ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কাকরাইলে বাণিজ্যিক ভবনে রাজউকের অভিযান, ফায়ার এক্সিট বন্ধ


কাকরাইলে বাণিজ্যিক ভবনে রাজউকের অভিযান, ফায়ার এক্সিট বন্ধ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কাকরাইলে একটি বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে অভিযান পরিচালনা করেছে, কারণ অতিরিক্ত দেয়াল নির্মাণের মাধ্যমে ফায়ার এক্সিট বন্ধ রাখা হয়েছে।

সোমবার (০২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সবুজ হাসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম শুরু হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ভবন কর্তৃপক্ষকে তিন দফায় সতর্ক করা হয়েছে, তবে তারা প্রয়োজনীয় সংশোধন করেনি। দ্বিতীয় দফায় ভবন কর্তৃপক্ষকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ওলামা লীগ নেতার বিএনপিতে যোগদান নাকি সৌজন্য সাক্ষাৎ?

তিন মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে যাওয়ার পর ভবনের ত্রুটি সংশোধন না করায় রাজউক অভিযান পরিচালনা করতে বাধ্য হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, বাণিজ্যিক ভবনে ফায়ার এক্সিট রাখা বাধ্যতামূলক এবং এই নিয়মের লঙ্ঘন ঘটলে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ সময় ভবন মালিকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বাক্‌বিতণ্ডা ঘটে।

আরও পড়ুন: ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ৯ নভেম্বর শুরু হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা অবশ্যই ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পরিচালিত হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা, নিরাপত্তা ও জনগণের কল্যাণ সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুবিধার ভিত্তিতে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।’

সোমবার (২ নভেম্বর) বঙ্গভবনে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এ অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদানকালে রাষ্ট্রপতি এ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে মানসম্মত নেতৃত্ব, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় স্বার্থ অর্জনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

এ সময় রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাদের সাহস, আত্মত্যাগ ও অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অসামান্য অবদান ও স্বাধীনতার ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি ১৯৭৭ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পেশাদার সামরিক শিক্ষা বিস্তারে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথাও স্মরণ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও গত ১৭ বছরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারীদের স্মরণ করেন। তিনি জনগণের মর্যাদা সমুন্নত রাখা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রচলিত নিরাপত্তা উদ্বেগের পাশাপাশি বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার হুমকি, আন্তঃদেশীয় অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মহামারি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানও জড়িত।

পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কারণে সতর্কতা ও দূরদর্শিতার গুরুত্ব বিশেষভাবে বেড়েছে।

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এবং উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তি যুদ্ধ ও নিরাপত্তার ধরন পরিবর্তন করে দিচ্ছে। একইসঙ্গে ভুল তথ্য, অপতথ্য এবং সাইবার হুমকি জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

উদীয়মান এই বাস্তবতা মোকাবিলায় কৌশলগত দূরদর্শিতা, সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ, বুদ্ধিবৃত্তিক উদারতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দেশের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে মতবিনিময় ও সমসাময়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অভিন্ন উপলব্ধি গড়ে তোলার একটি অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

রাষ্ট্রপতি ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে স্থান দিতে হবে।

তিনি একইসঙ্গে পেশাদারিত্ব, সততা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান।

কোর্সে অন্য দেশের অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে তাদের এই অভিজ্ঞতা তাদের নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে সহায়ক হবে।

রাষ্ট্রপতি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জাতিসমূহের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা, মতবিরোধের পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘর্ষের পরিবর্তে শান্তির আহ্বান জানান।

এছাড়া, সক্ষম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান।

এ সময় ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ফ্যাকাল্টির সদস্য, এনডিসি কোর্স সম্পন্নকারী সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, এএফডব্লিউসি কোর্স সম্পন্নকারী সেনাবাহিনীর অফিসার, এনডিসি কোর্সে অংশগ্রহণকারী বিদেশি কোর্স সদস্য, আর্মি স্টাফ অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (জেসিও) ও বঙ্গভবনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ২০২৬-এ বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী থেকে ৫৪ জন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস থেকে ১৮ জন এবং বন্ধুপ্রতিম ১৭টি দেশ থেকে ৩১ জনসহ মোট ১০৩ জন সদস্য অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঠগড়ায় মিরাজ, তাইজুল ও নাইমের প্রস্তুতি সিলেট টেস্টের জন্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


কাঠগড়ায় মিরাজ, তাইজুল ও নাইমের প্রস্তুতি সিলেট টেস্টের জন্য

ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আট উইকেটের জয়কে প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি নিজেদের স্পিনারদের কার্যকারিতার জন্য একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। স্যামির মতে, বাংলাদেশের স্পিনারদের তুলনায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা অধিক কার্যকর বোলিং করেছেন এবং ক্যারিবীয় ব্যাটাররা স্পিন মোকাবেলায় বেশি সফল ছিলেন। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও স্বীকার করেছেন, চতুর্থ ইনিংসে স্পিনারদের ব্যর্থতা ম্যাচের ফল পরিবর্তন করেছে।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১০ উইকেটের মধ্যে ৮টি উইকেট স্পিনারদের মাধ্যমে পেয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮.১ ওভার বোলিং করেও বাংলাদেশের কোনো স্পিনার একটি উইকেটও নিতে পারেননি। অপরদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোমেল ওয়ারিক্যান দুই ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন। রস্টন চেজ দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট তুলে নেন। সব মিলিয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা ১৬ উইকেট লাভ করেছে, যেখানে বাংলাদেশের স্পিনাররা মাত্র ৮টি উইকেট নিয়েছে।

স্যামি এই পার্থক্যকে নিজেদের জয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, "ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা বাংলাদেশের স্পিনারদের চেয়ে ভালো বোলিং করেছেন এবং তাঁদের ব্যাটাররাও স্পিন মোকাবেলায় অধিক কার্যকর ছিলেন।" চেন্নাইয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজের আগে নেওয়া প্রস্তুতি শিবিরকে এর পেছনে একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রশংসা করে স্যামি জানান, সুপার কিংস একাডেমি ও শ্রী রামচন্দ্র স্পোর্টস সায়েন্স কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পাওয়ার জন্য। ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রেইফার ও উচ্চক্ষমতা উন্নয়ন কোচ শ্রী রামকৃষ্ণমূর্তির সঙ্গে কাজ করে ব্যাটাররা বাংলাদেশের কন্ডিশনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করেছিলেন বলে জানান তিনি।

স্যামির মতে, স্পিন মোকাবিলা ছাড়াও পুরো দলই এখন টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের ভূমিকা ধীরে ধীরে স্থির করছে। খেলোয়াড়দের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেটি মাঠে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ঢাকায় দলের লড়াই করার মানসিকতা, ম্যাচে টিকে থাকা এবং প্রস্তুতির ফল মাঠে দেখতে পাওয়াকেও তিনি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। চতুর্থ ইনিংসে ব্র্যান্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসকেও বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচ।

অন্যদিকে, শান্ত জানান, ১৭০ রানের লক্ষ্য দেওয়ার পর বাংলাদেশের বিশ্বাস ছিল যে ওই রান এই পিচে রক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র দুটি উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছে, দুটিই এসেছে পেসারদের কাছ থেকে। ফলে ৩৫.১ ওভারে মাত্র দুই উইকেট হারিয়েই ওয়েস্ট ইন্ডিজ লক্ষ্য অতিক্রম করে। শান্ত মনে করেন, যদি বাংলাদেশের বোলাররা আরও ভালো বোলিং করতেন তবে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত। অন্তত সাত-আটটি উইকেট নিতে পারলে ১৭০ রানকে কম মনে করার সুযোগ থাকত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বিশেষভাবে স্পিনারদের লেংথ ঠিকভাবে নির্ধারণ করতে না পারার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, বোলিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব ছিল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা বিশেষ করে চতুর্থ ইনিংসে বেশ স্বচ্ছন্দে ব্যাট করেছেন।

তবে জোমেল ওয়ারিক্যানের নয় উইকেটের কৃতিত্বকে খাটো করতে চাননি শান্ত। তিনি বলেন, "ওয়ারিক্যান ভালো বোলিং করেছেন, তবে বাংলাদেশের দুর্বল ব্যাটিংও তাঁর সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে।" শান্ত মনে করেন, বাংলাদেশ আরও ভালোভাবে খেললে ওয়ারিক্যানকে অনেক বেশি কার্যকরভাবে সামলানো সম্ভব ছিল।

তাইজুল ইসলামের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠলেও শান্ত তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। গত চার টেস্টে তাইজুলের শিকার মাত্র পাঁচ উইকেট। ঢাকায় ৩৮.১ ওভারে তাঁর ম্যাচের বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ২ উইকেটে ১৩০ রান। তবে শান্ত মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের সেরা বোলারদের একজন তাইজুল। একটি ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে তাঁকে বিচার করা ঠিক হবে না এবং দ্বিতীয় টেস্টে তিনি শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াবেন বলে আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ঢাকার পিচ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিন দুর্বলতাকে বিবেচনায় রেখেই পিচ তৈরি করা হয়েছিল বলে শান্ত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, প্রথম দুই দিন উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য মোটামুটি ভালোই ছিল, কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের ব্যাটিংয়ে যথেষ্ট ভালো করতে পারেনি। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের কথা মাথায় রেখে পিচ তৈরি করা হয়নি বলেও পরিষ্কার করেছেন তিনি। বরং নিজেদের শক্তি, প্রতিপক্ষের দুর্বলতা এবং ঘরের মাঠে স্পিনারদের অতীত সাফল্য বিবেচনা করেই এমন উইকেট বানানো হয়েছিল।

ঢাকার জয় নিয়ে সন্তুষ্ট স্যামি এখন একই মানসিকতা নিয়ে সিলেট টেস্টে নামতে চান। চলমান বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি করে টেস্ট জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জিতে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনে, তবে কোনো সিরিজ এখনো জিততে পারেনি তারা। তাই সিলেটে সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই নামবে ক্যারিবীয়রা। বাংলাদেশের কোচ ফিল সিমন্স দ্বিতীয় টেস্টকে কঠিন করে তুলবেন বলেও মনে করেন স্যামি।

রস্টন চেজের নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেছেন তিনি। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে প্রথম শতক করার সময় থেকেই চেজ দলের মধ্যে নিজের নেতৃত্বের কণ্ঠ ধরে রেখেছেন বলে জানান স্যামি। বোলিং কোচ রবি রামপালের সঙ্গে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরিকল্পনা তৈরি এবং সেটি খেলোয়াড়দের বাস্তবায়ন করার বিষয়টিকেও দলের অগ্রগতির অংশ হিসেবে দেখছেন তিনি। স্যামির ভাষায়, খেলোয়াড়দের পরিপক্বতা ও দায়িত্বশীলতার এই অগ্রগতিই সাফল্যের ভিত্তি।

ঢাকার পর দুই ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখানে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে স্পিন বোলিংয়ের ঘাটতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ চাইবে ঢাকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় এমপি আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুর ২ দিনের রিমান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় এমপি আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুর ২ দিনের রিমান্ড

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যার ঘটনায় বিএনপি দলীয় এমপি আব্দুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে পুলিশ আরও ২ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) শুনানি শেষে বিচারক মাহমুদুল হাসান দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, যার ফলে ডিবি পুলিশ পুনরায় নুরুজ্জামান মিন্টুকে তাদের হেফাজতে নেয়। এই মামলায় আলামিন ও আনিসুর রহমান নামে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, তিন দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাকে বড়াইগ্রাম আমলি আদালতে হাজির করা হয় এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এসআই শফিকুল ইসলাম আরও ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ওইদিন শুনানি না হওয়ায় এমপির ছেলেকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

গত ১৪ অক্টোবর রাতে উপজেলার চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হেলমেটধারী সন্ত্রাসীরা শাকিলকে প্রথমে গুলি করে এবং পরে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ অক্টোবর রাতে শাকিল মারা যান।

গত ২৬ অক্টোবর রাতেই ডিবি পুলিশ এমপির ছেলে মিন্টুকে গ্রেফতার করে। ২৭ অক্টোবর প্রথম দফায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে রিং রোডের গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বাড়ার দাবিতে আন্দোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে রিং রোডের গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বাড়ার দাবিতে আন্দোলন

২ নভেম্বর ২০২৬ নারায়ণগঞ্জ জেলায় রিংরোডে গার্মেন্টস শ্রমিক দের মাসিক বেতন সর্বনিম্ন ৩০০০০ টাকা দাবিতে আন্দোলনে নামেন নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন গার্মেন্টস শ্রমিকের একটি অংশ, তাদের দাবি নৃত্য প্রয়োজনীয় সকল কিছুর দাম বাড়ার কারণে তারা এই দাবী আদায়ের মাঠে নেমেছে গার্মেন্টস শ্রমিক বৃন্দ,
শ্রমিকদের এই আন্দোলন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন গার্মেন্টসে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে,
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার বিএনপি'র সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিপু জানান, যে এটা কোন গার্মেন্টস শ্রমিক নয় বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের দোসর তাদেরকে টাকা দিয়ে এই আন্দোলনে নামিয়েছেন,
তুমি জানান আমরাও গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বাড়ার পক্ষে তবে এই আন্দোলনে নামছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দোসরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%