ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধানমন্ডিতে ডিএসসির অভিযানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ


ধানমন্ডিতে ডিএসসির অভিযানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ধানমন্ডি লেক এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে একটি অভিযান পরিচালনা করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ধানমন্ডি এলাকা এবং পার্কের ভেতর ও বাইরের ইজারা-বহির্ভূত সকল অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করে এলাকাটি পুরোপুরি পরিষ্কার করা হয়েছে।

ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের যৌথ নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন: সরকারি চাকরি কি ‘আলাদিনের চেরাগ’? ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী সাইফুল সার্ভেয়ারের জমি ও ভবনে বিনিয়োগ ৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮২ হাজার টাকার বেশি, অর্থের উৎস কোথায়?

সম্পত্তি কর্মকর্তা হাছিবা খান জানান, জনস্বার্থে এবং পার্কের সৌন্দর্য রক্ষার লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ ধরনের উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাল দখলমুক্তে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জিয়াউদ্দিন হায়দার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ এম


খাল দখলমুক্তে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জিয়াউদ্দিন হায়দার

খাল দখলমুক্ত করা নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঝালকাঠি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিকনা এলাকায় গৃহীত উচ্ছেদ অভিযানের উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, খালের জমি দখলমুক্ত হলে শহরের পানির নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরও কার্যকর হতে পারে এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, খালের জমিতে গড়ে ওঠা যেকোনো অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে। খাল দখলমুক্ত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে খালের সীমানায় যেকোনো স্থাপনা ভেঙে সরিয়ে নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পৌর এলাকার খালগুলো দখলমুক্ত রেখে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার অন্যান্য খালগুলোতেও একই ধরনের উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুয়েট শিক্ষার্থীদের বকেয়া হল ফি ৭২ লাখ টাকা, বিপাকে প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ এম


রুয়েট শিক্ষার্থীদের বকেয়া হল ফি ৭২ লাখ টাকা, বিপাকে প্রশাসন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের হল ফি ও সংশ্লিষ্ট খাতে বকেয়ার পরিমাণ ৭২ লাখ টাকার বেশি। বিপুল পরিমাণ বকেয়া আদায় করা নিয়ে হল প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি বকেয়া আদায়ে একাধিক কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন আবাসিক হলে জমা বকেয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক হলে, যেখানে শিক্ষার্থীদের বকেয়া পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা। অন্যদিকে শহীদ লে. সেলিম হলে বকেয়া দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ টাকা, শহীদ আব্দুল হামিদ হলে ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলে ১১ লাখ টাকা বকেয়া আছে।

অন্যদিকে, শহীদ শহিদুল ইসলাম হলে প্রায় তিন লাখ ৬৭ হাজার টাকা, ছাত্র হল-১-এ দুই লাখ ২০ হাজার টাকা, টিনশেড হলে গত তিন থেকে চার মাসে গড়ে দুই লাখ টাকা এবং ছাত্রী হল-২-এ প্রায় এক লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। ছাত্র হল-২ থেকে এতদিনে এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে ছাত্রী হল-১-এ কোনো বকেয়া নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

হল প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত বেতন পরিশোধ করলেও একটি অংশ দীর্ঘ সময় ধরে হল ফি বকেয়া রেখে দিচ্ছে। এ কারণে বকেয়ার পরিমাণ দিনে দিনে বাড়ছে, ফলে হল পরিচালনার বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে রুয়েটের ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, বকেয়া পরিশোধের জন্য ইতোমধ্যে সব হলে নোটিস দেওয়া হয়েছে। পরে কিছু শিক্ষার্থী তাদের বকেয়া পরিশোধ করেছে। হলের নীতিমালা অনুযায়ী তিন মাসের বেশি বকেয়া রাখার সুযোগ নেই, কিন্তু বাস্তবে ছয় মাসেরও বেশি সময়ের বকেয়া দেখা যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এ সমস্যা সমাধানে অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হলে বেতন বকেয়া থাকলে পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন সুবিধা বাতিলের বিষয়টি একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। আগামী মাস থেকেই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন হল কুপন এবং সব ধরনের পেমেন্ট অনলাইনে চালু হবে। এতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বকেয়া রাখার সুযোগ থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতাই সবচেয়ে জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে হল ফি পরিশোধ, কুপন সংগ্রহ এবং নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বকেয়া আদায় অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি বকেয়াসংক্রান্ত তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং এত দীর্ঘদিনের বকেয়া জমে থাকার প্রবণতা কমে আসবে।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের বিদ্যমান নীতিমালার বিধান অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থী যদি তিন মাসের বেশি সময় হল ফি বকেয়া রাখে, তাহলে তার আবাসিক সিট বাতিল হবে। তবে বাস্তবে দীর্ঘদিন এ বিধান কঠোরভাবে কার্যকর না হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বেতন পরিশোধ করতে উদাসীন হয়ে পড়েছে।

