ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে


নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের মধ্যে অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচ হয়ে উঠেছে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার লড়াই। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে চলে গেছে।

যোগ করা সময়ে মরক্কোর ইসার দিয়প সমতাসূচক গোল করে দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনার পর, আফ্রিকার দলটি বাড়তি সময়েও আক্রমণের ধার বজায় রাখে। তারা বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে, লক্ষ্যযুক্ত সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।

তবে অতিরিক্ত সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত আসে ৯৭তম মিনিটে। মরক্কোর সুফিয়ান রাহিমি একেবারে গোল মুখে পৌঁছে একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যান। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন অত্যাধুনিক দক্ষতায় হাত ও পা দিয়ে বলটি ঠেকিয়ে দেন। ম্যাচে এটি ছিল তার পঞ্চম সেভ, যা ডাচদের বড় বিপদ থেকে রক্ষা করে।

আরও পড়ুন: মুস্তাফিজ বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন রেনেগেডসে খেলার প্রস্তাব পেয়েছেন

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছে। ভাউট ভেগহর্স্ট মরক্কোর দীর্ঘ সময়ের বল দখল ভেঙে দিলেও, পরে হাত দিয়ে বল স্পর্শের কারণে খেলা থেমে যায়।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগে দুই দলই মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ধৈর্যের সঙ্গে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু গোলের মতো পরিষ্কার সুযোগ খুব বেশি তৈরি হয়নি।

পুরো ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তাই তাদের টিকিয়ে রেখেছে। গুরুত্বপূর্ণ সেভ, কর্নার থেকে একের পর এক বল ফিরিয়ে দেওয়া এবং শেষ মুহূর্তের নিখুঁত ট্যাকল সব মিলিয়ে মরক্কোর একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে ডাচরা।

৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় শেষ হওয়া এই লড়াই এখনো যে কোনো দিকেই মোড় নিতে পারে। দুই দলই শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: আশিয়া কাপ আর্চারির ফাইনালে বাংলাদেশ, কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ মন্তব্য করেছেন, লেবাননের কোনো ভূখণ্ড দখলের মৌলিক লক্ষ্য তাদের নেই। তবে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনারা এক মিলিমিটারও অবস্থান থেকে সরে যাবে না।

সোমবার এই তথ্যটি ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দ্বারা জানানো হয়েছে। ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান লেবানন সফর করেন। ওই সফরের দিনে কাটজ এ মন্তব্য করেছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় লেবানন দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠিগুলোকে নিরস্ত্র করবে এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ভেঙে দেশের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। এরপরেই ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের পথ তৈরি হবে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহকে বিতাড়িত করার লক্ষ্য নিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত মোতায়েন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

যদিও গত রাতে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পুনরায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ওই এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হিজবুল্লাহর হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ওই অঞ্চলে একটি বিস্ফোরণে আইডিএফের একটি সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে।

কাটজ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, পরীক্ষামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দক্ষিণ লেবাননের দুটি নির্ধারিত স্থান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে। তবে এর বাইরে অন্য কোনো এলাকা থেকে সেনা সরানোর পরিকল্পনা নেই। এই কর্মসূচির আওতায় লেবাননের সেনাবাহিনী দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ভবিষ্যতে কোন কোন এলাকা থেকে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। কাটজ এই মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন, লেবাননের ভূখণ্ডের প্রতি ইসরায়েলের কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই, তবে হিজবুল্লাহ অস্ত্র সমর্পণ না করায় ইসরায়েল এক মিলিমিটারও সরে যাবে না।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, এ নীতির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রও সম্মত এবং ইসরায়েল-লেবানন চুক্তিতেও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কাটজের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ না থাকলে আইডিএফ লেবাননে হিজবুল্লাহর পতন ঘটাতে সক্ষম হতো। তিনি বলেন, ব্যাপক বিমান হামলার পরিকল্পনা ছিল, যা বাস্তবায়িত হলে হিজবুল্লাহ চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। তবে সে সময় নিজেদের রক্ষায় ইরানের কাছে সহায়তা চাইছিল গোষ্ঠীটি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন-ইরান আলোচনার সঙ্গে লেবানন ইস্যুকে যুক্ত করায় ইসরায়েলকে বৈরুতের উপর হামলা বন্ধ করতে হয়েছিল, যদিও এর আগে লেবাননের রাজধানীতে হিজবুল্লাহর অবস্থানে ব্যাপক হামলা হয়েছে। কাটজের বক্তব্যে যে বিষয়টি তাঁর কাছে দুঃখজনক তা হলেও, এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে করা হয়েছিল। কারণ ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা এগিয়ে নিতে খুবই আগ্রহী ছিল।

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা সম্পর্কিত তিনি বলেন, লেবাননের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান যদি ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়, তাহলে আইডিএফ তার জবাব দেবে এবং স্বাধীনভাবে অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি রেখেছে। কাটজ বলেন, ইরানে হামলার জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু প্রস্তুত রয়েছে এবং আইডিএফ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছে। তবে এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাতে ইসরায়েল হস্তক্ষেপ করবে না।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, দাবি নাকচ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, দাবি নাকচ করল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের উদ্দেশ্যে একটি চুক্তি নিয়ে আজ মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি বৈঠক হওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ইরান এই বৈঠকের অনুরোধ করেছে।

তবে এ বিষয়ে ইরানের বক্তব্য ভিন্ন। তারা জানিয়েছে, এ সপ্তাহে চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে কোনও কৌশলগত আলোচনা হওয়ার পরিকল্পনা নেই।

সোমবার, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে, ট্রাম্প লেখেন, 'ইরান একটি বৈঠকের অনুরোধ করেছে। আগামীকাল দোহায় সেই বৈঠক হবে।' অবশ্য বৈঠকে কোন কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বা কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, সে সম্পর্কে তিনি কোন বিস্তারিত তথ্য জানাননি।

এরপর হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপদেষ্টা এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার এ সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে দোহায় যাবেন। অপরদিকে, আলোচনার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক কূটনীতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, চলতি মাসের শুরুতে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে দোহায় বৈঠক হওয়ার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। সেই কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য গঠিত কারিগরি দলগুলো আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দোহায় বৈঠক করার সময় নির্ধারণ করেছে। সেইসঙ্গে সাম্প্রতিক হামলার পর পরিস্থিতি যাতে আবার উত্তেজনাপূর্ণ না হয়ে ওঠে, সে জন্য দুপক্ষের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

এদিকে, ইরান এই তথ্যের সঙ্গে একমত নয়। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, 'এ সপ্তাহে কোনো কারিগরি আলোচনা হবে, এমন খবর সঠিক নয়।' অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, সাম্প্রতিক হামলার পরও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা বন্ধ হচ্ছে না। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই আপাতত হামলা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালী এবং এর আশপাশ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে।

এই বৈঠকের ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন যুদ্ধবিরতি চুক্তি সইয়ের পর প্রথমবারের মতো হরমুজ প্রণালি পরিচালনার বিষয়ে ওমানের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইরান। একই সময়ে, ওয়াশিংটন ও তেহরান একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তেও পৌঁছেছে। তবে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে ইরানের ধারাবহিক পদক্ষেপের জবাবে তারা ইরানের ১০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান দাবি করেছে, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ এখনো রয়ে গেছে। এই বিষয়টি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। হরমুজ প্রণালির এক পাশে রয়েছে ইরান, অন্য পাশে ওমান। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে এই জলপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সোমবার, ইরান জানায়, যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে তাদের প্রথম বৈঠক হয়েছে। উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, মাসকাট সফরের সময় যৌথ হরমুজ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি কীভাবে পরিচালনা করা হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্যে পড়লেও সাধারণভাবে কোনো দেশ একতরফাভাবে এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে বা টোল আরোপ করতে পারে না। তবে রবিবার, ইরান সতর্ক করে বলেছে, তাদের নির্ধারিত নৌপথ এড়িয়ে অন্য কোনো পথ ব্যবহার করার চেষ্টা হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তেহরানের দাবি, হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরানের উপকূলসংলগ্ন নির্ধারিত করিডোর ব্যবহার করেই চলতে হবে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের পদ্ধতি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। এর মধ্যেই, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ নিয়ে নতুন করে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এবং ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, প্যারিস ও মাসকাট যৌথভাবে মাইন অপসারণ অভিযান পরিচালনা করবে। এর প্রতিক্রিয়ায় কাজেম গারিবাবাদি এক্সে লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী মাইন অপসারণের কাজ শুধু ইরানই করবে। অন্য কোনো দেশের এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল। তাই ফ্রান্সকে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে।

সামুদ্রিক নজরদারি প্রতিষ্ঠান ক্লেপলারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় একটি জাহাজে হামলার ঘটনার পর প্রণালিতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তাদের তথ্য বলছে, শনিবার প্রণালী দিয়ে ২৯টি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করলেও রবিবার সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১২টিতে। ক্লেপলার আরো জানিয়েছে, ওমানের জলসীমার দক্ষিণ দিকের করিডোর দিয়ে কোন জাহাজ চলাচল করেনি। অন্যদিকে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এএক্সএসমেরিনের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৪৪টি জাহাজ নিরাপত্তার কারণে প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান জানানো বন্ধ করে দিয়েছে।

প্রকাশিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওমান এবং উপসাগরীয় অন্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালির প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করবে ইরান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্রের প্রাণ সংসদ, আজ আন্তর্জাতিক সংসদবাদ দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ এম


গণতন্ত্রের প্রাণ সংসদ, আজ আন্তর্জাতিক সংসদবাদ দিবস

আজ ৩০ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংসদবাদ দিবস (International Day of Parliamentarism)। প্রতি বছর এ দিনটি পালন করা হয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করা, জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং সংসদের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে।

আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংসদকে জনগণের কণ্ঠস্বর বলা হয়। আইন প্রণয়ন, সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, জাতীয় বাজেট অনুমোদন এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সংসদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণেই সংসদকে কার্যকর ও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতেই এই দিবসের আয়োজন করা হয়।

কেন ৩০ জুন?

২০১৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৩০ জুনকে আন্তর্জাতিক সংসদবাদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই তারিখ কেন বেছে নেওয়া হয়েছে, তা হলো ১৮৮৯ সালের ৩০ জুন বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সংসদীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে অধিকাংশ দেশের সংসদ এই সংস্থার সদস্য।

সংসদের কাজ শুধু আইন তৈরি নয়

অনেকে মনে করেন সংসদের কাজ কেবল নতুন আইন পাস করা। কিন্তু বাস্তবে সংসদের দায়িত্ব আরও বিস্তৃত। সংসদ সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করে, বাজেট অনুমোদন দেয়, বিভিন্ন নীতির ওপর বিতর্ক করে এবং জনগণের সমস্যাগুলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি কার্যকর সংসদ থাকলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ে এবং গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিবস?

বিশ্বের অনেক দেশে এখনো গণতন্ত্র নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। কোথাও রাজনৈতিক অস্থিরতা, কোথাও মতপ্রকাশের সীমাবদ্ধতা, আবার কোথাও জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সংসদবাদ দিবস স্মরণ করিয়ে দেয় যে, শক্তিশালী গণতন্ত্র গড়তে কার্যকর সংসদের বিকল্প নেই। সংসদ যত বেশি সক্রিয় হবে, জনগণের মতামত তত বেশি গুরুত্ব পাবে।

নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান

এই দিবসে সংসদে নারী, তরুণ এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংসদে সমাজের সব শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও জনমুখী হবে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ আগের তুলনায় বাড়লেও অনেক জায়গায় তা এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

প্রযুক্তির যুগে বদলাচ্ছে সংসদ

ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সংসদীয় কার্যক্রমেও বড় পরিবর্তন এনে দিচ্ছে। অনেক দেশের সংসদ এখন সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। অনলাইনে বিল, বাজেট ও বিভিন্ন নথি প্রকাশ করা হচ্ছে। ফলে জনগণ সহজেই সংসদের কার্যক্রম জানতে পারছেন এবং প্রতিনিধিদের কাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারছেন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশেও জাতীয় সংসদ দেশের আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং সরকারের কার্যক্রম পর্যালোচনার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে। সংসদীয় কমিটিগুলো বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার কাজ করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংসদে গঠনমূলক আলোচনা, কার্যকর বিরোধী মতামত, স্বচ্ছতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে পারলে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।

দিবসটির মূল বার্তা

আন্তর্জাতিক সংসদবাদ দিবসের মূল লক্ষ্য হলো—গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক সংসদ গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা। কারণ জনগণের আস্থা, মতামত ও অধিকার রক্ষায় একটি কার্যকর সংসদই হতে পারে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ভিত্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ বছরের বঞ্চনার অবসান, সিন্ডিকেট গুঁড়িয়ে দিলেন এমপি দিপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


১৮ বছরের বঞ্চনার অবসান, সিন্ডিকেট গুঁড়িয়ে দিলেন এমপি দিপু

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে জেঁকে বসা কুখ্যাত চাল-গম লুটপাটকারী সিন্ডিকেট অবশেষে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। উপজেলার অসহায়, দুঃস্থ মানুষ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখে হাসি ফুটিয়ে টিআর (টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচির সরকারি খাদ্যশস্য পৌঁছে গেছে প্রকৃত উপকারভোগীদের ঘরে।

আর এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। তার একক সাহসিকতা, অনড় অবস্থান এবং ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণে দুই দশকের চুরির রাজত্বের অবসান ঘটল। গত সোমবার সকাল থেকে রূপগঞ্জের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে সরাসরি এই খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে রূপগঞ্জে সরকারি ত্রাণ ও উন্নয়ন বরাদ্দের চাল-গম নিয়ে এক নজিরবিহীন হরিলুট চলে আসছিল। একটি প্রভাবশালী ও অসাধু চক্র প্রশাসন ও মাঠ পর্যায়কে জিম্মি করে প্রকৃত উপকারভোগীদের নামমাত্র মূল্যে চাল ও গম বিক্রি করতে বাধ্য করত। প্রতি কেজি চাল মাত্র ১৫-১৬ টাকা এবং গম ১০-১২ টাকা দরে অসহায় মানুষের কাছ থেকে জোরপূর্বক হাতিয়ে নিত এই সিন্ডিকেট।

