প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার ভারত এবং জাপান সামুদ্রিক সহযোগিতা সহ নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদারের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং তার জাপানি সমপক্ষ শিনজিরো কোইজুমি নয়াদিল্লিতে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর তারা সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন, যা যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
ভারত ও জাপান যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় তথাকথিত কোয়াড নিরাপত্তা জোটের সদস্য। এই জোটকে চীনের ভারত মহাসাগর এবং বৃহত্তর এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এএফপি জানায়, বৈঠকের শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে দুই মন্ত্রী তাঁদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’
বৈঠকের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘এ ধরনের সহযোগিতা শুধু জাপান এবং ভারতের জন্যই নয়, বরং অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’ ভারত তার অভ্যন্তরীণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগে জাপানের আরও বেশি পুঁজি ও প্রযুক্তিগত সম্পৃক্ততা চায়।
দুই মন্ত্রী বলেন, জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় দেশটির উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নৌযান নির্মাণ ও নকশায় যৌথ উন্নয়ন প্রকল্পের সুযোগ খতিয়ে দেখা উচিত।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জুলাই মাসে তাঁর জাপানি সমকক্ষ সানায়ে তাকাইচিকে আতিথ্য দেওয়ার পর কোইজুমির এই সফর অনুষ্ঠিত হলো। ওই বৈঠকে দুই নেতা চীনের প্রাধান্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ খাতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছিলেন।
ওই বৈঠকের পর তাকাইচি বলেছিলেন, ‘জাপান ও ভারত অর্থনীতির সশস্ত্রায়ন এবং বাজারবহির্ভূত নীতি ও চর্চা সহ’ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।
মোদির সঙ্গে তাকাইচির বৈঠকের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় উল্লেখ করা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ‘তৃতীয় কোনো পক্ষকে লক্ষ্য করা বা তার স্বার্থের ক্ষতি করা উচিত নয়, এমনকি একচেটিয়া গোষ্ঠী গঠন বা সংঘাত উসকে দেওয়ার অজুহাত হিসেবেও’ এই সহযোগিতা ব্যবহার করা উচিত নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন