শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৮ এম
রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে আজ শুক্রবার দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিং কমপ্লেক্সে দেশের ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় তারকা মাহফুজ আনাম জেমস গান পরিবেশন করবেন।
‘রক এন রিদম ৫.০ : নো লিমিটস ইন দ্য জোন’ শীর্ষক কনসার্টটি এই শপিং কমপ্লেক্সের কার্নিভাল অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত হবে। জেমস নিজ দলের নগরবাউল নিয়ে এই কনসার্টে পারফর্ম করবেন।
এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘দেশে অনেকদিন পর টিকিট কনসার্ট করছি। আশা করি শ্রোতা-দর্শক নতুন কিছু শুনতে ও দেখতে পাবেন।’
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশন’ তাদের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছে, এই বিশেষ আয়োজনে নগরবাউল ও আর্ক ছাড়াও দেশের অন্যান্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য পারফর্ম করবে।
এছাড়া, গিটারিস্ট ওনি হাসান ওয়ারফেজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। তিনি একক পরিবেশনাতেও উপস্থিত থাকবেন। রাহুলও এই কনসার্টে পারফর্ম করবেন বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইথিওপিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষের কারণে শত শত মানুষ প্রতিবেশী দেশ কেনিয়ায় পালিয়ে গেছেন। এই জনগণের মধ্যে নারী ও শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের সহায়তার জন্য জরুরি কার্যক্রম শুরু করেছে কেনিয়া রেড ক্রস।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ওরোমিয়া রাজ্যের সীমান্তবর্তী মোয়ালে শহরে বুধবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বৃহস্পতিবারও শহরের ইথিওপিয়া অংশের কিছু এলাকায় গোলাগুলির আওয়াজ শোনা গেছে।
কেনিয়ার মারসাবিত কাউন্টির কমিশনার স্ট্যানলি কামান্দে জানিয়েছেন, ইথিওপিয়া থেকে আগত শত শত মানুষ মোয়ালে এলাকার বিভিন্ন গ্রামে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের কাছে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
সংঘর্ষের সঠিক কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ইথিওপিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
কেনিয়া রেড ক্রস জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা এবং তাদের জরুরি প্রয়োজন নিরূপণের জন্য মূল্যায়ন কার্যক্রম চলছে। সংস্থাটি মারসাবিত কাউন্টি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অস্থায়ী আশ্রয়, তাঁবু, কম্বল, ঘুমানোর মাদুর এবং প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী সরবরাহ করছে। প্রাথমিকভাবে এক হাজার পরিবারকে সহায়তার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংঘর্ষের ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের সেরা ও বরকতময় দিন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই বিশেষ দিনে জুমার ফরজ নামাজের দুই রাকাতের পাশাপাশি সুন্নাত নামাজ আদায় করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও সওয়াবের কাজ। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে— জুমার সুন্নত নামাজের সংখ্যা আসলে কত রাকাত এবং রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তার সাহাবিরা এ বিষয়ে কী আমল করেছেন?
১. প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নতের ফজিলত
সাধারণ দিনগুলোর মধ্যে ফরজ নামাজের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তার সাহাবিরা নিয়মিত ১২ রাকাত সুন্নত গুরুত্বের সঙ্গে (মুআক্কাদা) আদায় করতেন। এই নামাজগুলোর অপরিসীম ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত খুশী হয়ে একটি সুখবর দিয়েছেন। সাধারণ দিনে ১২ রাকাত সুন্নত যেভাবে আদায় করতে হয়—
ফজর: ফরজের পূর্বে ২ রাকাত সুন্নত।
জোহর: ফরজের পূর্বে ৪ রাকাত ও ফরজের পরে ২ রাকাত সুন্নত।
মাগরিব: ফরজের পরে ২ রাকাত সুন্নত।
ইশা: ফরজের পরে ২ রাকাত সুন্নত।
২. জুমার দিনে সুন্নত নামাজের সঠিক হিসাব
জুমার আগে: ৪ রাকাত সুন্নত।
জুমার পরে: ৪ রাকাত সুন্নত।
কিছু আলেমের মতে, জুমার পরে ৬ রাকাত সুন্নত আদায় করা উত্তম। তবে অধিকাংশ আলেমের মতামত হলো— জুমার পর ৪ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা এবং অতিরিক্ত ২ রাকাত পড়া সুন্নতে জায়েদা বা গায়রে মুআক্কাদা।
৩. জুমার পূর্বের ৪ রাকাত সুন্নতের দলিল
জুমার ফরজ নামাজের পূর্বে ৪ রাকাত সুন্নত আদায়ের ভিত্তি সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িদের আমল থেকে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত। প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) জুমার আগে নিয়মিত চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করতেন। এছাড়া প্রখ্যাত তাবেয়ি হজরত ইবরাহিম নাখঈ (রহ.) উল্লেখ করেছেন যে, সাহাবায়ে কেরাম জুমার মূল ফরজের পূর্বে চার রাকাত সুন্নত আদায় করতেন।
৪. কুরআন ও হাদিসের আলোকে সুন্নত নামাজের দলিল
সুন্নত নামাজের মর্যাদা এবং দৈনন্দিন ১২ রাকাতের গুরুত্ব সম্পর্কে হাদিসে সরাসরি বিবরণ এসেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিদিনের ১২ রাকাত সুন্নত আদায়ের ফজিলত বর্ণনা করে বলেছেন—
مَنْ صَلَّى اثْنَتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ بُنِيَ لَهُ بِهِنَّ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ
‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন ও রাতে (ফরজ ব্যতীত) ১২ রাকাত (সুন্নত) নামাজ আদায় করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে।’ (মুসলিম ৭২৮)
সাধারণ দিনের সুন্নত বণ্টনের হাদিস
রাসুলুল্লাহ (সা.) এ ১২ রাকাতের সময়সীমা ও বণ্টন নির্দেশ করে ইরশাদ করেছেন—
أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعِشَاءِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاةِ الْفَجْرِ
‘চার রাকাত জোহরের ফরজের আগে, দুই রাকাত জোহরের ফরজের পরে, দুই রাকাত মাগরিবের ফরজের পরে, দুই রাকাত ইশার ফরজের পরে এবং দুই রাকাত ফজরের ফরজের আগে।’ (তিরমিজি ৪১৫)
হজরত আবু উবাইদ (রহ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بن مسعود، أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي قَبْلَ الْجُمُعَةِ أَرْبَعًا
‘আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) জুমার পূর্বে চার রাকাত নামাজ আদায় করতেন।’ (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা ৫৪০২২)
এ ছাড়া প্রখ্যাত তাবেয়ি হজরত ইবরাহিম নাখঈ (রহ.) সাহাবিদের সুন্নত আদায়ের আমল সম্পর্কে বলেছেন—
كَانُوا يُصَلُّونَ قَبْلَ الْجُمُعَةِ أَرْبَعًا
‘সাহাবায়ে কেরাম জুমার পূর্বে চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করতেন।’ (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা ৫৪০৫)
জুমার দিনটি ইমানদারদের জন্য আনন্দের ও সাওয়াব অর্জনের এক অবারিত সুযোগ। জুমার ফরজের দুই রাকাতের পাশাপাশি জুমার পূর্বে ৪ রাকাত এবং জুমার পরে ৪ রাকাত (কিংবা অতিরিক্ত আরও ২ রাকাতসহ ৬ রাকাত) সুন্নত আদায়ের মাধ্যমে আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ও সাহাবিদের অনুসৃত পথের সঠিক অনুসরণ করতে পারি। জুমার দিনের এই মহান আমলগুলো যেন আল্লাহর নৈকট্য ও জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম অর্জনে সহায়ক হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার জন্য কোথাও না কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তারিখে জানুন, কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তানবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটারা, বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট ও সান্দ্রা সুপার মার্কেট।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, ওয়ারী, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল, বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ ও গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম কমে গেছে। সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়েছে। নতুন কোনো ঘোষণা না আসায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নির্ধারিত দামেই সোনা বিক্রি হবে।
বাজুসের নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণের অলংকারে ৫ শতাংশ এবং রুপার অলংকারে ৬ শতাংশ ভ্যাট ছাড়ের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর সোনার দাম কমানো হয়েছিল। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ০২৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, এক ভরি সোনা বা রুপার ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