ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শৌচাগারে পড়ে ছিল বলিউড পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তের নিথর দেহ


শৌচাগারে পড়ে ছিল বলিউড পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তের নিথর দেহ

বলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক সঞ্জয় গুপ্ত প্রয়াত হয়েছেন। তিনি ‘কাঁটে’, ‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডলা’, ‘কাবিল’ ও ‘মুম্বাই সাগা’র মতো উল্লেখযোগ্য থ্রিলার সিনেমা নির্মাণ করে দর্শকদের মাঝে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবর চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া ফেলেছে।

তবে পরিচালকের মৃত্যুর কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। বলিউডের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে নিজের শৌচাগারে পড়ে যান সঞ্জয় গুপ্ত। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি সেখানেই পড়ে ছিলেন। শনিবার সকালে বিষয়টি কারো নজরে আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার রাতেই তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রাথমিকভাবে হৃদ্‌রোগের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

দীর্ঘ কয়েক দশকের চলচ্চিত্রজীবনে সঞ্জয় গুপ্ত একাধিক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তিনি বলিউডের অনেক নামী ও প্রভাবশালী অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘আতিশ’, ‘রাম শাস্ত্র’, ‘জং’, ‘হামেশা’, ‘জিন্দা’, ‘মুসাফির’, ‘দাস কাহানিয়াঁ’, ‘কাঁটে’, ‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডলা’, ‘কাবিল’, ‘জজবা’, ‘মুম্বাই সাগা’ ও ‘খৌফ’।

আরও পড়ুন: ঘুমের মধ্যে খিঁচুনি, না ফেরার দেশে অভিনেতা অনুজ ঠাকুর

শুধুমাত্র পরিচালক হিসেবেই নয়, প্রযোজক হিসেবেও থ্রিলারধর্মী সিনেমার প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ ছিল। তিনি ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’, ‘প্ল্যান’, ‘উডস্টক ভিলা’, ‘অ্যাসিড ফ্যাক্টরি’ ও ‘পাঙ্খ’-এর মতো সিনেমা প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এর আগে, কয়েক বছর আগে পুনে থেকে মুম্বাই ফেরার পথে সঞ্জয় গুপ্ত ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। সে সময় তিনি নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। বড় ধরনের সেই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়াকে তিনি নতুন জীবন ফিরে পাওয়ার মতো ঘটনা হিসেবে দেখেছিলেন। তবে এবার আর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ফিরে আসা হলো না তার। পর্দায় একের পর এক রোমাঞ্চকর গল্প উপহার দেওয়া এই নির্মাতার বিদায়ে বলিউড শোকাহত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে জমজমাট চাকই বাজারের মাছের আড়ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে জমজমাট চাকই বাজারের মাছের আড়ত

ভোরের আলো ফুটতেই তাজা মাছ নিয়ে আসে ভ্যান, নছিমন, পিকআপ ভ্যান। পাইকাররাও বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে থাকেন। বেলা যত বাড়ে, তত জমে ওঠে নড়াইল সদরের বিছালী ইউনিয়নের চাকই বাজারের মাছের আড়ত।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আড়ত মালিকরা টেবিল পেতে বসে আছেন। সেখানে একে একে নছিমন, ভ্যান, অটোরিকশা, মিনি ট্রাকে করে মাছ নিয়ে আসছেন ঘের মালিক ও জেলেরা। ক্রেতারা পছন্দের মাছ কিনছেন। কেউ কেউ লাইভ ফিশ হোল্ডিং সিস্টেমে মাছ জিইয়ে রাখছেন। ক্রেতা–বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর আড়ত এলাকা।

নড়াইল সদরের বিছালী ইউনিয়নের চাকই বাজারের মৎস্য আড়তে প্রতিদিনের চিত্র এটি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। এ সময় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয় বলে জানান বাজার কমিটির সদস্যরা।

আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১০ বছর আগে একটি দোকান নিয়ে শুরু হয়েছিল চাকই বাজারের আড়তের যাত্রা। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে আড়তের সংখ্যা। বর্তমানে বাজারে আড়তের সংখ্যা পাঁচ। নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতি নদীর মাছ ছাড়াও আসে খাল-বিল ও ব্যক্তি মালিকানার মাছের ঘের থেকে।

ব্যবসায়ীরা এসব মাছ পাইকারি দামে কিনে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, নড়াইল জেলা শহরের বাজারে তোলেন। এ ছাড়া ছোট পাইকাররা বিক্রি করেন গ্রামের বাজার ও পাড়া-মহল্লায়ও।

আড়তদার ছাড়াও অন্তত ২৫ জন খুচরা বিক্রেতা প্রতিদিন এ বাজারে মাছ বিক্রি করেন। পাইকারি ও খুচরা মাছ কিনতে আসেন স্থানীয় ও দূরের ক্রেতারা।

স্থানীয়রা জানায়, বাজারটি জমে ওঠায় এলাকার অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

মাছের আড়তে কাজ করা রুবেল হোসেন নামের এক শ্রমিকের ভাষ্য, ‘আমাদের এখান থেকে জেলা শহর অনেক দূরে। রাজমিস্ত্রীর কাজও বেশ কঠিন। যাওয়া-আসায় অনেক সময় যায়। এদিকে অনেক জমি মাছের ঘের হয়ে যাওয়ায় মাঠের কাজ কমে গেছে। চাকই বাজারে মাছের আড়ত হওয়ায় এখানে আমরা কাজ করে খেতে পারছি।’

রুবেলের মতো প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন মানুষ কাজ করছেন চাকই বাজারের মাছের আড়তে।

