ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টি


বরিশালে নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে বরিশালে বৃষ্টি হচ্ছে কখনো গুড়ি গুড়ি আবার কখনো মুশলধারায়। গত তিনদিন ধরে বরিশালে আকাশ মেঘলা থাকার ফলে রোদের দেখা মেলেনি। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পরেছে স্কুল, কলেজ ও অফিসগামীরা।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত ইব্রাহিম হাওলাদার এই বিষয়ে বলেন, চলতি বছর বরিশালে বৃষ্টি কম হয়েছে। গরমের কারণে পরিস্থিতি খারাপ ছিল। তবে এখন যে বৃষ্টি হচ্ছে, তা আমাদের জন্য স্বস্তির। তবে বৃষ্টির কারণে যানবাহনের ভাড়া কিছুটা বেশি নেয়া হচ্ছে।

সুলতানা বেগম নামে এক অভিভাবক জানান, সকালে তিনি যখন বাচ্চাকে স্কুলে দিতে যান, তখন কিছু বিড়ম্বনায় পরতে হয়েছে। রিকশা পেতে দেরি হয়েছে এবং ভাড়া বেশি চাচ্ছে। তবে এই বৃষ্টি সত্যিই স্বস্তির।

আরও পড়ুন: বদলগাছীতে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৬৩টি বাইসাইকেল বিতরণ

আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আবু জাফর বাসস’কে জানান, গতকাল সোমবার থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় ৪৫ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বরিশাল বিভাগের কোথাও কোথায় অস্থায়ী, দমকা হাওয়া সহ মাঝারি-ভারী এবং অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

তিনি আরো বলেন, আগামী ২ থেকে ৩ দিন এই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। এসময় নদী বন্দরগুলোতে ২ নম্বর এবং সমুদ্র বন্দরের জন্য ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও বরিশাল নদী বন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ সকল রুটে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


রাজবাড়ীতে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীতে এক ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ১৫ বছর বয়সী মোঃ রাতুল মোল্লা নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সে সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামের মোঃ রহিম মোল্লার ছেলে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে রাতুল মোল্লাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে, রবিবার (৫ জুলাই) ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন এবং সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ জুলাই দুপুরে শিশুটির মা মেয়েকে বাড়ীতে রেখে বাইরে যান। সেই সময়ের সুযোগ নিয়ে রাতুল মোল্লা বিস্কুট খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে ডেকে একটি ঘরের মধ্যে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ চেষ্টায় লিপ্ত হয়। ওই সময় মামলার বাদীর উপস্থিতি বুঝতে পেরে রাতুল দৌড়ে পালিয়ে যায়। শিশুটির মা মেয়েকে খুঁজতে আশেপাশের বিভিন্ন স্থানে যান। তিনি এগিয়ে আসার পর মেয়েটি চিৎকার শুরু করে।

রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, শিশুটির মা রাতুলের বিরুদ্ধে রবিবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে রাতুলকে ওই মামলার একমাত্র আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পুলিশ আসামী রাতুলকে আদালতে প্রেরণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৫ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ৩৫১ টাকা। বিগত অর্থবছরের তুলনায় এই পরিমাণ রাজস্ব প্রায় দ্বিগুণ। এর মাধ্যমে স্বচ্ছ ও ডিজিটাল ভূমি সেবার মানোন্নয়ন হয়েছে, যা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহল ও সাধারণ মানুষের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা।

আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় সরেজমিনে ভূমি সেবার মান পর্যবেক্ষণের সময় এসব তথ্য জানা যায়। ভূমি অফিসের সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি উন্নয়ন কর থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ৭ লাখ ২৮ হাজার ৪৬২ টাকা। অনলাইনে আদায়কৃত নামজারি ফি থেকে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ১৭০ টাকা। চলনাদিত্ব (মিউটেশন) নবায়ন বাবদ ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৫৬ টাকা, ডিপি লিজ মানি থেকে ৫ লাখ ১ হাজার ৯৬৪ টাকা, এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা রাজস্ব।

এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ৩ বছরের মধ্যে এবারের রাজস্ব আদায়টি রেকর্ড পরিমাণ। এতে জুনায়াত জেলার প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশাসনের এধরনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন সেবাপ্রার্থী ও নাগরিক এলাকার বাসিন্দা মো. আইনল হক এবং অনেকেই।

তবে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা জানান যে, এই প্রশংসনীয় ফলাফল জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সচেতনতার ফলেই সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, "স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিতের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এলক্ষে ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা দ্রুত, সহজ, এবং হয়রানিমুক্ত ভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডিজিটাল সেবার প্রসারে কাজ চলছে।"

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিমুদ্দিন বলেন, "বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় প্রশংসনীয়। একজন কর্মকর্তা যদি তার আত্মরক্ষা এবং পরিশ্রম দিয়ে দায়িত্ব পালন করে, তবে দেশ ও মানুষ উপকৃত হয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাড়ি ভাঙচুর ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবিতে লালমোহনে বি-ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


গাড়ি ভাঙচুর ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবিতে লালমোহনে বি-ক্ষোভ

ভোলা জেলার বাস মালিক সমিতির শ্রমিকদের সন্ত্রাস বাহিনী দ্বারা সিএনজি চালকদের উপর প্রতিনিয়ত নির্যাতন, গাড়ি ভাঙচুর করা সহ গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে ভোলার লালমোহনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ভোলা লালমোহনের চৌ- রাস্তা চত্বরে লালমোহন উপজেলা সিএনজি মালিক শ্রমিক সম্মিলিত পরিষদ এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেন।

এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক সিএনজি চালক ও পরিবহন শ্রমিক অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোলার বিভিন্ন সড়কে বাস মালিক সমিতির প্রভাবশালী একটি মহল সিএনজি চালকদের গাড়ি আটকে অবৈধ চাঁদা দাবি, মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। এতে চালকদের স্বাভাবিকভাবে জীবিকা নির্বাহ ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি সিএনজিতে করে যাত্রী নেওয়ার সময় বিভিন্ন পয়েন্টে বাস মালিক সমিতির স্টাফরা সিএনজি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। প্রতিবাদ করলে তারা সিএনজি শ্রমিকদের মার ধর করে গাড়ি আটকে রাখেন। ফলে বিগত সময়ে সিএনজি চালকরা বারবার হয়রানির স্বীকার হয়ে ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারছেনা। অনেক ড্রাইভার ও মালিকদের ঋণের কিস্তি বাড়ছে।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে আগে ট্রাফিক পুলিশ জরিমানা করলেও বর্তমানে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতে বাস মালিক সমিতির লোকজন চালকদের মারধর ও হয়রানি করছে। দক্ষিণ আইচার চালক কামাল ফরাজীসহ একাধিক চালক হামলার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।

সিএনজিতে পাঁচজন যাত্রী বহনের সুযোগ, স্বল্পমূল্যে গ্যাস সরবরাহ, শ্রমিকদের ওপর হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজির ক্ষতিপূরণ, আহত চালকদের চিকিৎসা, চরফ্যাশনে সিএনজির জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং প্রচলিত পরিবহন আইন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকার নিশ্চিতসহ ১০টি দাবি তুলে ধরা হয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভোলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বাস মালিক সমিতির কোনো সদস্য সিএনজি চালকদের মারধর বা গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নয়। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ ও আনসার সদস্যরা কেবল আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দাবি করেন, বিআরটিএর বিধি অনুযায়ী সিএনজিতে তিনজন যাত্রী বহনের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু অনেক চালক সামনের আসন পরিবর্তন করে পাঁচজন যাত্রী বহন করছেন, যা আইনবহির্ভূত। এছাড়া আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কে সিএনজির চলাচলও বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বক্তব্য রাখেন লালমোহন উপজেলার যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবীর হাওলাদার, লালমোহন সিএনজি মালিক সমিতি ঐক্য পরিষদ এর সভাপতি মো: শাহিন হাওলাদার, সিএনজি মালিক মো: বিল্লাল হোসেন, মো বাহার সহ আরো অনেকেই বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ লাখ মানুষকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে দিন-রাত কাজ সেনাবাহিনী ও পাউবোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


১০ লাখ মানুষকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে দিন-রাত কাজ সেনাবাহিনী ও পাউবোর

 

বর্ষাকাল শুরুর ৩ সপ্তাহ আগে ভবদহ সংলগ্ন কেশবপুর-মনিরাপুর এবং সাতক্ষীরার তালা, খুলনার ডুমুরিয়ার ১০ লাখ মানুষের পানিবদ্ধতার অভিশাপ থেকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড রাতদিন কাজ করে চলেছেন।

