বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৫ এম
চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯.৯৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এটি আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৮.৮৫৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১২.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১.৪০৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ১.২৭০ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১০.৬ শতাংশ বেশি।
শুধুমাত্র ১৩ অক্টোবর তারিখে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ১১৫ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন।
রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়কে শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে এবং চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে বৈদেশিক খাতকে সমর্থন প্রদান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে মেহজাবীন উল্লেখ করেন, "এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়। এটি একটি অপরাধ।" তিনি যোগ করেন, "কিন্তু যখন একই কনটেন্ট শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকে, তখন বিষয়টি শুধু একজন ব্যক্তির অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি আরও বড় একটি সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে। তখন প্রশ্ন জাগে, সমাজ হিসেবে আমরা আসলে কোন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি?"
মেহজাবীন বলেন, "এই পর্যায়ে এসে সেই পুরোনো কথাটাও আর বলতে ইচ্ছে করে না যে, একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত! কারণ কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে, তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?"
তিনি আরও লেখেন, "কিছু ভিউ, কিছু লাইক, কিছু শেয়ার, ট্রেন্ডিংয়ে থাকা, হয়তো সেখান থেকে কয়েকটা ডলার আয়। আমি বুঝি, মানুষের জীবনে সংগ্রাম আছে। অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করাই এখন জীবিকা নির্বাহের একটি উপায়। সেই বাস্তবতাকে আমি অস্বীকার করতে চাই না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?"
মেহজাবীন এই বিষয়টি কেবল নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "ভিউ, এনগেজমেন্ট আর ট্রেন্ডিংয়ের এই প্রতিযোগিতা এখন লিঙ্গের সীমারেখাও ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিকর কিছু ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ হতে পারে যে কেউ, আবার এর শিকারও হতে পারে যে কেউ।"
অভিনেত্রী আরও বলেন, "আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই মানুষটি নয়, যে এমন কিছু তৈরি করছে। বরং সেই অসংখ্য মানুষ, যারা স্বেচ্ছায় সেটি শেয়ার করছে, আলোচনা করছে এবং আরও হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নিয়ে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, ভেবে দেখতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে নারী জিমন্যাস্টদের পোশাক পরিবর্তন ও টয়লেট ব্যবহারের সময় গোপনে ভিডিও ধারণের অপরাধে এক সাবেক কোচকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) মিসিসিপির একটি জিমন্যাস্টিকস কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের গোপনে ভিডিও ধারণের ঘটনায় শন গার্ডনার নামের ৩৯ বছর বয়সী ওই কোচকে এই সাজা দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক ক্রিস্টি জনসন অভিযুক্ত শন গার্ডনারকে সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন। শিশুদের যৌন শোষণমূলক ভিডিও তৈরির তিনটি ফেডারেল অভিযোগে দোষ স্বীকার করার কারণে প্রতিটি অভিযোগে তাকে ৩০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই সাজা কার্যকর হলে, তার জীবদ্দশায় মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।
গত বছরের গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই গার্ডনারকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মিসিসিপির পারভিস এলাকার একটি জিমন্যাস্টিকস প্রশিক্ষণকেন্দ্রের শৌচাগারে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের ভিডিও ধারণ করেন তিনি।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অন্তত ১০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর নগ্ন অবস্থায় থাকা বা পোশাক পরিবর্তনের দৃশ্যের ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েক বছর পর আইওয়ায় জিমন্যাস্টদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে তার কম্পিউটার থেকে এসব ভিডিও উদ্ধার করা হয়।
আইওয়ার ওয়েস্ট ডেস ময়েনসের চৌ’স জিমন্যাস্টিকস অ্যান্ড ড্যান্স ইনস্টিটিউটে কাজ করার সময় গার্ডনারের বিরুদ্ধে আরও কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন, আবার কেউ দেওয়ানি মামলা করেছেন। তবে আইওয়ার এসব অভিযোগের ঘটনায় গার্ডনারের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় মামলার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গার্ডনার একসময় যুক্তরাষ্ট্রের যুব জিমন্যাস্টিকস অঙ্গনের পরিচিত কোচ ছিলেন। তিনি সম্ভাবনাময় কয়েকজন তরুণ জিমন্যাস্টকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এছাড়া আইওয়ায় প্রতিবছর অনুষ্ঠিত শীতকালীন একটি প্রতিযোগিতার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে শত শত জিমন্যাস্ট অংশ নিতেন। ওই প্রশিক্ষণকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন খ্যাতিমান কোচ লিয়াং ‘চৌ’ কিয়াও, যিনি অলিম্পিক পদকজয়ী ক্রীড়াবিদ তৈরির জন্য পরিচিত।
