১০:৩১ পি.এম
শীত মৌসুমের আগেই ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা বৃদ্ধি করেছে রাশিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার কিয়েভের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে মস্কো।
দিনিপ্রো নদীর ওপর নির্মিত সাদার্ন ব্রিজে দুই দফায় রুশ হামলা সংঘটিত হয়। এই সেতুটি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংযোগ পথ। কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
টেলিগ্রামে প্রকাশিত ভিডিওতে সেতুর পিলারের কাছে বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়। হামলার সময় সেতুর ওপর দিয়ে সড়ক যানবাহন ও মেট্রো ট্রেন চলাচল করছিল। হামলার পর সেতুটি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও পরে আবার খুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা
কিয়েভ সিটি স্টেট প্রশাসন জানায়, ‘প্রাথমিক পরিদর্শনে বিশেষজ্ঞরা স্থাপনাটিতে কোনো গুরুতর ক্ষতি পাননি।’
সাম্প্রতিক সময়ে কিয়েভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আকাশপথে হামলার আশঙ্কায় ইউক্রেনের রাজধানীকে সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থায় রাখা হচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের ওপর দূরপাল্লার হামলা বন্ধের সম্ভাবনা নাকচ করে দেন।
এর আগে বুধবার কিয়েভ জানায়, জ্বালানি খাতে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা শীতের আগে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা অচল করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত অভিযানের সূচনা। রাশিয়া বর্তমানে জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করছে, যা দ্রুতগতির এবং প্রচলিত মডেলের তুলনায় ভূপাতিত করা কঠিন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা সের্হি বেস্ক্রেসনভ জানান, রাশিয়া এখন বিদ্যুতের খুঁটি ও ইস্পাতের সেতু কাঠামো ধ্বংসের জন্য নতুন ড্রোন ব্যবহার করছে।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর দাপট কমে, ইসরাইলে ক্ষমতার চাবি ফিলিস্তিনিদের হাতে
তবে, ইউক্রেনের জ্বালানি খাতকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার কথা মস্কো স্বীকার করেছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণমাত্রার হামলা শুরুর পর থেকে তারা বরাবরই এই কৌশল অবলম্বন করে আসছে।
ইউক্রেনের পারমাণবিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, বুধবার রাশিয়ার একটি ড্রোন কিয়েভের নিউক্লিয়ার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চত্বরে আঘাত হানে। তবে এতে পরীক্ষামূলক চুল্লিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২২ সাল থেকেই চুল্লিটি বন্ধ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন