ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পের আঙ্কারা সফর ঘিরে এফ-১১০ যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন পাওয়ার আশা তুরস্কের


ট্রাম্পের আঙ্কারা সফর ঘিরে এফ-১১০ যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন পাওয়ার আশা তুরস্কের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আঙ্কারা সফরকে কেন্দ্র করে ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মন্তব্য অনুযায়ী, এই সফরের মাধ্যমে তুরস্ক কিছু এফ-১১০ যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন সংগ্রহের পথে অগ্রসর হতে পারে। কিন্তু এর পাশাপাশি, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘকালীন টানাপোড়েনের বিষয়টি, বিশেষ করে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচি সম্পর্কিত বিরোধের সমাধান সম্ভাবনা নেই।

৭ ও ৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। সম্মেলনে সামরিক জোটের ৩২ সদস্য দেশের নেতারা উপস্থিত থাকবেন। ইস্তাম্বুল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।

গত মাসে, তুরস্কের এফ-১১০ যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন সংগ্রহ এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে পুনরায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে ট্রাম্প জানান, তিনি এরদোগানকে 'খুব খুশি' করবেন। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এর অর্থ হতে পারে কেএএএন স্টেলথ যুদ্ধবিমান প্রকল্পে প্রয়োজনীয় যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন সরবরাহের জন্য অনুমোদন দেওয়া হতে পারে।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলামকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আহ্বান রাশেদ খাঁনের

ইস্তাম্বুলভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইডামের পরিচালক সিনান উলগেন এএফপিকে বলেন, 'কেএএএন যুদ্ধবিমানের জন্য প্রায় ৪০টি এফ-১১০ জিই ইঞ্জিন সরবরাহে সবুজ সংকেত মিলতে পারে। কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল; তবে সেগুলো সম্ভবত দূর হতে শুরু করেছে।'

তিনি আরও জানান, 'তুরস্ক ইতোমধ্যে এফ-১১০ ইঞ্জিন ব্যবহার করে কেএএএনের দুটি প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে, যা উড্ডয়ন করছে। তবে আরও কেএএন প্ল্যাটফর্ম তৈরির জন্য অতিরিক্ত ইঞ্জিন সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছে।' কেএএএন হলো তুর্কির অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (টিএআই) দ্বারা নির্মিত দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট একটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান। এটি তুরস্কের বিমানবাহিনীর এফ-১৬ বহরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়াসহ পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী দেশের কাতারে আঙ্কারার যুক্ত হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। যদিও ভবিষ্যতে এই যুদ্ধবিমানে তুরস্কের নিজস্ব তৈরি ইঞ্জিন ব্যবহৃত হবে। কারণ, এফ-১১০ ইঞ্জিনের স্টেলথ সক্ষমতা নেই। তবে তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের গত সেপ্টেম্বর মাসে জানান, দেশীয় ইঞ্জিন তৈরির প্রকল্প এখনও প্রাথমিক নকশা পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি গত সেপ্টেম্বর মাসে বলেন, 'তুরস্ক প্রথম দফায় ১০টি এফ-১১০ ইঞ্জিন পেয়েছে এবং আরও ৮০টি ইঞ্জিন সংগ্রহের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।' তুরস্কের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি জোর দেওয়ার প্রেক্ষিতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গত সেপ্টেম্বর মাসে বলেন, ২০১৭ সালে রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে রাজনৈতিক অনুমোদন না মেলার ফলে ইঞ্জিন সরবরাহ আটকা পড়েছে।

আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তা উপেক্ষা করে ফ্রান্সের রাজপথে লাখ লাখ বিক্ষোভকারী

এ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওয়াশিংটন ২০১৯ সালে তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় এবং এক বছর পরে 'কাউন্টারিং আমেরিকাস অ্যাডভার্সারিজ থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্ট' (ক্যাটসা) অনুযায়ী তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে দেশটির প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলো বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। ফিদান আরও উল্লেখ করেন, 'ক্যাটসা-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান জরুরি। এফ-৩৫ এবং কেএএএন; উভয় ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কেএএএনের ইঞ্জিন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষমাণ।'

তুরস্কের এই বক্তব্য দেশটিতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কারণ, আঙ্কারা পূর্বে জানিয়েছিল যে, কেএএএন সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হবে। এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ পড়ার ফলে তুরস্ককে আরও বেশি আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের দিকে মনোযোগ দিতে হয়েছে।

