ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভিউ বাড়ানোর জন্য কখন পোস্ট করবেন? সফল হওয়ার সহজ কৌশল জানুন


ভিউ বাড়ানোর জন্য কখন পোস্ট করবেন? সফল হওয়ার সহজ কৌশল জানুন

ভালো ভিডিও বা ছবি বানিয়েও আশানুরূপ ভিউ পাচ্ছেন না? অথচ একই ধরনের কনটেন্ট অন্য কেউ প্রকাশ করেই লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। অনেকেরই এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাহলে কি ভাইরাল হওয়ার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট সময় বা কৌশল কাজ করে? বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো, শুধু ভালো কনটেন্ট তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। কখন নির্দিষ্ট সময়ে পোস্ট করা হচ্ছে, দর্শকের অভ্যাস কেমন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম কিভাবে কাজ করে এবং দর্শকের সঙ্গে কত দ্রুত যোগাযোগ তৈরি হচ্ছে—এসব বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী এক দশকের মধ্যে প্রতি তিনজনের একজন পেশাদার কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে রূপান্তরিত হবেন। অধিকাংশ পরিবারেই অন্তত একজন কনটেন্ট নির্মাতা থাকবেন। তাই সবার লক্ষ্য একটাই—বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো।

কখন পোস্ট করলে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব? গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে, বিশেষ করে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি থাকে।

আরও পড়ুন: কারওয়া চৌথ পালন করেন কেন হিন্দু নারীরা?

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সময়কে সবচেয়ে সক্রিয় সময় হিসেবে ধরা হয়। এই সময়ে অধিকাংশ মানুষ অবসর সময় কাটান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন। তাই এই সময়ে পোস্ট করলে ভালো সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

তবে বিশেষজ্ঞদের মত হলো, সবার জন্য একই সময় কার্যকর হয় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—আপনার নিজস্ব দর্শক কখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকেন। তাই নিয়মিতভাবে নিজের পেজ বা অ্যাকাউন্টের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করা উচিত।

শুধু পোস্টের সময় নয়, কনটেন্টের গুণগত মানও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমে বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে পছন্দের সংখ্যা ছাড়াও, একটি ভিডিও কতক্ষণ দেখা হয়েছে, কতজন শেয়ার করেছেন, সংরক্ষিত রেখেছেন বা মন্তব্য করেছেন—এসব বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যেসব কনটেন্ট সাধারণত ভালো ফল দেয়, সেগুলো হলো—ইন্টারেকটিভ, মানসম্মত এবং মৌলিক কনটেন্ট। তবে সঠিক সময়ে পোস্ট করলেই যে সেটি ভাইরাল হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর আগ্রহ অনুযায়ী কনটেন্ট উপস্থাপন করে। তাই দর্শকের চাহিদা বুঝে মানসম্মত, মৌলিক ও তথ্যবহুল কনটেন্ট তৈরি করাই দীর্ঘমেয়াদে সফলতার মূল চাবিকাঠি।

আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন ৩,৫০০ পর্যটক প্রবেশ করতে পারবেন, ফি ১০০ টাকা

বিভিন্ন মাধ্যমে পোস্ট করার সঠিক সময়ও ভিন্ন ভিন্ন। ছবি ও ভিডিও ভাগাভাগির মাধ্যমে: মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা এবং শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সময় ভালো। ছোট ভিডিও ও সাময়িক পোস্টের জন্য সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা কার্যকর।

সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে বড় মাধ্যমে: বুধবার থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে পোস্ট করলে তুলনামূলক ভালো ফল পাওয়া যায়। বিশেষ করে সকালবেলার সময় মানুষের উপস্থিতি বেশি থাকে।

পেশাজীবীদের যোগাযোগমাধ্যমে: মঙ্গলবার ও বুধবার সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সময় সবচেয়ে কার্যকর। কারণ কর্মদিবসের শুরুতে অনেকেই এই মাধ্যমগুলোতে সক্রিয় থাকেন।

স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওর মাধ্যমে: মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা অথবা সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পোস্ট করলে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা থাকে।

আরও পড়ুন: ২০২৮ সালে ১৫ দিনের ব্যবধানে দুইবার দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে

অ্যালগরিদম কেন সময়কে গুরুত্ব দেয়? পোস্ট প্রকাশের পর কত দ্রুত মানুষ পছন্দ, মন্তব্য বা শেয়ার করছে—অ্যালগরিদম সেটি বিশেষভাবে বিবেচনা করে। তাই অনুসারীরা যখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকেন, সেই সময় পোস্ট করলে শুরুতেই বেশি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। এর ফলে কনটেন্ট আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়।

নিজের জন্য সেরা সময় কীভাবে জানবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, গবেষণার তথ্য একটি সাধারণ ধারণা প্রদান করলেও সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। তাই, নিজের পেজ বা অ্যাকাউন্টের পরিসংখ্যান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে দেখা সবচেয়ে কার্যকর উপায়, জানেন কখন অনুসারীরা সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকেন। আর যদি বিভিন্ন দেশের দর্শকের জন্য কনটেন্ট প্রকাশ করেন, তাহলে নির্ধারিত সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পোস্ট করার সুবিধাও গ্রহণ করতে পারেন।

সংক্ষেপে, বেশি ভিউ পাওয়ার জন্য শুধুমাত্র ভালো কনটেন্ট নয়, সঠিক সময় নির্বাচন, দর্শকের চাহিদা বোঝা এবং ধারাবাহিকভাবে মানসম্মত কনটেন্ট প্রকাশ—এই তিনটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: রাতে ঘুম না এলে এড়িয়ে চলুন যেসব কাজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, দিশেহারা মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, দিশেহারা মানুষ

কুড়িগ্রামের রাজারহাটের রামহরি এলাকায় নদীভাঙন তীব্র হয়ে উঠছে। পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গত চার দিনে ওই মৌজার তিনটি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে স্থানীয় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা আরও ১৫ থেকে ২০টি বাড়ি সরানোর কাজ করেছেন।

সোমবার (২৯ জুন) ভোররাত থেকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং ভারী বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তার পানি সকালে দ্রুত বাড়তে শুরু করে। বিকেলে নদীর পানি বিপৎসীমা স্পর্শ করতে শুরু করলে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়ে যায়।

রাজারহাট উপজেলার রামহরি এলাকায় ব্যাপক ভাঙনের ফলে একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সোমবার সংকেত অনুযায়ী, তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই অবস্থায় ছিল। পানিবৃদ্ধির ফলে নদীর চরাঞ্চলের শত শত ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা ২৯.৩১ সেন্টিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার রেকর্ড অনুযায়ী, ওই পয়েন্টে নদীর পানি ২৯.২৮ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।

এদিকে জেলার দুধকুমার নদীতে বিপৎসীমা অতিক্রম করে ২৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এসব নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নদীর পানি ও ভাঙন পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানির আরও বৃদ্ধি পেলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

রামহরি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক আকলিমা বেগম বলেন, এবার বাড়ির বাকি কোনাটুকুও নদীতে গেলে আর উপায় থাকবে না। একই গ্রামের নুর মোহাম্মদ বলেন, আমরা সাতবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছি। এবার যদি বাকি অংশও নদীতে চলে যায়, তাহলে বাড়ি করার মতো আমাদের আর কোন জায়গা-জমি থাকবে না।

ঐ এলাকার মিলন মিয়া জানিয়েছেন, প্রতিবছর তিস্তার ভাঙন রোধে সরকারের শত শত কোটি টাকা ব্যয় হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। তাই তিস্তাপাড়ের মানুষের এখন একটাই দাবি—তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, কুড়িগ্রাম জেলায় গত ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাস ছিল, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাবে। এই পানি বৃদ্ধি ও হ্রাসের কারণে ভাঙন দেখা দিয়েছে। আমরা ৩৬টি পয়েন্ট চিহ্নিত করেছি, যেখানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেসব স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষ মুহূর্তের গোলে সমতায় ফিরল মরক্কো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


শেষ মুহূর্তের গোলে সমতায় ফিরল মরক্কো

নেদারল্যান্ডস জয় প্রায় নিশ্চিত করেই ফেলেছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের শুরুতে মরক্কোর দিয়পের গোলে পুরো খেলার সমিরকরণ বদলে যায়। ৯০+১ মিনিটে গোল করে তিনি ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরান।

গোলের পূর্বে মরক্কো একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায়, যদিও ডাচ রক্ষা ছিল দুর্ভেদ্য। ৮৫তম মিনিটে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি গোলমুখে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় দুর্দান্ত একটি ট্যাকলে তাকে থামিয়ে দেন অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক।

