বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৯ পি.এম
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ মাছ ১০ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে শাহজাহান ব্যাপারীর আড়তে নিলামে মাছটি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী বিষু ব্যাপারী। নিলামে অংশগ্রহণকারী অন্তত ১৭ জন ব্যবসায়ী ছিলেন।
জানা গেছে, উপজেলার হরণী ইউনিয়নের জেলে জাহেদ মাঝির জালে ইলিশটি ধরা পড়ে। রোববার সকালে ১২ জন জেলেকে নিয়ে সাঙ্গু গ্যাসফিল্ডের কাছে নদীতে মাছ ধরতে যান জাহেদ মাঝি। সোমবার রাতে জাল ফেলার পর মঙ্গলবার তা তোলার সময় জালে বড় ইলিশটি আটকা পড়ে। পরে মাছটি চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে নিয়ে এসে আড়তে বিক্রি করা হয়।
ইলিশের ক্রেতা বিষু ব্যাপারী বলেন, "আমি ১০ হাজার ৯০০ টাকায় ইলিশটি কিনেছি। মাছটি ঢাকার মোকামে পাঠাব। সেখানে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারব। রাজধানীতে বড় ইলিশের বিশেষ চাহিদা রয়েছে।"
জেলে জাহেদ মাঝি বলেন, "জালে বড় ইলিশটি পাওয়ার পর আমরা খুব খুশি হয়েছি। মাছটি ছাড়াও আরও মাছ ধরেছি। সব মিলিয়ে চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছি।"
আড়তদার শাহজাহান ব্যাপারী বলেন, "জাহেদ মাঝি সাগর থেকে বড় ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিয়ে তার আড়তে আসেন। এর মধ্যে ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটির দাম নিলামে ১০ হাজার ৯০০ টাকা ওঠে। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা বিষু ব্যাপারীর কাছে মাছটি বিক্রি করা হয়।"
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন বলেন, "এবার ইলিশ কম পাওয়ায় জেলেরা হতাশ। তবে মাঝেমধ্যে বড় আকারের কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে। বড় ইলিশ দেখে ভালো লাগছে, যদিও অনেকেই তা কিনতে পারছেন না।"
এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. ফয়জুর রহমান বলেন, "এবার তুলনামূলকভাবে কম মাছ ধরা পড়ছে। এর মধ্যে দু-একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। আশা করছি, ভরা পূর্ণিমায় আরও বেশি মাছ ধরা পড়বে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু কিংবা স্বাভাবিক শিশু, কোনো শিশুকেই শিক্ষার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নবজাতক থেকে শুরু করে সমাজের প্রবীণ নাগরিক পর্যন্ত সকলকে একত্রিত করা হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ইসফেনদিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে ‘লিডো বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘ইয়াং জার্নালিস্ট চেঞ্জমেকার্স: ভয়েস ফর ভালনারেবল চিলড্রেন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিশুকে মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন একজন সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরিবার থেকেই নৈতিক শিক্ষার চর্চা শুরু করা প্রয়োজন। পরিবারহীন শিশুদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকার বিভিন্ন ছোটমণি নিবাস ও শিশু নিবাস পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিশুদের আশ্রয় ও শিক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণও প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো জনকল্যাণমূলক সামাজিক উদ্যোগ ও কার্যক্রমকে পৃষ্ঠপোষকতা করা সরকারের দায়িত্ব। সরকার কারও প্রতিপক্ষ নয়; বরং সরকার ও জনগণ একে অপরের পরিপূরক ও সম্পূরক।
এ সময় সংকীর্ণ সমালোচনা পরিহার করে বিদ্যমান সামর্থ্য ও সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সবাইকে দেশসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আয়োজিত মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে সুবিধাবঞ্চিত ও অভিভাবকহীন শিশুরা সরাসরি মন্ত্রীর কাছে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা তুলে ধরে। বিশেষ করে অভিভাবকহীন শিশুদের জন্মনিবন্ধন সনদ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন নাগরিক সেবা পেতে প্রশাসনিক জটিলতার বিষয়টি উঠে আসে।
শিশুদের এসব সমস্যার কথা সহমর্মিতার সঙ্গে শোনেন মন্ত্রী। তিনি বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (লিডো) শিক্ষক ও মানবাধিকারকর্মীদের উদ্যোগে পরিচালিত একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। পথশিশু, নির্যাতিত শিশু ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের সুরক্ষায় সংস্থাটি নিরাপদ আশ্রয় ও জরুরি সেবা প্রদান করে আসছে।
শিশুদের সার্বিক বিকাশকে দেশের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে লিডো শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার মাধ্যমে পথশিশুদের মানবিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব, এসওএস চিলড্রেন ভিলেজের কান্ট্রি ডিরেক্টর, সেভ দ্য চিলড্রেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অ্যাটর্নি-জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সাক্ষাৎটি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে, অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।
তিনি রাষ্ট্রের স্বার্থ এবং আইনগত অধিকার সুরক্ষায় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি দেশের সংবিধানের সর্বোচ্চতা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রের আইনগত স্বার্থ সংরক্ষণ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, জনগণের অধিকার সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা পালনের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি-জেনারেলকে তার দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঝিনাইগাতি সীমান্ত অঞ্চলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিভিন্ন ব্রান্ডের ভারতীয় কসমেটিক এবং একটি ট্রলি জব্দ করেছে, যার মোট মূল্য ১৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে ৩৯ বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল ঝিনাইগাতি উপজেলার গজনী সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা সমমূল্যের ভারতীয় কসমেটিক এবং পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলি জব্দ করা হয়।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ বাসসকে জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ যেকোনো ধরণের চোরাচালানের মালামাল পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতে এ কঠোর নজরদারি ও দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-এর তথ্য যাচাই প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে, ট্রাম্প ওই ভাষণে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক যুদ্ধের বিষয়ে একাধিক বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করেছেন।
এপির তথ্যানুসারে, ট্রাম্পের উল্লেখযোগ্য ভুল ও বিভ্রান্তিকর দাবিগুলো হলো:
যুদ্ধ বন্ধের দাবি: ট্রাম্প দাবি করেন যে, তিনি তার প্রেসিডেন্ট পদে থাকা অবস্থায় একাধিক যুদ্ধ বন্ধ করেছেন এবং বেশ কিছু দেশকে সংঘাত থেকে বিরত রেখেছেন। তবে এপির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসব দাবির পেছনে কোনো সঠিক তথ্য বা স্বীকৃত আন্তর্জাতিক চুক্তির অস্তিত্ব নেই।
অর্থনৈতিক ও শুল্ক পরিসংখ্যান: যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে আরোপিত শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প যে পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেছেন, সেগুলো বাস্তবের তুলনায় অনেক বেশি বাড়িয়ে বলা হয়েছে।
জলবায়ু ও পরিবেশ: আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি এবং বৈশ্বিক নিঃসরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে ট্রাম্পের প্রদত্ত বিভিন্ন তথ্য ও ডেটা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে এপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বনেতাদের সামনে এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য উপস্থাপন নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