আঙ্কারায় জার্মান মার্শাল ফান্ডের প্রধান ওজগুর উনলুহিসারচিকলি বলেন, 'অনেকে মনে করেন, আমাদের এফ-৩৫ কেনা উচিত নয়। বরং সেই অর্থ নিজেদের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করা উচিত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন রপ্তানির সিদ্ধান্তে ঠিক সেটাই ঘটছে।' তিনি আরও বলেন, 'এই ইঞ্জিন ছাড়া তুরস্ক কেএএন যুদ্ধবিমান তৈরি করতে পারবে না।'

এফ-৩৫ ইস্যুতে অচলাবস্থা এখনও বহাল রয়েছে। কেএএন সরবরাহ শুরু হতে অনেক সময় লাগবে। এখনও পর্যন্ত মাত্র ইন্দোনেশিয়া ৪৮টি যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। তবে উলগেনের মতে, ন্যাটো সম্মেলনের পরে আরও কিছু দেশের আগ্রহ সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

তিনি বলেন, 'জার্মানি-ফ্রান্সের এফসিএএস উদ্যোগের ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে কিছু দেশের আগ্রহ দেখা যেতে পারে। স্পেন সম্ভাব্য অংশীদার হতে পারে, এবং উপসাগরীয় দেশগুলোও আগ্রহী হতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এটি বিশ্বাসযোগ্য প্রস্তাব হয়ে উঠতে হলে আরও অনেক বাধা অতিক্রম করতে হবে।'

বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন, এফ-৩৫ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সম্ভাবনা কম৷ কারণ, ক্যাটসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য কংগ্রেসের সম্মতি প্রয়োজন এবং তুরস্কের এস-৪০০ ব্যবস্থা সরিয়ে ফেলতে হবে, যেটি তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রির জন্য রাশিয়ার অনুমতি প্রয়োজন। আর রাশিয়াকে এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

ইস্তাম্বুলের কাদির হাস বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মুস্তাফা আইদিন বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন হয়তো এ বিষয়টি পেছনে ফেলে তুরস্ককে কিছু এফ-৩৫ বিক্রি করতে চাইবে। তবে বিষয়টি কংগ্রেসে যাবে, এবং কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা সহজ হবে না।'

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক এবং হোয়াইট হাউস ও পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ম্যাথিউ ব্রাইজা মনে করেন, ট্রাম্প যদি চান তবে এ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নিতে পারেন। কারণ, এফ-৩৫ কর্মসূচি ছিল নির্বাহী সিদ্ধান্তের বিষয়, যা তিনি সহজেই পরিবর্তন করতে পারেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে

তিনি এএফপিকে বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্যই ঘোষণা করতে পারেন যে, এস-৪০০ ও এফ-৩৫ বিরোধের অবসান ঘটেছে। তবে ক্যাটসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য কংগ্রেসের পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি কংগ্রেসকে রাজি করাতে পারবেন কি না, তা নির্ভর করবে এ বিষয়ে তিনি কতটা রাজনৈতিক মূলধন ব্যয় করতে প্রস্তুত।'

তিনি মন্তব্য করেন, গ্রিক ও আর্মেনীয় বংশোদ্ভূত তুরস্কবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এমন পদক্ষেপ নেওয়া ট্রাম্পের জন্য 'রাজনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল' হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার মনিটরিংয়ের ওপর জোর বাণিজ্য সচিবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার মনিটরিংয়ের ওপর জোর বাণিজ্য সচিবের

বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, এজন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং টিম লিডারদের নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে।

আজ (রোববার) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাজার মনিটরিং কাজে নিয়োজিত টিম লিডারদের দক্ষতা বৃদ্ধি’ বিষয়ক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্য সচিব আরও বলেছেন, বাজার তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান একটি অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে থাকে। এখানে সক্ষমতার ঘাটতির চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কার্যকর সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করা।

আরো বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মোটিভেশন শুধু একটি ধারণা নয়। এটিকে বাস্তব কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করতে হবে। অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কার্যকর কর্মপদ্ধতির মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।’

তিনি জানিয়েছেন, বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সরকারের আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থাও এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। বাস্তবে বাজারে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত দায়িত্ব। মাঠপর্যায়ে দ্রুত উপস্থিতি, সমন্বিত কার্যক্রম এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ সম্পন্ন করাই এ ব্যবস্থার মূল শক্তি।

টিম লিডারদের উদ্দেশে বাণিজ্য সচিব জানিয়েছেন, নেতৃত্ব হতে হবে দক্ষ, সময়োপযোগী ও ফলাফলনির্ভর। মাঠপর্যায়ে যেকোনো সমন্বয়হীনতা দ্রুত দূর করে কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করতে হবে।

