বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৯ এম
ভিডিও গেম থেকে সিনেমা নির্মাণের প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার বড় পর্দায় আসছে জনপ্রিয় ফাইটিং গেম ‘স্ট্রিট ফাইটার’। আগামী ১৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিক মুক্তির পাশাপাশি বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্যাপকমের জনপ্রিয় এই গেম সিরিজ অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি একাধিক পরিচিত চরিত্র, রোমাঞ্চকর লড়াই এবং নানা ষড়যন্ত্রের গল্পের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে। সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ হলো কারাতে, কুংফু সহ বিভিন্ন ধরনের লড়াইয়ের কৌশল। গেমের জগৎকে বড় পর্দায় নতুনভাবে উপস্থাপন করাই নির্মাতাদের অন্যতম লক্ষ্য।
সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন নোয়া সেন্টিনিও, অ্যান্ড্রু কোজি ও জেসন মোমোয়া। জেসন মোমোয়া সবুজ চামড়ার যোদ্ধা ব্ল্যাঙ্কা চরিত্রে অভিনয় করছেন। এছাড়া ভারতের জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা বিদ্যুৎ জামওয়াল ধালসিম চরিত্রে দেখা যাবে। রোমান রেইন্সের উপস্থিতি সিনেমাটির প্রতি দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন কিতাও সাকুরাই। পরিচালকের মতে, প্রচলিত ভিডিও গেমভিত্তিক সিনেমার ধরন থেকে কিছুটা আলাদা হয়ে তিনি নিজস্ব শৈলীতে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। ফলে গেমটির পরিচিত চরিত্র ও লড়াইগুলো চলচ্চিত্রে কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে ‘আ মাইনক্রাফট মুভি’, ‘দ্য সুপার মারিও ব্রোস. মুভি’ ও ‘রেসিডেন্ট ইভিল’-এর মতো ভিডিও গেমভিত্তিক সিনেমাগুলো দর্শকদের নজর আকর্ষণ করেছে। এবার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’। গেমটির ভক্তদের পাশাপাশি অ্যাকশন সিনেমাপ্রেমীদের কাছেও ছবিটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হতে যাচ্ছে আগামী শুক্রবার। এই দিন ‘মহা ষষ্ঠী’তে দেবী দুর্গার আনুষ্ঠানিক জাগরণ বা ‘বোধন’ অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, শনি ও রোববার এই দুই দিন জুড়ে ‘মহা সপ্তমী’ তিথি থাকায়, পরদিন থেকেই দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
‘মহা সপ্তমী’তে ‘নবপত্রিকা’র আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হবে; এতে দেবীর বিভিন্ন রূপের প্রতীক হিসেবে নয়টি উদ্ভিদকে স্নান করিয়ে পূজা করা হয়।
সোমবার উদযাপিত হবে ‘মহা অষ্টমী’, যার বিশেষ আকর্ষণ হলো ‘সন্ধিপূজা’ যা অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়।
পরদিন ‘মহানবমী’তে পূজার শেষ ধাপের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে এবং দেবীকে ‘ভোগ’ নিবেদন করা হবে। উৎসবের শেষ দিনে ভক্তরা দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন এবং প্রতিমা বিসর্জনের জন্য শোভাযাত্রা সহকারে নির্ধারিত নদী, পুকুর বা জলাশয়ে নিয়ে যাবেন।
সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস ও পঞ্জিকামতে, জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবী দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যে আগমন করবেন। অন্যদিকে, দেবী নৌকায় চড়ে স্বর্গলোকে গমন করবেন।
এই বিশাল উৎসবের মাত্র দুদিন আগে, প্রতিমা শিল্পী ও কারিগররা এখন প্রতিমায় শেষ মুহূর্তের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কারণ মন্দির ও অস্থায়ী পূজামণ্ডপগুলো এই বৃহত্তম ও জমকালো উৎসব আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে, সরকার এ বছর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দুর্গাপূজার ছুটি তিন দিন পর্যন্ত বর্ধিত করেছে।
শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সাথে এই বর্ধিত ছুটি যুক্ত হয়ে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর বাসস’কে বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। এমন সিদ্ধান্তের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’
দেশজুড়ে পূজা কমিটি, মন্দির ও মণ্ডপগুলো পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ব্যস্ত সময় পার করছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যান্ডেল নির্মাণ ও সাজসজ্জা, প্রতিমা স্থাপন, আলোকসজ্জার ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি।
উৎসব চলাকালীন ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্ন চলাচলের বিষয়টি নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীও কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এই উৎসবটি গভীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য বহন করে।