প্রশাসনের মতে, নীতিমালার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বকেয়ার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইকে কটাক্ষ করলে একজন শিল্পী হিসেবে লজ্জিত হই: শিবা শানু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ এম


জুলাইকে কটাক্ষ করলে একজন শিল্পী হিসেবে লজ্জিত হই: শিবা শানু

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি চৌধুরী মাজহার আলী (শিবা শানু) মন্তব্য করেছেন যে, যখন একজন শিল্পী জুলাইকে কটাক্ষ করেন—তখন তিনি শিল্পী হিসেবে লজ্জা অনুভব করেন। তিনি বলেন, তাদের কী ধরনের ব্যাখ্যা দেয় বা কী বলে, তা দেখে অবাক হন। তিনি প্রশ্ন করেন, একজন শিল্পী হওয়া কি এত সহজ? যার ভেতরে আবেগ নেই, যার চেতনার বোধ নেই এবং যার বিবেক কাজ করে না—সে কি আদৌ শিল্পী হতে পারে?

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় ফিল্ম আর্কাইভে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা গুলি বলেছিলেন।

চৌধুরী মাজহার জুলাই যোদ্ধাদের ও শহীদ পরিবারের প্রতি আশ্বস্ত করে বলেন, অন্য কেউ থাকুক বা না থাকুক, আমরা আছি। আমি আছি এবং আমার ভাইরা আছেন। আমাদের মতো অনেক শিল্পী আছেন যারা দেশের পক্ষে, জনগণের পক্ষে এবং জুলাই যোদ্ধাদের ও শহীদ পরিবারের জন্য কাজ করবেন। তিনি বলেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন যাতে আমরা সব সময় আপনাদের পাশে থাকতে পারি।

তিনি আরো বলেন, আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিলাম। কখনো জেলখানায়, আবার কখনো সরাসরি রাজপথে আন্দোলন করেছি। অনেকের হয়ত পালানোর জায়গা ছিল, কিন্তু আমরা যারা শিল্পী—আমার সাথে আমার একজন সহযোগী হেলাল ভাইও আছেন—আমাদের পালানোর কোনো জায়গা ছিল না। কারণ, সবাই আমাদের চিনতো; কোথায় পালাবো আমরা? তারপরও মানুষের অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা রাজপথে অটল ছিলাম।

তিনি বলেন, একটি কথা বলি—সব চলে যাওয়া মানেই কিন্তু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। অনেকে চলে গেলেও তারা পেছনে অনেক কিছু রেখে যান। যেমনটি রেখে গেছেন আমাদের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদরা। তারা হয়ত আজ শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাদের সেই দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ রয়ে গেছে। যে লক্ষ্য নিয়ে তারা বুকের রক্ত দিয়ে এ দেশের মানুষকে মুক্ত করেছে, তাদের সেই চেতনা যদি আমরা হৃদয়ে ধারণ করে পথ চলতে পারি, তবেই তাদের আত্মা শান্তি পাবে।

একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই প্রতিজ্ঞা হতে হবে বলে মাজহার মনে করেন। তিনি বলেন, প্রথমে নিজের মনের ভেতর থেকে স্বৈরাচারী মনোভাব ও দুর্নীর্তিকে দূর করতে হবে। তিনি বলেন, আমি যদি বিশ্বাস করি যে আমি নিজে দুর্নীতি করব না এবং আমার মতো সবাই যদি একই বিশ্বাস ধারণ করে, তবে দেশ এমনিতেই দুর্নীতিমুক্ত হয়ে যাবে।

জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমি আপনাদের সাথে রাজপথে ছিলাম। যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের কাতারে আমি নেই বলেই আজ এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। তবে তিনি জানান, তার বাকি জীবনটা আপনাদের সেবায়, আপনাদের সঙ্গে কাটানোর জন্য তিনি আজ অঙ্গীকার করেছেন। আপনাদের যেকোনো সমস্যায় বা প্রয়োজনে সহযোদ্ধা হিসেবে তাকে স্মরণ করবেন; তিনিpromise করেন তার সবটুকু দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

এছাড়া তিনি একটি ঘটনা তুলে ধরে বলেন, একটু আগে একটি ছোট মেয়ে তার কাছে এসে বললো ‘আংকেল আমি আর আমার জুলাই শহীদ আব্বা একসাথে আপনার ছবি দেখতাম। আজ আমার আব্বা নেই’। এই ধরনের স্মৃতিচারণ, এই দৃশ্যগুলো তাকে অনেক ব্যথিত করে। তিনি জানান, আন্দোলনের সময়কার অনেক আঘাত তার শরীরের ভেতরে রয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে তার শোল্ডার এবং হাত ব্লক হয়ে যায়। তারপরও তিনি পথ চলার চেষ্টা করছেন। তিনি ভবিষ্যতেও আপনাদের সাথে, জুলাই যোদ্ধাদের সাথে কাজ করে যেতে পারেন এজন্য দোয়া চাইলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে কারণে ৩০ ঊর্ধ্ব মার্কিন সেনাদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ এম


যে কারণে ৩০ ঊর্ধ্ব মার্কিন সেনাদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ঘোষণা করেছেন যে, ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সি সক্রিয় ও রিজার্ভ সেনাসদস্যদের জন্য বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি (টেস্টোস্টেরন ডেফিসিয়েন্সি) পরীক্ষা করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাদের শারীরিক সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় হেগসেথ জানিয়েছেন, সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ সক্ষমতায় দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নিশ্চিত করতেই এই কর্মসূচিটি চালু করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান যে, যাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কম পাওয়া যাবে, তাদেরকে স্বেচ্ছাভিত্তিতে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (এইচআরটি) নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে ৩০ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা ঐচ্ছিক থাকবে।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বিভাগ সেনাদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ ভিত্তি তথ্যভান্ডার তৈরি করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী টার্গেটেড চিকিৎসার মাধ্যমে একটি সুস্থ, সক্ষম ও কার্যকর যুদ্ধশক্তি বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

তবে, এই পরীক্ষা নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কি না, কিংবা বয়সজনিত হরমোন পরিবর্তনের জন্য তাদের ইস্ট্রোজেনভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হবে কি না—এ বিষয়ে পেন্টাগন কোনো মন্তব্য করেনি।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর ও ইরাক যুদ্ধের সাবেক সেনাসদস্য ট্যামি ডাকওর্থ নারী ও পুরুষ উভয় সেনাসদস্যের জন্য হরমোন পরীক্ষা চালুর আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কংগ্রেস সদস্য ক্রিসি হুলাহান এই উদ্যোগকে ‘সংস্কৃতিযুদ্ধের আরেকটি বিতর্কিত পদক্ষেপ’ বলে সমালোচনা করেছেন।

বেইলর কলেজ অব মেডিসিনের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহিত খেরা বলেন, ৩০ বছরের বেশি বয়সি পুরুষদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কম টেস্টোস্টেরনের কারণে পেশিশক্তি, কর্মশক্তি ও মানসিক সক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করেন যে, উপসর্গ না থাকলে শুধুমাত্র পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে হরমোন দেওয়া উচিত নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির ফলে পেশিশক্তি বৃদ্ধি, শরীরে চর্বি কমানো, বিষণ্নতার ঝুঁকি হ্রাস এবং হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধির মতো উপকার পাওয়া যেতে পারে। তবে এটি সবার জন্য উপযুক্ত নয়।

ডা. খেরা আরও বলেন, তরুণ বয়সে অপ্রয়োজনীয় টেস্টোস্টেরন গ্রহণ করলে বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং হৃদ্রোগের সম্ভাবনাও কিছুটা বাড়াতে পারে।

এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র টেস্টোস্টেরনভিত্তিক চিকিৎসা সহজলভ্য করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পাশাপাশি, দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) টেস্টোস্টেরন থেরাপি-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ শিথিলের প্রস্তাবও দিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%