বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০৪ পি.এম
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬: ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলার রায় হাইকোর্ট আগামী ২৪ আগস্ট ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি আজ শেষ হয়েছে। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এই রায়ের দিন ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির। আসামী পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজালাল, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, মোহাম্মদ শিশির মনির এবং অন্যান্য আইনজীবীরা।
২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলায় রায় প্রদান করে। সেই রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদরাসা ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম এবং মহি উদ্দিন শাকিল।
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের বেশ কিছু নির্মম ঘটনার প্রেক্ষিতে এই মাামলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। এই বিশেষ বেঞ্চের মামলাগুলো পরিচালনা করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি টিম গঠন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১১ অনুসারে নির্বাচনী কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণার প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পিতা- মির্জা রুহল আমিন, গ্রাম-কালিবাড়ী, ডাকঘর-ঠাকুরগাঁও ৫১০০, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ঠাকুরগাঁও কে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১ এর বিধি ১২ (৬) অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অলি আহমেদের অভিনন্দনও জানানো হয়েছে। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন এবং জানান, নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৩৪৯ জন, যাদের মধ্যে ৩৪৩টি ভোট পড়ে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পান আর কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট प्राप्त করেন। এমতাবস্থায় উল্লিখিত যে, গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করলে ৬ আগস্ট এই শূন্য পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সহ ছয়জন ভোট দেননি। নির্বাচন চলাকালীন ভোট দিয়েছেন মোট ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে যে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ ৮৮ ভোট পান।
ভোটদানে বিরত থাকার বিষয়ে রুমিন ফারহানা গণমাধ্যমকে সাফ জানিয়ে বলেন, ‘এই election অর্থহীন এবং প্রহসনের। কারণ, ভোটে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়। এই ভোটের ফলাফল কী, তা সবার জানা। তাই এটা মনোনয়ন, নির্বাচন নয়।’
একজন অরাজনৈতিক এবং গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে কেন মনোনীত করা হয়নি, সে নিয়ে তিনি বলেন, ‘এত বড় একটি গণ-অভ্যুত্থান গেল, যার সঙ্গে জাতি হিসেবে আমাদের আত্মত্যাগ, অনেক স্বপ্ন জড়িত।
তাহলে আমরা সবাই মিলে কেন একজন অরাজনৈতিক এবং গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করতে পারলাম না?’
রুমিন ফারহানা মন্তব্য করেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের আগে বিএনপি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ভয় দেখাল। অথচ ২০১৬ সাল থেকে দলটি ভিশন ২০৩০-এ গলার রগ ফুলিয়ে কথা বলছে। এখন তারা বলছে, দলের বাইরে ভোট দিলে তার সদস্যপদ বাতিল হবে। এ রকম প্রহসনের ভোট কেন আমি দেব?’
রুমিন ফারহানা ছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়া অন্য পাঁচজন হলেন, বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা। এছাড়া বিএনপির আরেক সংসদ সদস্য ওসমান ফারুক, খেলাফত মজলিসের আবুল হাসান এবং জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায়, তমরুদ্দী ইউনিয়ন যুবদলের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফকে (৩৮) গ্রেপ্তারের পর, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া একাধিক গায়েবি চুরি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অভিযোগ উঠেছে হাতিয়া থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। যুবদল নেতা মোহাম্মদ হানিফ নন, বলে পুলিশ দাবি করেছে। তারা বলছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি একই নামের অন্যান্য একজন হানিফ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে, স্থানীয় বিএনপি নেতারা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ করেন, তমরুদ্দী ইউনিয়ন যুবদলের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফকে গ্রেপ্তারের পর তিনটি চুরি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার পরবর্তীতে, দ্রুত বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায়, তমরুদ্দী ইউনিয়নের কাটাখালি এলাকা থেকে মোহাম্মদ হানিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে হাতিয়া থানায় না নিয়ে নলচিরা নৌ-পুলিশ ক্যাম্পে নেওয়া হয়, যা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। পরে, বৃহস্পতিবার তাঁকে নোয়াখালী জেলা শহরে সুধারাম থানায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে, দুপুরের দিকে, তিনটি চুরি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
দলীয় সূত্র ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের একটি রাজনৈতিক মারামারির মামলায় সম্প্রতি আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর হানিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তাঁর পরিবার ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ২০২৬ সালের তিনটি চুরি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তমরুদ্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তানভীর হায়দার বলেন, হানিফ ইউনিয়ন যুবদলের প্রচার সম্পাদক এবং অতীতে রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া পুরোনো রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাঁকে নতুন তিনটি গায়েবি চুরির মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, যদি তিনি অপরাধী হন, তবে প্রচলিত আইনে বিচার হবে। তবে, গায়েবি মামলায় তাঁকে কেন গ্রেপ্তার করা হবে?
তিনি বলেন, তিনি কোনো পেশাদার চোর বা অপরাধী নন। পুলিশ কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়া তাঁকে তিনটি চুরির মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মত নিরীহ মানুষকে মিথ্যা এবং গায়েবি মামলায় হয়রানি করছে হাতিয়া থানার ওসি। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, প্রশাসনের মধ্যে এরা কারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। তিনি বলেন, যাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, তাঁর কোন বিএনপির পদ নেই। স্থানীয়দের থেকে ভালোভাবে খোঁজ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার ভারত এবং জাপান সামুদ্রিক সহযোগিতা সহ নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদারের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং তার জাপানি সমপক্ষ শিনজিরো কোইজুমি নয়াদিল্লিতে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর তারা সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন, যা যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
ভারত ও জাপান যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় তথাকথিত কোয়াড নিরাপত্তা জোটের সদস্য। এই জোটকে চীনের ভারত মহাসাগর এবং বৃহত্তর এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এএফপি জানায়, বৈঠকের শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে দুই মন্ত্রী তাঁদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’
বৈঠকের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘এ ধরনের সহযোগিতা শুধু জাপান এবং ভারতের জন্যই নয়, বরং অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’ ভারত তার অভ্যন্তরীণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগে জাপানের আরও বেশি পুঁজি ও প্রযুক্তিগত সম্পৃক্ততা চায়।
দুই মন্ত্রী বলেন, জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় দেশটির উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নৌযান নির্মাণ ও নকশায় যৌথ উন্নয়ন প্রকল্পের সুযোগ খতিয়ে দেখা উচিত।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জুলাই মাসে তাঁর জাপানি সমকক্ষ সানায়ে তাকাইচিকে আতিথ্য দেওয়ার পর কোইজুমির এই সফর অনুষ্ঠিত হলো। ওই বৈঠকে দুই নেতা চীনের প্রাধান্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ খাতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছিলেন।
ওই বৈঠকের পর তাকাইচি বলেছিলেন, ‘জাপান ও ভারত অর্থনীতির সশস্ত্রায়ন এবং বাজারবহির্ভূত নীতি ও চর্চা সহ’ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।
মোদির সঙ্গে তাকাইচির বৈঠকের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় উল্লেখ করা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ‘তৃতীয় কোনো পক্ষকে লক্ষ্য করা বা তার স্বার্থের ক্ষতি করা উচিত নয়, এমনকি একচেটিয়া গোষ্ঠী গঠন বা সংঘাত উসকে দেওয়ার অজুহাত হিসেবেও’ এই সহযোগিতা ব্যবহার করা উচিত নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