তিনি আরও বলেছেন, প্রতিটি বিভাগের ছোট ছোট সফল উদ্যোগ সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করে। তাই প্রতিটি কর্মকর্তার পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দাকার আব্দুল মুক্তাদিরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন সচিব।

মো. আতাউর রহমান বলেন, মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শিগগিরই একটি পাওয়ার অ্যাপ উন্নয়ন, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেল চালু এবং বিদ্যমান বাজার মনিটরিং অ্যাপ আরও উন্নত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে বাজার নজরদারি আরও জোরদার হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) শিবির বিচিত্র বড়ুয়া। এছাড়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সেবাস্টিন রেমাসহ বাণिज্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্চ সেতু যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উন্নয়ন আনবে : এমপি ওয়াহাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


আর্চ সেতু যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উন্নয়ন আনবে : এমপি ওয়াহাব

ময়মনসিংহ নগরীর ব্রহ্মপুত্র নদের ওপরে নির্মিত হচ্ছে দেশের একমাত্র স্টিল আর্চ সেতু। এটি বাস্তবায়ন হলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটবে, এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

তিনি বলেছেন, এই স্টিল আর্চ সেতুটি হবে একটি দৃষ্টি নন্দন প্রকল্প। এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক একটি পর্যটন স্পটের মতো সুবিধা সৃষ্টি হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, জনচাহিদার পূরণে নির্মাণ পরিকল্পনায় কিছু সংশোধনীর প্রয়োজন রয়েছে যাতে ওভারপাস এবং আন্ডারপাসের গ্যাপ কমানো যায়। এ সেতু বাস্তবায়ন হলে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ এবং কুড়িগ্রামের মানুষ প্রকৃত সুফল ভোগ করতে পারবে।

গতকাল শনিবার বিকাল সাড়ে ৬ টায় নগরীর কেওয়াটখালী, রঘুরামপুর, র‌্যালি মোড় এলাকায় সেতু নির্মাণ কাজের বিভিন্ন স্পট পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা উল্লেখ করেন।

এ সময় তিনি নির্মাণ কাজের ধীরগতি নিয়ে দু:খ প্রকাশ করেন এবং বলেন, 'নির্মাণ কাজ এখন পর্যন্ত অনেকটাই ধীরগতি চলছে।' তবে সব ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করেই তাড়িৎগতিতে নির্মাণ কাজটি শেষ করার প্রয়োজন রয়েছে। এই জন্য তিনি জমি অধিগ্রহণ দ্রুত শেষ করার এবং স্থাপনাগুলো অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করার কথা বলেন। আশার কথা হলো, এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগের ৩০ জন সংসদ সদস্য ঐক্যমত পোষণ করেছেন।

পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, মহানগর বিএনপির সদস্য সৈয়দ শরীফ, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গোবিন্দ রায়, ওলামা দল নেতা আমীর হামজাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মোতাহার হোসেন তালুকদার সেতু নির্মাণ পরিকল্পনায় কিছুটা গ্যাপ থাকার মন্তব্য করে বলেন, 'সেতু নির্মাণ পরিকল্পনায় রঘুনাথপুর ও শম্ভুগঞ্জ মোড়ে জ্যাম কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে।' এজন্য তিনি শম্ভুগঞ্জ মোড়ে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এতে জনচাহিদার পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে এবং জনদুর্ভোগ লাঘব হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক (পিডি) প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার পরিদর্শন দলের কাছে প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরা সময় জানিয়ে বলেন, সেতুর মূল দৈর্ঘ্য হবে ৩২০ মিটার। তবে মূল সেতু ১১ শত মিটার দৈর্ঘ্য হবে। এ সেতুর মধ্যে ওভারপাস এবং আন্ডারপাস থাকবে। নগরীর জ্যাম কমাতে আরো ২টি ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে, এই ক্ষেত্রে আর্থিক সীমাবদ্ধতা উপস্থিত রয়েছে।

নির্মাণ কাজের ধীরগতি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে নির্মাণ কাজে কিছুটা ধীরগতি চলছে। তবে অধিগ্রহণকৃত ভূমির স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিলে কাজের গতি বাড়বে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নির্মাণ কাজের মাত্র ২১ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে এর অগ্রগতির পরিমাণ ৪৬ ভাগ। চুক্তি অনুযায়ী এ বছরের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও, জমি অধিগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা সহ নানা কারণে বিগত সময়ে নির্মাণ কাজের প্রত্যাশিত অগ্রগতি ঘটেনি। ফলে ১ হাজার ১০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হতে আরো কিছুটা সময় লাগবে।

