ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ থেকে খুনিরা পালাল কীভাবে, প্রশ্ন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর


বাংলাদেশ থেকে খুনিরা পালাল কীভাবে, প্রশ্ন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ থেকে কীভাবে খুনিরা সীমান্ত পার হয়ে পালিয়ে যায়?’

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো কাদা ছোড়াছুড়ি বা ‘জজ মিয়া’ নাটক দেখতে চাই না। প্রকৃত খুনি কে, তা বের করতে হবে। অতীত সরকারের আমলের সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মতো এই বিচার যেন ঝুলে না থাকে।’

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে যশোরের বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথাগুলো বলেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। উত্তেজনাপূর্ণ এই সীমান্ত পরিদর্শনে দলের নেতাকর্মী ছাড়াও স্থানীয় শত শত সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ‘এ দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা, ঢাকা’, 'সীমান্ত হত্যা রুখে দিন, চলবে না চলবে না’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে সীমান্ত এলাকা।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘পুশইন’ চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ ও সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের লাগাতার হত্যার বিচার দাবি জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ভারত খুনি রাষ্ট্র ও বিএসএফ খুনি বাহিনী। তাদের বিচার হতে হবে।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট দেখার কেউ নেই। সেখানে পর্যাপ্ত হাসপাতাল, স্কুল কিংবা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই। জীবিকার তাগিদে সীমান্তবাসী কোনো চোরাচালানে জড়ায় না, বরং ভারতীয়রা এই অপকর্ম করে বাংলাদেশের ওপর দোষ চাপায়।’

সীমান্ত সুরক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিজিবির পেছনে দেশের ১৮ কোটি মানুষের সমর্থন রয়েছে। বিজিবির হাতে খেলনা পিস্তল দিয়ে সীমান্ত রক্ষা করা যাবে না। তাদের আধুনিক ভারী অস্ত্র, পেট্রোলিং কার দিতে হবে এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা ও বেতন বাড়াতে হবে।’

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিগত দিনের বক্তব্যের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অপরাধ করলেও তাকে বিচার ছাড়া সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। সীমান্ত হত্যার প্রতিটি ঘটনার জন্য ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক

সবশেষে, দল-মত নির্বিশেষে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ৭১, ৯০ কিংবা ২৪-এর গণ-আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ড বা সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো আঘাত দেশের মানুষ মেনে নেবে না। রক্ত দিয়ে হলেও দেশের সীমান্ত রক্ষা করা হবে।

এর আগে গত রোববার (৩১ মে) রাত থেকে বেনাপোলের বিপরীতে ভারতের হরিদাসপুর সীমান্ত এলাকায় শতাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে বিএসএফ অবস্থান নেয়। পরে তাদের সাদীপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলে বিজিবি বাধা দেয়। এতে কেউ বাংলাদেশে ঢুকতে পারেনি। সর্বশেষ বিএসএফ মঙ্গলাবার রাতে জড়ো করা লোকজনকে ফিরিয়ে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আহত দুই বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আহত দুই বাংলাদেশি

সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনা ঘটে যখন তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিএসএফের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।এটি বুধবার (৩ জুন) ভোররাত আনুমানিক ২টার দিকে ঘটেছিল। আহত ব্যক্তিরা হলেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার শীতলপুর গ্রামের মো. গোলাম রাব্বানীর ছেলে মো. মহিউদ্দিন (৪২) এবং একই গ্রামের মৃত খাজের আলী সরদারের ছেলে মো. শাহীন (২৮)।স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পেশায় রাজমিস্ত্রি মহিউদ্দিন ও শাহীন প্রায় এক বছর আগে অবৈধ পথে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যান। সেখানে তারা তামিলনাড়ু রাজ্যে গিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ শুরু করেন। ঈদ উপলক্ষে তারা একইভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে তারা গুরুতর আহত হন।সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল হোসেন জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদেরকে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।গুলিবিদ্ধ শাহীনের ভাই ফারুক হোসেন, আত্মীয় আলমগীর হোসেন এবং মহিউদ্দিনের ছোট ভাই ইসারাত জানান, তারা ঠিক কোন সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবেশ করছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আহতদের একজনের হাতে এবং অপরজনের পিঠে গুলি লেগেছে। তবে গুলিবিদ্ধ দুজনেই বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।এদিকে, এ ঘটনার বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা চেয়ে স্পিকারকে চিঠি, স্বাক্ষর করলেন ৫৮ তৃণমূল বিধায়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা চেয়ে স্পিকারকে চিঠি, স্বাক্ষর করলেন ৫৮ তৃণমূল বিধায়ক