এটি অসুররাজ মহিষাসুরের বিরুদ্ধে দেবী দুর্গার বিজয়কে স্মরণ করিয়ে দেয় এবং অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, মহিষাসুর এমন এক বর লাভ করেছিলেন যার ফলে কোনো পুরুষের হাতে তাঁর মৃত্যু ছিল অসম্ভব। এই ক্ষমতার বলে তিনি দেবতাদের জন্য হুমকি হয়ে ওঠেন। তখন দেবতারা তাঁদের সম্মিলিত ঐশ্বরিক শক্তির মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে সৃষ্টি করেন, যিনি মহিষাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শেষ পর্যন্ত তাঁকে পরাজিত ও বদ করেন।
গত ১০ অক্টোবর হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহালয়া উদযাপন করেছেন। যা দেবী দুর্গার আগমনের বার্তা বয়ে আনে।
উৎসব যতই ঘনিয়ে আসছে, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য স্থানের মণ্ডপগুলো জমকালো সাজসজ্জা, বর্ণিল আলোকসজ্জা এবং শৈল্পিক থিমের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাচ্ছে। উৎসব চলাকালে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা মণ্ডপগুলোতে সমবেত হয়ে প্রার্থনা করবেন, প্রসাদ গ্রহণ করবেন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দুর্গাপূজা কেবল একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবেই নয়, বরং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও উদযাপিত হয়।
এই উৎসব হিন্দু সম্প্রদায় ও অন্যান্য ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে, যা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্যকেই তুলে ধরে।
সরকার আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বর্ধিত সরকারি অনুদান এবং ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুর্গাপূজার মণ্ডপগুলোর জন্য সরকারি অনুদান ৪ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার পূজামণ্ডপের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৫০০টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৮৫১ তে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পূজামণ্ডপগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
মণ্ডপ আয়োজকদের সার্বক্ষণিক জেনারেটর প্রস্তুত রাখার এবং বিদ্যুৎ বা জেনারেটর বিকল হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রিচার্জেবল লাইট বা বাতি রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের প্রতিটি পূজামন্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মন্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গনে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হবে।
রাজধানীতে কেন্দ্রীয় পূজা উৎসব হিসেবে পরিচিত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মন্ডপে পূজার পাশাপাশি ভক্তিমূলক সঙ্গীতানুষ্ঠান, বস্ত্র বিতরণ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আরতি প্রতিযোগিতা ও বিজয়া শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজারসহ বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে দূর্গাপূজা উপলক্ষে ব্যাপক আয়োজন চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বখ্যাত নারী বৈমানিক অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের নিখোঁজ বিমানের রহস্যের সমাধান আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মিলতে পারে বলে আশা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষক দল। তারা দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপের কাছে বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করার জন্য অভিযান শুরু করেছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিভ শুলৎজ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ইনস্টিটিউটের রিচার্ড পেটিগ্রিউয়ের নেতৃত্বে গবেষকরা অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেন। তাদের বিশ্বাস, সেখানে ইয়ারহার্টের নিখোঁজ লকহিড ইলেকট্রা ১০-ই মডেলের বিমানের ধ্বংসাবশেষ থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে পেটিগ্রিউ জানান, ইয়ারহার্টের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নিদর্শন পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুলৎজ জানান, তারা এখনো তথ্য সংগ্রহের পর্যায়ে রয়েছেন।
গবেষকরা কিরিবাতির নিকুমারোরো দ্বীপের উপকূলসংলগ্ন একটি অগভীর জলাশয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন। তাদের মূল লক্ষ্য ‘তারাইয়া অবজেক্ট’ নামে পরিচিত একটি রহস্যময় বস্তু। ১৯৩৮ সাল থেকে তোলা আকাশপথের বিভিন্ন ছবিতে বস্তুটির অস্বাভাবিক আকৃতি দেখা গেলেও ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো উপগ্রহচিত্রে বিষয়টি গবেষকদের নজরে আসে। পরবর্তী সময়ে ওই ছবিই নতুন অনুসন্ধান অভিযানের পরিকল্পনা করতে উৎসাহ জোগায়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনুসন্ধানের কাজে বাধা সৃষ্টি হয়। তবে গবেষকেরা আশা করছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বস্তুটি আসলে কী, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