জানা গেছে, নকশা অনুযায়ী স্টিল আর্চ সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৩২০ মিটার এবং ৭৮০ মিটার অ্যাপ্রোচ সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ৫৫১ মিটার সড়ক ওভারপাস, ২৪০ মিটার রেলওয়ে ওভারপাস এবং ৬ দশমিক ২০ কিলোমিটার স্লো মুভিং ভেইকুলার ট্রাফিক লেনসহ চারলেন মহাসড়ক নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ৩ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে অধিগ্রহণ ব্যতিত চুক্তি হয়েছে ২ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, 'কেওয়াটখালী সেতু হবে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম দৃষ্টিনন্দন স্টিল আর্চ সেতু।' এটি নির্মাণ হলে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটবে। এতে ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত স্থলবন্দর, ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের পথ আরো সুগম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামাস ও হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


হামাস ও হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

হত্যাকাণ্ডের শিকার ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের আগে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর পৃথক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, হামাসের শুরা কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ দারবিশের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তেহরানে আরাগচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে প্রতিনিধিদলটি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করে।

বৈঠকে মোহাম্মদ দারবিশ গাজার পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে একে ‘বিপর্যয়কর’ বলে অভিহিত করেন। তিনি ইসরায়েলকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইরানের দীর্ঘদিনের সমর্থনের প্রশংসা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে তেহরানের সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য ইরানকে অভিনন্দন জানান।

জবাবে আব্বাস আরাগচি শোকবার্তার জন্য হামাস প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি ইরানের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, একই দিনে আরাগচি হিজবুল্লাহর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গেও বৈঠক করেন। প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা ও লেবাননের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফনেইশ।

বৈঠকে ফনেইশ হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেমের পক্ষ থেকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে সমবেদনা জানান। পাশাপাশি লেবাননের প্রতি ইরানের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে তেহরানের সামরিক ও কূটনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

জবাবে আরাগচি হিজবুল্লাহর প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রশংসা করেন এবং সংগঠনটির নিহত সাবেক মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে লেবাননে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

সূত্র: আল-জাজিরা, ইরনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন সময়োপযোগী করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন সময়োপযোগী করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের বিস্তারের কারণে উদ্ভূত নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন, বিধি ও নীতিমালা সময়োপযোগী করা হবে। প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন যে, বিভিন্ন দেশের আইন পর্যালোচনা করে বাস্তবতার নিরিখে যুগোপযোগী সুপারিশ প্রণয়নের কাজ করতে হবে। আজ (রোববার) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আইন সময়োপযোগীকরণ এবং নতুন আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনযাপন, চিন্তাভাবনা, যোগাযোগ ও সামাজিক আচরণের সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তি খুব গভীরভাবে জড়িয়ে গেছে। প্রযুক্তি মানুষের জন্য যেমন আশীর্বাদ হয়ে এসেছে, তেমনি এর সঙ্গে নতুন ধরনের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে সেগুলোকে একটি কার্যকর আইনি কাঠামোর আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।’

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিদ্যমান সব আইন, বিধি, প্রবিধান ও নীতিমালা পর্যালোচনার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কোন আইন আধুনিকায়ন প্রার্থনীয়, কোথায় নতুন আইন প্রয়োজন, এবং কোন ক্ষেত্রে আইনি ঘাটতি রয়েছে সেসব উপাদান পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত সুপারিশ দেবেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একসময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যপরিধি মূলত প্রিন্ট মিডিয়া ও সম্প্রচারমাধ্যমের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের বিকাশের ফলে অসংখ্য নতুন মাধ্যম সৃষ্টি হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোই প্রচলিত আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের আইনি কাঠামো আধুনিকায়ন করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিভিন্ন নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। এসব দেশের আধুনিক আইন ও অভিজ্ঞতার অধ্যয়ন ও পর্যালোচনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের নিজস্ব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্যকর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা যায়।

তিনি যোগ করেন, সাইবার জগৎ, ডিজিটাল ট্রান্সমিশন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভিন্ন ভিন্ন সেবাকে সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনতে হলে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সংস্থা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, টেলিযোগাযোগ ও অবকাঠামো-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণেরও প্রয়োজন রয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নতুন চ্যালেঞ্জগুলো দ্রুত শনাক্ত করতে, অংশীজন নির্ধারণ করতে, দায়িত্ব বণ্টন ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণেরও নির্দেশনা দেন।

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী প্যানেলের সদস্যবৃন্দ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%