আকর্ষিক বৃষ্টি শুরুতে কেশবপুর পৌর এলাকায় একাধিক স্থানে সদ্য খননকৃত নদীর মাটি পাশসহ নদীর মধ্যে ধসে পড়ার ফলে নদী পাড়ের বাসিন্দাদের বসতঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থলে সারা জীবনের পরিদর্শন কালে দেখা যায় হরিহর নদীর কেশবপুর পৌর এলাকা বালিয়াডাঙ্গা অংশে পার ধসে পড়া এলাকার বাড়িঘর রক্ষায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৬ মিটার বল্লী বসিয়ে সঙ্গে ডাউন সিট স্থাপন করা হচ্ছে বাড়িঘর রক্ষা করার কাজের জন্য।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জি ইনকিলাবকে জানান, কেশবপুর পৌরশহরে মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হরিহর নদীর বালিয়ডাঙ্গা এলাকায় ১শ ৩০ মিটার জায়গায় মাটির মান খারাপ থাকায় খনন পরবর্তী ধ্বসে যাওয়াই তাৎক্ষণিক সেনাবাহিনীর সহায়তায় বলি পুতে পাড় রক্ষার কাজ চলমান রয়েছে। ১৪০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শেষের মেয়াদ আগামী জুন-২৭। বৃষ্টি কাল শুরুর কারণে এখনো বাকি ৩৭ শতাংশ কাজ আগামী বছর শুষ্ক মৌসুমে শেষ করা হবে।

খনন কাজ কেশবপুর পৌর শহর অংশে এসে শহর অংশের দুই পাড়ের জমির মালিকদের অভিযোগ আপত্তির কারণে এলাকায় নদী খননে কিছু বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন খনন কাজ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টরা। অনেকেই জমির কাগজপত্র নিয়ে হাজির হয়ে বলছেন, নদীর মধ্যে মালিকানা সম্পত্তি রয়েছে আবার অনেকেই খুটি পুতে দিয়েছেন। সে বিষয়টি দেখে সচেতন মহল প্রশ্ন করছে কিভাবে সম্ভব। অনেকের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে এখানে নদীই ছিলোনা।

এ বিষয়ে নদ পাড়ের বাসিন্দা শহরের বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যাড, মফিজুর রহমান বলেন, শহর এলাকায় নদ খননে নকশা পরিবর্তন করা হলে বর্ষা মৌসুমে নদীর স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হবে এবং পানিবদ্ধতা মারাত্মক আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে। খননের পরেও যদি নদী তার স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে না পায় তবে তীরে বসবাসকারী অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর ভাঙন বা ধসের আশংকা রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছে। প্রভাবশালী দখলদাররা জায়গা বাঁচাতে নদীর মূল নকশা পরিবর্তন করা সহ নানা অপচেষ্টা করছে অনেকে। কেশবপুরের মানবাধিকার কর্মী শামিম আক্তার মুকুল বলেছেন, ১৮/১৯ অর্থ বছরের হরিহর নদের প্রশস্ততা বজায় রেখে খনন কাজ না করার ফলে বর্ষা মৌসুমে কেশবপুর-মনিরাপুরের পানিবদ্ধতা মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। তাই নদীর নাব্যতা ফেরানোর জন্য এবার সেনাবাহিনী খনন কাজের মান পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দৃশ্যমান প্রত্যাশা করেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী বলেন, আগামী ২০জুলাই - ২৬জুলাই বর্ষা কাল শুরু। সেই হিসাবে আগামী ১০ জুলাই এর মধ্যে ভবদহ এলাকার প্রকল্পভিত্তিক ৬ নদীর সাথে যুক্ত সকল খালের মুখ উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। খালের মধ্যে যত বাদ রইছে সেগুলো অপসারণ করে দেওয়া হবে। যাতে নদীগুলি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

মোটামুটি হরিহর নদের বেশিরভাগ অংশ খনন কাজ সম্পন্ন করায় এবছর কেশবপুর-মনিরামপুর ও তালা উপজেলার সিংহভাগ মানুষের পানিবদ্ধতার অভিশাপ থেকে রেহাই পাবেন। নদী খননে, সি এস পড়চা এবং নদের বাস্তবতা বিবেচনা করে খাল খনন করা হচ্ছে। বিশেষ করে নদী খননের সময় সরকারি স্থাপনার ক্ষতি সাধন না করে, জনসাধারণের সম্পদের ক্ষতি কমিয়ে এবং নদীর ডিজাইন অক্ষুণ্ণ রেখে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ১৪০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৬টি নদীর ৮১.৫০০ কিলোমিটার নদী পুনঃখনন কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় হরিহর নদীর খনন কাজ চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%