অনুসন্ধানস্থলটি এতটাই দুর্গম যে ১৭ সদস্যের গবেষক দলটির সেখানে পৌঁছাতে সমুদ্রে পাঁচ দিন যাত্রা করতে হয়েছে।
পেটিগ্রিউ জানান, সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করা হবে। এরপর জলাশয়ের তলদেশের পলি সরাতে জলচালিত বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বস্তুটির প্রকৃতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
১৯৩৭ সালের ২ জুলাই পৃথিবীর নিরক্ষরেখা বরাবর উড়ে বিশ্বভ্রমণ সম্পন্ন করার প্রচেষ্টার সময় নিখোঁজ হন অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট ও তার সহকারী নাবিক ফ্রেড নুনান। তাদের যাত্রাপথের প্রায় ২২ হাজার মাইল অতিক্রম করার পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
নিকুমারোরো দ্বীপটি প্রশান্ত মহাসাগীয় দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির অংশ। অস্ট্রেলিয়া ও হাওয়াইয়ের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থিত এই দ্বীপটি হাউল্যান্ড দ্বীপের প্রায় ৪০০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে। গবেষকদের ধারণা, বিশ্বভ্রমণের ওই অভিযানে হাউল্যান্ড দ্বীপই ছিল ইয়ারহার্ট ও নুনানের শেষ গন্তব্য।
দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা বিশ্বের অন্যতম রহস্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। গবেষক পেটিগ্রিউয়ের ভাষ্য, এ ধরনের অনুসন্ধানের জন্য তাদের পরিকল্পনা ও উদ্যোগ সম্পূর্ণ নতুন।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯.৯৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এটি আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৮.৮৫৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১২.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১.৪০৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ১.২৭০ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১০.৬ শতাংশ বেশি।
শুধুমাত্র ১৩ অক্টোবর তারিখে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ১১৫ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন।
রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়কে শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে এবং চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে বৈদেশিক খাতকে সমর্থন প্রদান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে মেহজাবীন উল্লেখ করেন, "এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়। এটি একটি অপরাধ।" তিনি যোগ করেন, "কিন্তু যখন একই কনটেন্ট শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকে, তখন বিষয়টি শুধু একজন ব্যক্তির অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি আরও বড় একটি সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে। তখন প্রশ্ন জাগে, সমাজ হিসেবে আমরা আসলে কোন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি?"
মেহজাবীন বলেন, "এই পর্যায়ে এসে সেই পুরোনো কথাটাও আর বলতে ইচ্ছে করে না যে, একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত! কারণ কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে, তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?"
তিনি আরও লেখেন, "কিছু ভিউ, কিছু লাইক, কিছু শেয়ার, ট্রেন্ডিংয়ে থাকা, হয়তো সেখান থেকে কয়েকটা ডলার আয়। আমি বুঝি, মানুষের জীবনে সংগ্রাম আছে। অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করাই এখন জীবিকা নির্বাহের একটি উপায়। সেই বাস্তবতাকে আমি অস্বীকার করতে চাই না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?"
মেহজাবীন এই বিষয়টি কেবল নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "ভিউ, এনগেজমেন্ট আর ট্রেন্ডিংয়ের এই প্রতিযোগিতা এখন লিঙ্গের সীমারেখাও ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিকর কিছু ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ হতে পারে যে কেউ, আবার এর শিকারও হতে পারে যে কেউ।"
অভিনেত্রী আরও বলেন, "আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই মানুষটি নয়, যে এমন কিছু তৈরি করছে। বরং সেই অসংখ্য মানুষ, যারা স্বেচ্ছায় সেটি শেয়ার করছে, আলোচনা করছে এবং আরও হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নিয়ে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, ভেবে দেখতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