স্থানীয় মাছচাষিরা বলছেন, তারা ন্যায্য মূল্যে সহজেই মাছ বিক্রি করতে পারছেন। সেইসঙ্গে নিরাপত্তা ও সঠিক মূল্য পাওয়ায় ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বাজারটি।

সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের শোলপুর গ্রামের পারভেজ মোল্যা নছিমনে করে নিজের ঘেরের মাছ বিক্রি করতে এসেছেন চাকই বাজরের মাছের আড়তে। তিনি বলেন, ‘চাকই বাজারের মতো এত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ কোথাও নেই। এখানে কোনো ঝামেলা নেই, চুরি নেই। সঠিক ওজনে বেচাকেনা হয়। বাজারে পাঁচটি আড়ত রয়েছে। যার যেখানে ইচ্ছে মাছ বিক্রি করতে পারেন। তাছাড়া এখানে মাছ আনতে আমাদের সময় ও যাতায়াত খরচ বাঁচে।’

চাকই বাজারের এ মাছের আড়ত থেকে মাছ নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হয়। প্রতিদিনই পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখানে ভিড় করেন। জেলা শহরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মাছ এখানে ন্যায্য মূল্যে পাওয়ায় আড়তের কদর রয়েছে পাইকারদের কাছেও।

নাটোর থেকে আসা আব্দুল জলিল নামের এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমি মাছের ব্যবসা করি। বিভিন্ন জায়গায় মাছ বিক্রি করি। বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকাররা আসার কারণে চাকই বাজারের আড়ত সকাল থেকেই জমজমাট থাকে। বাগেরহাট, ঢাকা, রংপুর, নাটোরসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা এখানে আসেন।’

এদিকে, চাকই বাজারের আড়ত ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। মাছ বিক্রির জন্য চাষিদের আর দূর-দূরান্তের বাজারে ছুটতে হচ্ছে না। এক জায়গায় বিভিন্ন এলাকার পাইকারদের উপস্থিতিতে গড়ে উঠেছে বড় বাজার। এতে মাছচাষিরা যেমন তাদের উৎপাদিত মাছের ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনি নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে।

মেসার্স রূপালি ফিসের স্বত্বাধিকারী এম এম আজিম উদ্দিন বলেন, ‘মাছ চাষ করে চাষিরা যেন ন্যায্য দাম পান এবং হাসিমুখে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। তাছাড়া শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এ বাজারে।

চাকই চৌরাস্তা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসন বলেন, ‘বাজারটিতে দেশি- বিদেশি মাছ সকাল থেকে বেচাকেনা হয়। বাজারটি জমে ওঠায় এলাকার মানুষ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। এখানে আসা ব্যবসায়ীদের হয়রানি শিকার হওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। বাজার কমিটি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের হামলা হলে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আরাগচির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


ফের হামলা হলে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আরাগচির

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি নতুন করে হামলা হলে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি এই সতর্কবার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের মন্তব্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউরোপের জ্বালানি ব্যয় ১০০ বিলিয়ন ইউরোর (১১২ বিলিয়ন ডলার) বেশি বেড়েছে। এই মন্তব্যের পর আরাগচি কড়া জবাব প্রদান করেছেন।

গত বছরের জুনে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন মের্জ। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘ইসরাইল আমাদের সবার হয়ে নোংরা কাজটি করছে।’

আরাগচি সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে হামলা চালানোর ফলে ইউরোপকে এর চেয়ে অনেক বড় মূল্য দিতে হতে পারে।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘১০০ বিলিয়ন ইউরো কিছুই নয়। যারা আমাদের জনগণের ক্ষতি করার সাহস দেখাবে, তাদের বিরুদ্ধে ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী যে ধ্বংসাত্মক আঘাত হানবে, তার তুলনায় এই অর্থের পরিমাণ নগণ্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘লাল রেখা বলে কিছু এখন আর কিছু নেই।’

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণের উপকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ পি.এম


পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণের উপকার

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে।

গত ১৩ থেকে ৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রিজিয়নের আওতাধীন জোনগুলোর উদ্যোগে এই কার্যক্রমগুলো পরিচালিত হয়েছে।

শনিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্থানীয় জনগণের জন্য বিনা মূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ, চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ, শিক্ষা ও খেলাধুলার সামগ্রী প্রদান, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

এসব উদ্যোগের ফলে দুর্গম পার্বত্য এলাকার শত শত পাহাড়ি ও বাঙালি নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের সম্প্রীতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নিয়মিত মানবিক সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণ সঙ্গে থাকলে ৭ দফা দাবি আদায় করেই ছাড়ব ইনশাআল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ পি.এম


জনগণ সঙ্গে থাকলে ৭ দফা দাবি আদায় করেই ছাড়ব ইনশাআল্লাহ

পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্তের নাওডোবায় ১১ দলীয় ঐক্যের পথসভাকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষের উপস্থিতিতে ব্যানার, ফেস্টুন ও মিছিল নিয়ে পুরো এলাকা মুখর হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনের পূর্বেই বড় ধরনের জনসমাগম সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবায় এ পথসভার আয়োজন করা হয়েছে।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরছেন আয়োজকরা।

শরীয়তপুর জেলা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এ পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির। এ ছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও বক্তব্য দেন।

আয়োজকরা জানান, পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়ের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি দেখা গেছে। শরীয়তপুরের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে মিছিলসহকারে কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা।

পথসভায় সভাপতিত্ব করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শরীয়তপুর জেলা শাখার আমির অধ্যক্ষ আব্দুর রব হাসেমী। এতে শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিরে জামায়াত বলেন, "জনগন যদি সাথে থাকে ৭ দফা দাবি আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।"

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%