০৮:২৩ পি.এম
সোনারগাঁওয়ের নদী-খাল রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসন সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় বক্তারা সেখানকার ঐতিহাসিক পঙ্খীরাজ নদী এবং এর আশেপাশের খালগুলো পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
তারা পূর্বে উল্লেখ করেছেন যে, সোনারগাঁওয়ের খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে অল্প বৃষ্টিতে চরম জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে, ফলে স্থানীয়রা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ছেন।
আজ অনুষ্ঠিত ‘নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক পঙ্খীরাজ নদীসহ অন্যান্য নদী ও খাল রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব দাবি ও বক্তব্য রাখেন। সোনারগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি’র উদ্যোগে এটি আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা
বক্তারা এ সময় আরো জানালেন, সোনারগাঁওয়ে একসময় শতাধিক খাল ছিল, কিন্তু কয়েক দশকের ব্যবধানে সেই খালগুলো অবৈধ দখলদারদের হাতে দখল হয়ে গেছে। পাশাপাশি, অনেক খালে শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের দূষিত বর্জ্য ফেলায় দূষণের কবলে পড়েছে।
সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে, সদস্য সচিব রবিউল হুসাইনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক কবি রহমান মুজিব, লেখক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, সাহিত্য নিকেতনের উপদেষ্টা মতিউর রহমান, উদীচী শিল্পগোষ্ঠী সোনারগাঁও শাখার সভাপতি শংকর প্রকাশ, লেখক মোয়াজ্জেনুল হক, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের অর্থ সম্পাদক সেলিম আহমেদ প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোফাখখার সাগর, সাংবাদিক এরশাদ হুসাইন এবং কামরুল ইসলাম পাপ্পু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সোনারগাঁওকে ঘিরে মেঘনা, শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদী রয়েছেন। বর্তমানে শীতলক্ষ্যা এবং ব্রহ্মপুত্র নদী দখল ও দূষণে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। যদিও মেঘনার প্রবাহ বর্তমানে কোনোরকমে স্বাভাবিক রয়েছে, তবে এটি যেকোনো সময় দূষণের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে সোলার প্যানেলে উৎপাদন হবে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন