচিত।’

আজ শনিবার (১১ জুলাই) বাগেরহাট জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। সড়কের পাশে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বাড়ির আঙিনায় বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছ লাগিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। পুরো দেশকে যেন ডাস্টবিনে পরিণত না করি। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।’

স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবার ও বিদ্যালয় থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণের শিক্ষা শুরু হওয়া উচিত। গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ছোটবেলা থেকেই।’

এর আগে প্রতিমন্ত্রী একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। শহর প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি জেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়ে যায়। পরে তিনি অতিথিদের সঙ্গে বৃক্ষমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার হাছান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এ টি এম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্যসচিব মোজাফফর রহমান আলম, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. শাহীন কবির জানান, ১১ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির চারা প্রদর্শন ও বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আধুনিক মালচিং প্রযুক্তিতে নতুন রূপ পাচ্ছে বাবুগঞ্জের কৃষি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


আধুনিক মালচিং প্রযুক্তিতে নতুন রূপ পাচ্ছে বাবুগঞ্জের কৃষি

মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ আজকাল বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পরিবেশবান্ধব এই পদ্ধতির কারণে কৃষকরা এখন কম খরচে এবং কম সময়ে বেশি ফলন লাভ করছেন, যা তাদেরকে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির দিকে ঝুঁকতে উত্সাহিত করছে।

কৃষকেরা বলছেন, এই পদ্ধতির মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমে যাচ্ছে এবং নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে।

মালচিং পদ্ধতি কি? মালচিং হলো আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর একটি কৃষি পদ্ধতি, যেখানে জমির উপরে বিশেষ ধরনের প্লাস্টিক শিট বা জৈব উপাদান দিয়ে ঢাকা হয় এবং নির্দিষ্ট দূরত্বে ছিদ্র করে চারা বা বীজ রোপণ করা হয়। এই পদ্ধতি দীর্ঘ সময় ধরে মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখে, আগাছার জন্ম কমায়, সেচ ও সার ব্যবহার কমায় এবং রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণও কমিয়ে আনে। ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং কৃষকরা বেশি ফলন পান।

এছাড়াও, রাকিবুল ইসলাম নামের একজন কৃষক পড়াশোনার পাশাপাশি মালচিং পদ্ধতিতে সমন্বিত কৃষি প্রকল্প গড়ে তুলেছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের লাকুটিয়া এলাকার এই তরুণ কৃষক মালচিং পদ্ধতি অবলম্বন করে স্বল্প সময়ে সফলতা অর্জন করেছেন। ৪০ শতক জমিতে মালচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে তিনি চিচিঙ্গা, বরবটি, টমেটো সহ নানা সবজির চাষ করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যে টমেটোর চারা উৎপাদন করে তিনি সাফল্য পেয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে চিচিঙ্গা ও বরবটি বিক্রি করে লক্ষাধিক টাকা আয় করেছেন। উৎপাদন খরচ কম থাকায় লাভের পরিমাণ বেড়েছে। আগামী মৌসুমে আরও বড় পরিসরে মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রাকিবুল বলেছেন, ‘মালচিং পদ্ধতিতে আগাছা খুব কম জন্মায়, ফলে আগাছা পরিষ্কারে শ্রম ও ব্যয় উভয়ই কমে। তাছাড়া সারের ব্যবহার ও সেচের পানি তুলনামূলক কম লাগে। প্লাস্টিক মালচের কারণে গাছের গোড়ার মাটির আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে।’

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে উপজেলায় প্রায় তিন হেক্টর জমিতে আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ হচ্ছে। এসব জমিতে অধিকাংশ শসা, পেঁপে, করলা, পটল, চিচিঙ্গা ও বরবটির আবাদ করা হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে উৎপাদন ব্যয় কমে যাচ্ছে এবং ফলন বাড়ছে। ফলে কৃষকদের মধ্যে মালচিং পদ্ধতির জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, মালচিং কৃষিতে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব এবং লাভজনক পদ্ধতি। এর মাধ্যমে পানির অপচয় কমে, আগাছা দমন সহজ হয়, রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে। একই সঙ্গে সেচ, সার এবং কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়, ফলে উৎপাদন ব্যয়টাও কম হয়। এই কারণে কৃষকরা কম খরচে বেশি ফলন ও লাভের সুযোগ পান।

তিনি আরো বলেন, বাবুগঞ্জে দিন দিন মালচিং প্রযুক্তির প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি বিভাগ নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক এ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লে উপজেলার সবজি উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকদের আয়-রোজগানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী স্পেন কোচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


ফ্রান্সের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী স্পেন কোচ

স্পেন ১৬ বছর পর সেমি-ফাইনালে ওঠার পর, তারা এখন ফ্রান্সের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। এটি একটি বিস্ময়কর শুরু হয়েছিল, তবে উন্নতির পথ ধরে তারা এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। লুইস দে লা ফুয়েন্তে, স্পেনের কোচ, ফরাসিদের নিয়ে খুব বেশি ভাবছেন না। তিনি অতীত সাফল্যের ভিত্তিতে জানাচ্ছেন যে, তারা দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হারানোর জন্য আত্মবিশ্বাসী।

স্পেন তাদের কোয়ার্টার-ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে প্রবেশ করেছে। অপরদিকে ফ্রান্স শক্তিশালী মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। দুই দল এই টুর্নামেন্টের ফেভারিটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। তবে তাদের শুরুটা ভিন্ন ছিল। ফ্রান্স দাপুটে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে গ্রুপ সেরা হয়ে ওঠে, যেখানে স্পেন প্রথম ম্যাচে কেইপ ভার্ডের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে।

স্পেন এবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নামছে, যা ২০১০ সালের পরে তাদের প্রথমবার। ম্যাচটির প্রতিপক্ষ ফ্রান্স হলেও দে লা ফুয়েন্তে নিজের দলের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন না। তিনি মন্তব্য করেন, ‘ফ্রান্স অবিশ্বাস্য সম্ভাবনা দেখিয়েছে, আমরা এটাও দেখিয়েছি। ম্যাচটি উন্মুক্ত, যা কেউ জিততে পারে। জয়ের জন্য সতেজ ও উদ্যমী খেলোয়াড়ের প্রয়োজন। আমরা এখানে এসে আমাদের সেরাটা উজাড় করে দেব।’

আগামী ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় ১টায় (এএম) ডালাসে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম সেমি-ফাইনাল। এটি দুই দলের মধ্যে তিন বছরের মধ্যে তৃতীয় ম্যাচ। ২০২৪ সালে ইউরোর সেমি-ফাইনালে ও পরের বছর নেশন্স লিগের সেমি-ফাইনালে স্পেন জয়লাভ করেছে।

যদিও ম্যাচ জেতার আত্মবিশ্বাস রয়েছে, অতীতের সাফল্য দে লা ফুয়েন্তের আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আরও জানান, ‘পরের ম্যাচটির জন্য প্রত্যাশা অনেক বেশি। আমরা এই ম্যাচটিতেই পুরো মনোনিবেশ করছি এবং ফ্রান্সের শক্তি সম্পর্কেও ভালোভাবে অবহিত। তবে আমাদের বিশ্বাস আছে যে আমরা ফ্রান্সকে হারাতে পারি।’

এদিকে তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের সেই মান আছে এবং এটি একটি সেমি-ফাইনাল। ফ্রান্সের বিপক্ষে আগেও খেলেছি, যেখানে সাফল্য পেয়েছি। এবারের ম্যাচটি কঠিন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, যেখানে জিততে হলে নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তা বাড়াতে পরিবর্তনের পথে হোয়াইট হাউস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


নিরাপত্তা বাড়াতে পরিবর্তনের পথে হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউস আরো নিরাপদ ও আরো সাদা হতে চলেছে।

ওয়াশিংটনের ১৬০০ পেনসিলভানিয়া এভিনিউতে অবস্থিত হোয়াইট হাউসটি শুধুমাত্র একটি ভবন বা স্থাপনা নয়। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং এই জায়গাটি বর্তমানে বিশ্বক্ষমতার কেন্দ্র।

হোয়াইট হাউসের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৭৯২ সালে এবং এটি ১৮০০ সালের ১ নভেম্বর শেষ হয়। জন অ্যাডামসের পর থেকে সকল মার্কিন প্রেসিডেন্টরাই এই স্থাপত্য ও আভিজাত্যে অনন্য ভবনে থাকছেন। প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক কার্যালয় ওভাল অফিসও এই ভবনের অংশ।

নির্মাণের পর অন্তত দুইবার হোয়াইট হাউস অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে এখানে সংস্কারের কাজ হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর হোয়াইট হাউসে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন। ট্রাম্পের পরামর্শে হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইংটি ভেঙে পুরোপুরি আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। বিভিন্ন সমালোচনা ও আইনি বাধা সত্ত্বেও সংস্কারের কাজ চলতে থাকছে।