গার্ডনারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্টিকস কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন নারীর আইনজীবীর অভিযোগ, ২০১৭ সালেই যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্টিকস সংস্থা এবং ক্রীড়াঙ্গনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা সংস্থাকে গার্ডনারের অনুপযুক্ত আচরণ সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে খেলাধুলার অঙ্গন থেকে সরিয়ে দিতে যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
২০২২ সালে এক জিমন্যাস্ট যৌন নিপীড়নের (ধর্ষণ) অভিযোগ তোলার পর নিরাপত্তাসংক্রান্ত সংস্থাটি গার্ডনারকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে। একই বছর চৌ’স জিমন্যাস্টিকস কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে।
নিরাপত্তাসংক্রান্ত সংস্থাটি জানিয়েছে, তদন্তে তারা জানতে পারে, চৌ এবং অন্যান্য কয়েকজন কোচ গার্ডনারের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ সম্পর্কে জানতেন। কিন্তু নীতিমালা অনুযায়ী তা সংস্থাটিকে জানাননি।
গার্ডনারের বিরুদ্ধে অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্ত না করার দাবিতে করা দুটি মামলায় মে মাসে ওই নিরাপত্তাসংক্রান্ত সংস্থাকে পক্ষ হিসেবে বাদ দেন একজন বিচারক। তার পর্যবেক্ষণ ছিল, ফেডারেল আইনের আওতায় সংস্থাটি দায়মুক্তির অধিকারী।
তবে গার্ডনার, যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্টিকস সংস্থা এবং চৌ’স জিমন্যাস্টিকসের বিরুদ্ধে করা আরও কয়েকটি দেওয়ানি মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
সূত্র: এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে একটি ছোট উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে শিশুসহ অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে, স্থানীয় সময়, অঙ্গরাজ্যের ম্যাডিসন শহরের ডেলোনা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সৌক কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ডের (এনটিএসবি) তথ্যমতে, উড়োজাহাজটি ২৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ার সময় বরফ জমতে শুরু করে। পাইলট কন্ট্রোল রুমের কাছে নিচে নামার অনুমতি চান। অনুমতি পাওয়ার পর উড়োজাহাজটি ডানদিকে ঘুরে দ্রুত নিচে নামতে থাকে। একপর্যায়ে, কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে এর যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সেটি বিধ্বস্ত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সংবিধানে সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য কোনো বিধান নেই। এ কারণে, সংশোধন প্রক্রিয়া বিদ্যমান সংবিধানের আওতায় সম্পন্ন করতে হবে। এ বিষয়ে সংবিধানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা মন্তব্য করেছেন যে, সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিকভাবে জয়ী হওয়ার মানসিকতা সংশোধন ইস্যুতে কাঙ্ক্ষিত দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাঁদের মতে, দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য ভবিষ্যতে বিপদের শঙ্কা তৈরি করতে পারে। বিশ্লেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, আইনি কাঠামোর মধ্যে আসা সংশোধনীতে মূলনীতিতে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত।
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নির্বাচনের পর সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতানৈক্য শুরু হয়। যদিও সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে নির্দিষ্ট অংশীদারিত্ব রাখা হলেও বিরোধীদলীয় জোট সেখানে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানায়।
সংশোধন ও সংস্কার, এই দুই শব্দের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে যখন সরকার ও বিরোধী দলের বিতর্ক তুঙ্গে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, সংস্কার পরিষদ গঠনের বিধান না থাকার কারণে বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, সংবিধানের মূলনীতিতে পরিবর্তন এনে ভবিষ্যতে বিতর্কের সুযোগ তৈরি না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিরোধীপক্ষের অংশ না নেওয়া একটি কৌশল বলেও বিশ্লেষকরা অভিমত প্রকাশ করেছেন। তবে, অনৈক্য থেকে গেলে ভবিষ্যতে বিপদের শঙ্কা তাঁদের জন্য রয়ে যাবে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কে এম মহিউদ্দিন মন্তব্য করেছেন, ‘সংবিধান সংশোধন করতে হলে বর্তমান সংবিধানের অধীনে করতে হবে। যদি সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তন করা হয়, তবে প্রচণ্ড বিরোধিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা, নির্বাহী বিভাগের প্রভাব কমানো এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, এসব বিষয় সংবিধান সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত এখানে মূল খেলোয়াড়। উভয়েই রাজনৈতিক খেলায় জয়ী হতে চাচ্ছে। এটি করতে গিয়ে সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া হয়তো সঠিক হবে, কিন্তু সংবিধান সংস্কারের ফলাফল দীর্ঘমেয়াদি হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।’
অন্যদিকে, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কাজী জাহেদ ইকবাল বলেছেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদ গঠনের কোনো সুযোগ নেই। চব্বিশের ৫ আগস্টের পরের কার্যকলাপগুলোকে বৈধতা দেওয়া এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে বৃহত্তর সাংবিধানিক পরিবর্তন প্রয়োজন, যা ১৮ নম্বর সংশোধনীতে থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক পক্ষগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধানের ভালো সংশোধনী হওয়া উচিত। তা না হলে ভবিষ্যতের জন্য একটি জটিলতা থেকে যাবে।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, জনগণের সম্মতির বাইরে সংবিধানের অন্য কোনো পরিবর্তনে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোযোগ দেওয়া উচিত নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