পরবর্তীতে এই বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য কালোবাজারে চড়া দামে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা পকেটে কাটত চক্রটি। বছরের পর বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও কবরস্থান পরিচালনা কমিটি এই বৈষম্যের শিকার হলেও, সিন্ডিকেটের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়নি। কিন্তু ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু রূপগঞ্জের দায়িত্ব নেওয়ার পর দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, গরিবের হকের ওপর কোনো ধরনের থাবা সহ্য করা হবে না।

সংসদ সদস্যের কঠোর ও প্রত্যক্ষ নজরদারির সুফল মিলেছে হাতেনাতে। গত সোমবার প্রথম দিনেই উপজেলার ২২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অনুকূলে চলতি অর্থবছরের তিন ধাপের মোট ৮৬ মেট্রিক টন চাল এবং ৮৬ মেট্রিক টন গম স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সরাসরি কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের স্পর্শ ছাড়াই শত শত অসহায় মানুষ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে তাদের প্রাপ্য শতভাগ বুঝে নেন।

এমপি দিপুর এই জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের ফলে এবারই প্রথম কোনো প্রকার কর্তন বা পার্সেন্টেজ ছাড়া পুরো বরাদ্দ সাধারণ মানুষের ঘরে উঠলো। সরকারি চাল ও গম পুরোপুরি ও সরাসরি হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপকারভোগীরা। দীর্ঘদিন পর কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া নিজের অধিকার ফিরে পেয়ে অনেকেই আনন্দের অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি। উপজেলার এক প্রবীণ মাদরাসা শিক্ষক বলেন, ‘আমরা তো ভুলেই গিয়েছিলাম যে সরকারি সাহায্য পুরোটা পাওয়া যায়। বিগত ১৮ বছর ধরে আমাদের শুধু কাগজে-কলমে সই নিয়ে নামমাত্র কিছু টাকা ধরিয়ে দেওয়া হতো, বাকি সব খেয়ে ফেলতো দালালরা। মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু সাহেব আমাদের এই জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করেছেন। আল্লাহ উনাকে দীর্ঘজীবী করুন।’

কামশাইর মসজিদ কমিটির সভাপতি তারা মিয়া বলেন, ‘জীবনে এই প্রথম মসজিদের সব টাকা পেয়েছি। আগেতো ডাকাতি করত। আর এসব হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূইয়ার সাহসিকতার কারণে।’

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এমপি দিপুর এই একটি পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে তিনি রূপগঞ্জকে একটি শোষণমুক্ত, আধুনিক ও আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে কতটা বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ দাবি তুলেছেন, বিগত ১৮ বছর ধরে যারা এই চাল আত্মসাতের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে, তাদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর এই কঠোর নির্দেশনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারাও। উপজেলা ওসিএলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান তুহিন অত্যন্ত প্রত্যয়ের সঙ্গে জানান, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু মহোদয়ের স্পষ্ট এবং কঠোর নির্দেশনা রয়েছে—সরকারি খাদ্য সহায়তায় ১ কেজির এদিক-সেদিক করা যাবে না। যারা প্রকৃত হকদার, মাল সরাসরি তাদের হাতেই যাবে। এমপির এই কঠোর অবস্থানের কারণেই আজ আমরা অত্যন্ত সফলভাবে কোনো ঝামেলা ছাড়া ২২টি প্রকল্পের ৮৬ টন চাল ও ৮৬ টন গম বিতরণ করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে যেন কোনো সিন্ডিকেট বা দালাল চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য স্যারের নির্দেশে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখা হবে।’

রূপগঞ্জের সাধারণ ভোটার ও মেহনতি মানুষেরা বলছেন, এই চাল বিতরণ কেবল একটি সরকারি কর্মসূচির বাস্তবায়ন নয়, বরং এটি রূপগঞ্জে চলমান শুদ্ধি অভিযানের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই যেভাবে মাদক, চাঁদাবাজি এবং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, এই চাল বিতরণ কর্মসূচি তারই একটি সফল প্রতিফলন। রূপগঞ্জের আপামর জনতা এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে, দিপু ভূঁইয়ার নেতৃত্ব তে রূপগঞ্জ হবে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটমুক্ত এক শান্তির জনপদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%