হোয়াইট হাউসে প্রায় ৯০ হাজার বর্গফুটের নতুন গ্লাস-দেয়ালের বলরুম তৈরির কাজ চলছে, যেখানে একসঙ্গে ১ হাজার অতিথি ধারণ করা সম্ভব। ২০২৫ সালে এই বিশাল সংস্কারকাজ শুরু হয়েছিল এবং এটি ২০২৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে শেষ হতে পারে। এছাড়াও, ট্রাম্পের পরামর্শে সোনালি সাইনেজ লাগানো এবং রোজ গার্ডেন পাকা করার কাজও করা হয়েছে।

তবে চলমান সংস্কারকাজটি মূলত নিরাপত্তাকেন্দ্রিক। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের পরামর্শে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবনকে আরো নিরাপদ করে তুলতে গত সপ্তাহে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে এ কাজ শেষ হবে। সঙ্গে সাধারণ কিছু সংস্কার ও রঙের কাজও হচ্ছে, যা ১০ দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবর্তনের পক্ষে সুপারিশ করে আসছিল। এবারের সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো হোয়াইট হাউসের উত্তর পোর্টিকোতে অবস্থিত প্রবেশপথটিকে আরো সুরক্ষিত ও শক্তিশালী করা। মেরামত কাজের সুবিধার জন্য প্রবেশপথটির বাইরের দিকের স্তম্ভগুলোকে মাচা ও ত্রিপল দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে।

প্রবেশপথ সুরক্ষিত করার পাশাপাশি, স্তম্ভগুলোর পাথর সংস্কার ও রঙের কাজও চলমান। মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডাগ বারগাম সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একজন বিশ্বনেতাকে অভ্যর্থনা জানাতে বেরিয়ে এসে স্তম্ভগুলোতে দরজার দাগ দেখে বলেন, দেখুন, এই সবকিছু মেরামত করা দরকার।’

সম্প্রতি ‘দ্য কেটি মিলার পডকাস্ট’-এ উপস্থিত হয়ে বারগাম দাবি করেছেন, ‘এটি খুব দ্রুত সম্পন্ন হবে। আমি মনে করি এগুলো মাত্র ১০ দিনের মতো সেখানে আছে, তবে এই কর্মীরা খুব দ্রুত কাজ করেন।’

মেরামত কাজ সম্পর্কিত একটি বিবৃতিতে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণ শ্রমিকরা স্তম্ভগুলো থেকে প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো রং তুলে ফেলে সেগুলোকে নতুন করে রং করেছে। তিনি আরো বলেন, স্তম্ভগুলো খুবই খারাপ অবস্থায় ছিল এবং অনেক রাষ্ট্রপতির দ্বারা সেগুলোর সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করা হয়েছিল।

এছাড়া গত সপ্তাহে উইট হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে আগে থেকে ঘোষণা না করা একটি হেলিপ্যাড নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস একটি আসন্ন রাষ্ট্রীয় সফরের প্রত্যাশায় ১৩ মিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প দ্রুতগতির নির্মাণের কাজ শেষ করেছে এবং বিলের সাথে আরো ৮ লাখ ৭৫ হাজার ডলারও যোগ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে সম্ভাব্য বিশ্বনেতার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিশ্বনেতা চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং, যিনি সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটন সফর করার কথা। নিরাপত্তা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে হোয়াইট হাউসের উত্তর দিকের আশপাশে অবস্থিত লাফায়েক পার্ক এলাকা ঘিরে নতুন বেষ্টনী বা প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ জমা দিয়েছে।

প্রেসিডেন্টের যাতায়াতের সময় জনসাধারণের জন্য এই পার্কটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তবে শুক্রবার জমা দেওয়া এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্তমান জোড়াতালির অস্থায়ী ব্যারিকেডগুলোর জন্য একটি স্থায়ী সমাধান দেওয়া, যাকে কর্মকর্তারা বিভিন্ন নিরাপত্তা ঝুঁকির জন্য ব্যাপক অথচ নমনীয় বেষ্টনী কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই স্থায়ী বেষ্টনীর উদ্দেশ্য হলো প্রয়োজনে রাস্তাটি বন্ধ করাকে আরও সহজ করা।

এখন যখন এই নিরাপত্তা বাড়ানোর কাজ চলছে, তখন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। ট্রাম্পের উপর একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া, ইরান ট্রাম্পকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গ্রহীত তথ্য নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%