০৮:০৭ পি.এম
মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সুজন মেম্বার কর্তৃক স্কুলের রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের সমূদয় অর্থ আত্মসাৎ ও তার চতুর্মুখী অপকর্মের সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর, মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিছবাহকে জড়িয়ে মিথ্যা বানোয়াট মানহানিকর অভিযোগের বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
আবেদনে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রকল্পের সমূদয় অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত ডকুমেন্টসহ সংবাদটি প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সুজন মিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিক এবং প্রেসক্লাবের সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এবং উপজেলা প্রেসক্লাবকে একাংশ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের ফ্রন্ট ডেস্কসহ বিভিন্ন স্থানে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। এই কারণে আমাদের সাংবাদিক এবং প্রেসক্লাবের মান সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে।
প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন যে, সুজন মেম্বার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অন্যদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে নিজের কুকর্ম ডাকতে উপজেলা প্রেসক্লাবকে একাংশে বিভক্ত করে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করার হীন প্রচেষ্টা চালিয়ে অন্যদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চান।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
নেতৃবৃন্দ দাবি করেছেন যে, বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা উচিত এবং যদি অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয় তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেছেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তবে তা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হওয়া উচিত, কিন্তু ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অভিযোগের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হয়রানির চেষ্টা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী।
অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় আবেদনটি গ্রহণ করেছে এবং বিষয়টি প্রয়োজনীয় নিয়ম অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে বাসায় ফেরার সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক নিহত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন