ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, দিশেহারা মানুষ


নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, দিশেহারা মানুষ

কুড়িগ্রামের রাজারহাটের রামহরি এলাকায় নদীভাঙন তীব্র হয়ে উঠছে। পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গত চার দিনে ওই মৌজার তিনটি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে স্থানীয় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা আরও ১৫ থেকে ২০টি বাড়ি সরানোর কাজ করেছেন।

সোমবার (২৯ জুন) ভোররাত থেকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং ভারী বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তার পানি সকালে দ্রুত বাড়তে শুরু করে। বিকেলে নদীর পানি বিপৎসীমা স্পর্শ করতে শুরু করলে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়ে যায়।

রাজারহাট উপজেলার রামহরি এলাকায় ব্যাপক ভাঙনের ফলে একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সোমবার সংকেত অনুযায়ী, তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই অবস্থায় ছিল। পানিবৃদ্ধির ফলে নদীর চরাঞ্চলের শত শত ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ডাম্পট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত, ১৮ আহত

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা ২৯.৩১ সেন্টিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার রেকর্ড অনুযায়ী, ওই পয়েন্টে নদীর পানি ২৯.২৮ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।

এদিকে জেলার দুধকুমার নদীতে বিপৎসীমা অতিক্রম করে ২৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এসব নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নদীর পানি ও ভাঙন পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানির আরও বৃদ্ধি পেলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

রামহরি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক আকলিমা বেগম বলেন, এবার বাড়ির বাকি কোনাটুকুও নদীতে গেলে আর উপায় থাকবে না। একই গ্রামের নুর মোহাম্মদ বলেন, আমরা সাতবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছি। এবার যদি বাকি অংশও নদীতে চলে যায়, তাহলে বাড়ি করার মতো আমাদের আর কোন জায়গা-জমি থাকবে না।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ

ঐ এলাকার মিলন মিয়া জানিয়েছেন, প্রতিবছর তিস্তার ভাঙন রোধে সরকারের শত শত কোটি টাকা ব্যয় হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। তাই তিস্তাপাড়ের মানুষের এখন একটাই দাবি—তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, কুড়িগ্রাম জেলায় গত ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাস ছিল, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাবে। এই পানি বৃদ্ধি ও হ্রাসের কারণে ভাঙন দেখা দিয়েছে। আমরা ৩৬টি পয়েন্ট চিহ্নিত করেছি, যেখানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেসব স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষ মুহূর্তের গোলে সমতায় ফিরল মরক্কো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


শেষ মুহূর্তের গোলে সমতায় ফিরল মরক্কো

নেদারল্যান্ডস জয় প্রায় নিশ্চিত করেই ফেলেছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের শুরুতে মরক্কোর দিয়পের গোলে পুরো খেলার সমিরকরণ বদলে যায়। ৯০+১ মিনিটে গোল করে তিনি ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরান।

গোলের পূর্বে মরক্কো একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায়, যদিও ডাচ রক্ষা ছিল দুর্ভেদ্য। ৮৫তম মিনিটে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি গোলমুখে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় দুর্দান্ত একটি ট্যাকলে তাকে থামিয়ে দেন অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক।

ম্যাচের শেষের দিকে দুই দলই একাধিক পরিবর্তন আনে। নতুন খেলোয়াড় নামিয়ে মরক্কো আক্রমণের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করে, অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস রক্ষা আরও শক্ত করার চেষ্টা করে।

তবুও শেষ রক্ষা হয়নি ডাচদের। যোগ করা সময়ে তালবি ডান দিক থেকে লম্বা বল প্রতিপক্ষের বক্সে ভাসিয়ে দেন। ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ একটা হেডে বল জালে পাঠান দিয়প। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি তার প্রথম গোল এবং সেই গোলেই বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন করে আশা জেগে ওঠে।

এর আগে ৭২তম মিনিটে কোডি গাকপোর গোলের মাধ্যমে এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস। তবে শেষ মুহূর্তের এই সমতাসূচক গোল ম্যাচটিকে নতুন নাটকীয় মোড়ে নিয়ে গেছে। এখন জয় নির্ধারণের জন্য দুই দলকে অতিরিক্ত সময়ে খেলতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুবিতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


কুবিতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং স্কলারশিপ চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড এবং স্পোর্টস স্কলারশিপ বাবদ মোট ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘International Academic Experience Sharing’ পর্বে, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোসা. শাহীনুর বেগম প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের অর্জনকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি ও উৎসাহ দেয়া প্রয়োজন। গবেষণা, ফেলোশিপ এবং স্কলারশিপ কার্যক্রমের ইতিবাচক দিকগুলো দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা আরও গবেষণামুখী ও উৎসাহিত হয়।

এর আগে ‘International Academic Experience Sharing’ পর্বে উপাচার্য সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান অ্যাওয়ার্ডস কর্মসূচির আওতায় অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “অস্ট্রেলিয়া সফর ঘুরে আমরা অনেকগুলো বিষয় দেখেছি, যা আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারি। তারমধ্যে রিসার্চ ও ইনোভেশন, শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি এবং শিক্ষায় এআই টুলসের যথাযথ ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয়ের কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত পরিবেশ আরও উন্নত করতে পারি। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে এবং যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্যাম্পাসকে একটি সবুজ ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে পারি।”

এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে, মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড ও স্পোর্টস স্কলারশিপের আওতায় মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৮ জন শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তি, ১৮২ জন শিক্ষার্থী অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড এবং ১২ জন অ্যাথলেট শিক্ষার্থী স্পোর্টস স্কলারশিপ পেয়েছেন। আরও ৭ জন শিক্ষার্থীকে ইউজিসি মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্কলারশিপের চেক গ্রহণ করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক স্পোর্টস স্কলারশিপের চেকও গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ এম


নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের মধ্যে অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচ হয়ে উঠেছে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার লড়াই। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে চলে গেছে।

যোগ করা সময়ে মরক্কোর ইসার দিয়প সমতাসূচক গোল করে দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনার পর, আফ্রিকার দলটি বাড়তি সময়েও আক্রমণের ধার বজায় রাখে। তারা বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে, লক্ষ্যযুক্ত সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।

তবে অতিরিক্ত সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত আসে ৯৭তম মিনিটে। মরক্কোর সুফিয়ান রাহিমি একেবারে গোল মুখে পৌঁছে একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যান। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন অত্যাধুনিক দক্ষতায় হাত ও পা দিয়ে বলটি ঠেকিয়ে দেন। ম্যাচে এটি ছিল তার পঞ্চম সেভ, যা ডাচদের বড় বিপদ থেকে রক্ষা করে।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছে। ভাউট ভেগহর্স্ট মরক্কোর দীর্ঘ সময়ের বল দখল ভেঙে দিলেও, পরে হাত দিয়ে বল স্পর্শের কারণে খেলা থেমে যায়।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগে দুই দলই মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ধৈর্যের সঙ্গে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু গোলের মতো পরিষ্কার সুযোগ খুব বেশি তৈরি হয়নি।

পুরো ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তাই তাদের টিকিয়ে রেখেছে। গুরুত্বপূর্ণ সেভ, কর্নার থেকে একের পর এক বল ফিরিয়ে দেওয়া এবং শেষ মুহূর্তের নিখুঁত ট্যাকল সব মিলিয়ে মরক্কোর একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে ডাচরা।

৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় শেষ হওয়া এই লড়াই এখনো যে কোনো দিকেই মোড় নিতে পারে। দুই দলই শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ মন্তব্য করেছেন, লেবাননের কোনো ভূখণ্ড দখলের মৌলিক লক্ষ্য তাদের নেই। তবে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনারা এক মিলিমিটারও অবস্থান থেকে সরে যাবে না।

সোমবার এই তথ্যটি ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দ্বারা জানানো হয়েছে। ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান লেবানন সফর করেন। ওই সফরের দিনে কাটজ এ মন্তব্য করেছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় লেবানন দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠিগুলোকে নিরস্ত্র করবে এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ভেঙে দেশের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। এরপরেই ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের পথ তৈরি হবে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহকে বিতাড়িত করার লক্ষ্য নিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত মোতায়েন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

যদিও গত রাতে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পুনরায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ওই এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হিজবুল্লাহর হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ওই অঞ্চলে একটি বিস্ফোরণে আইডিএফের একটি সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে।

কাটজ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, পরীক্ষামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দক্ষিণ লেবাননের দুটি নির্ধারিত স্থান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে। তবে এর বাইরে অন্য কোনো এলাকা থেকে সেনা সরানোর পরিকল্পনা নেই। এই কর্মসূচির আওতায় লেবাননের সেনাবাহিনী দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ভবিষ্যতে কোন কোন এলাকা থেকে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। কাটজ এই মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন, লেবাননের ভূখণ্ডের প্রতি ইসরায়েলের কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই, তবে হিজবুল্লাহ অস্ত্র সমর্পণ না করায় ইসরায়েল এক মিলিমিটারও সরে যাবে না।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, এ নীতির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রও সম্মত এবং ইসরায়েল-লেবানন চুক্তিতেও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কাটজের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ না থাকলে আইডিএফ লেবাননে হিজবুল্লাহর পতন ঘটাতে সক্ষম হতো। তিনি বলেন, ব্যাপক বিমান হামলার পরিকল্পনা ছিল, যা বাস্তবায়িত হলে হিজবুল্লাহ চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। তবে সে সময় নিজেদের রক্ষায় ইরানের কাছে সহায়তা চাইছিল গোষ্ঠীটি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন-ইরান আলোচনার সঙ্গে লেবানন ইস্যুকে যুক্ত করায় ইসরায়েলকে বৈরুতের উপর হামলা বন্ধ করতে হয়েছিল, যদিও এর আগে লেবাননের রাজধানীতে হিজবুল্লাহর অবস্থানে ব্যাপক হামলা হয়েছে। কাটজের বক্তব্যে যে বিষয়টি তাঁর কাছে দুঃখজনক তা হলেও, এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে করা হয়েছিল। কারণ ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা এগিয়ে নিতে খুবই আগ্রহী ছিল।

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা সম্পর্কিত তিনি বলেন, লেবাননের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান যদি ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়, তাহলে আইডিএফ তার জবাব দেবে এবং স্বাধীনভাবে অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি রেখেছে। কাটজ বলেন, ইরানে হামলার জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু প্রস্তুত রয়েছে এবং আইডিএফ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছে। তবে এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাতে ইসরায়েল হস্তক্ষেপ করবে না।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%