ম্যাচের শেষের দিকে দুই দলই একাধিক পরিবর্তন আনে। নতুন খেলোয়াড় নামিয়ে মরক্কো আক্রমণের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করে, অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস রক্ষা আরও শক্ত করার চেষ্টা করে।

তবুও শেষ রক্ষা হয়নি ডাচদের। যোগ করা সময়ে তালবি ডান দিক থেকে লম্বা বল প্রতিপক্ষের বক্সে ভাসিয়ে দেন। ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ একটা হেডে বল জালে পাঠান দিয়প। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি তার প্রথম গোল এবং সেই গোলেই বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন করে আশা জেগে ওঠে।

এর আগে ৭২তম মিনিটে কোডি গাকপোর গোলের মাধ্যমে এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস। তবে শেষ মুহূর্তের এই সমতাসূচক গোল ম্যাচটিকে নতুন নাটকীয় মোড়ে নিয়ে গেছে। এখন জয় নির্ধারণের জন্য দুই দলকে অতিরিক্ত সময়ে খেলতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুবিতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


কুবিতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং স্কলারশিপ চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড এবং স্পোর্টস স্কলারশিপ বাবদ মোট ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘International Academic Experience Sharing’ পর্বে, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোসা. শাহীনুর বেগম প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের অর্জনকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি ও উৎসাহ দেয়া প্রয়োজন। গবেষণা, ফেলোশিপ এবং স্কলারশিপ কার্যক্রমের ইতিবাচক দিকগুলো দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা আরও গবেষণামুখী ও উৎসাহিত হয়।

এর আগে ‘International Academic Experience Sharing’ পর্বে উপাচার্য সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান অ্যাওয়ার্ডস কর্মসূচির আওতায় অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “অস্ট্রেলিয়া সফর ঘুরে আমরা অনেকগুলো বিষয় দেখেছি, যা আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারি। তারমধ্যে রিসার্চ ও ইনোভেশন, শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি এবং শিক্ষায় এআই টুলসের যথাযথ ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয়ের কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত পরিবেশ আরও উন্নত করতে পারি। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে এবং যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্যাম্পাসকে একটি সবুজ ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে পারি।”

এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে, মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড ও স্পোর্টস স্কলারশিপের আওতায় মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৮ জন শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তি, ১৮২ জন শিক্ষার্থী অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড এবং ১২ জন অ্যাথলেট শিক্ষার্থী স্পোর্টস স্কলারশিপ পেয়েছেন। আরও ৭ জন শিক্ষার্থীকে ইউজিসি মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্কলারশিপের চেক গ্রহণ করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক স্পোর্টস স্কলারশিপের চেকও গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ এম


নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের মধ্যে অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচ হয়ে উঠেছে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার লড়াই। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে চলে গেছে।

যোগ করা সময়ে মরক্কোর ইসার দিয়প সমতাসূচক গোল করে দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনার পর, আফ্রিকার দলটি বাড়তি সময়েও আক্রমণের ধার বজায় রাখে। তারা বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে, লক্ষ্যযুক্ত সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।

তবে অতিরিক্ত সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত আসে ৯৭তম মিনিটে। মরক্কোর সুফিয়ান রাহিমি একেবারে গোল মুখে পৌঁছে একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যান। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন অত্যাধুনিক দক্ষতায় হাত ও পা দিয়ে বলটি ঠেকিয়ে দেন। ম্যাচে এটি ছিল তার পঞ্চম সেভ, যা ডাচদের বড় বিপদ থেকে রক্ষা করে।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছে। ভাউট ভেগহর্স্ট মরক্কোর দীর্ঘ সময়ের বল দখল ভেঙে দিলেও, পরে হাত দিয়ে বল স্পর্শের কারণে খেলা থেমে যায়।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগে দুই দলই মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ধৈর্যের সঙ্গে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু গোলের মতো পরিষ্কার সুযোগ খুব বেশি তৈরি হয়নি।

পুরো ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তাই তাদের টিকিয়ে রেখেছে। গুরুত্বপূর্ণ সেভ, কর্নার থেকে একের পর এক বল ফিরিয়ে দেওয়া এবং শেষ মুহূর্তের নিখুঁত ট্যাকল সব মিলিয়ে মরক্কোর একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে ডাচরা।

৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় শেষ হওয়া এই লড়াই এখনো যে কোনো দিকেই মোড় নিতে পারে। দুই দলই শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%