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে চিঠি জমা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ৫৮ জন বিধায়ক, যার প্রেরণাপত্র স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার (৩ জুন) ঋতব্রতের নেতৃত্বে কিছু বিধায়ক স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্বাক্ষরসংবলিত ওই চিঠিটি জমা দেন। যদিও স্পিকার চিঠিটি গ্রহণ করেছেন, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, চিঠিতে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানানো হয়েছে, পাশাপাশি সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, এবং শিউলি সাহাকে উপদলনেতা এবং আখরুজ্জামানকে মুখ্যসচেতক করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, বিদ্রোহী শিবিরের এই চিঠিতে দলীয় সভানেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিরোধ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব সংবলিত একটি চিঠিতে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা বিষয়টি বিধানসভা কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু হওয়ার পরে পুলিশ ও সিআইডি ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।

এদিকে, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ঋতব্রত এবং সন্দীপনকে বহিষ্কার করার পর তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, যা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। একাধিক বিধায়ক প্রকাশ্যে শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা করায় দলের ভাঙনের জল্পনাও বেড়ে গেছে।

গত মঙ্গলবার (২ জুন) শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও স্পিকারকে একটি চিঠি পাঠান। তবে স্পিকার কলকাতার বাইরে থাকায় সেই চিঠিটি গ্রহণ করা হয়নি বলে খবর পাওয়া গেছে।

আজ বুধবার স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া ৫৮ বিধায়কের চিঠিটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সময় নেওয়া হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে বলে বিধানসভা সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে বিদ্রোহী বিধায়কদের চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সভানেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু করেছে। বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন বলেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি এখনও নেত্রী হিসেবে মানি। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কখনও নেতা হিসেবে মানি নাই এবং মানবও না।’

বিরোধী দলনেতা, উপদলনেতা ও মুখ্যসচেতক নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও কোন দিকে মোড় নেয়, তা রাজনৈতিক মহল পর্যবেক্ষণ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে ধীরগতির কারণ ব্যাখ্যা করলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে ধীরগতির কারণ ব্যাখ্যা করলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার সঙ্গে যুক্ত আগের তদন্ত কর্মকর্তাদের বর্তমান টাস্কফোর্স খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, এজন্যই তদন্তে আশানুরূপ অগ্রগতি হচ্ছে না।

বুধবার (৩ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সকালে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির সন্তান মেঘের সঙ্গে এবং মামলার বাদী রুনির ভাই নওশের রোমানের সঙ্গে যখন সাক্ষাৎ করেন, তখন তিনি এই কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও জানান, ঘটনার অনেক আলামত ও নথিপত্র তাদের কাছে আসেনি। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার অনেক আলামতও গায়েব হয়ে গেছে। সে কারণে নতুন তদন্ত দলকে ধারাবাহিকতা না থাকার কারণে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তবে বিচারিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।

এ সময় বাবামা হত্যার বিচার চান সন্তান মেঘ। অ্যাটর্নি জেনারেল তাকে আশ্বস্ত করেন।

১৪ বছর পার হলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় এখনো কোনও সংস্থা কুল কিনারা বের করতে পারেনি। প্রায় এক বছর আগে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হলেও তারাও এখনো অন্ধকারে রয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল এ সময় বলেন, ঘটনার তদন্তের চেইন অব অ্যাকশন নেই। সেই সময় ঘটনাস্থলে যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়েছিলেন, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

সাগর-রুনি হত্যা মামলা আলো আধারের মধ্যেও চলছে, তবে আলোর মুখ দেখার আশা প্রকাশ করেছেন আইনজীবী শিশির মনির।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, অতীতে যে তদন্ত করা হয়েছে, সে তদন্তের সময়কার কিছু জবানবন্দি ফাইল বন্দি করা রয়েছে। আমি দুটো ডিএনএ রিপোর্টও দেখেছি। একটি রিপোর্ট তো আমেরিকার একটি ইনস্টিটিউশন থেকে করা। এ কারণে আমার মনে হচ্ছে, প্রগ্রেস রিপোর্টটি আপনারা দেখালে বা পাবলিক ডকুমেন্ট হিসেবে কোর্ট থেকে নিলে, তখন পরিবার যখন তা দেখতে পাবে, তখন তারা আলো আধারের মাঝে কিছু আশার আলো দেখতে পাবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের বাসায় খুন হন। ১৪ বছর পার হলেও এই হত্যার মোটিভ এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি তদন্তকারী কয়েকটি সংস্থার পক্ষ থেকে। বর্তমানে মামলাটি কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে আটকে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় অবৈধ চাক ও চায়না দুয়ারী জাল বিক্রির দায়ে ৩ জনের জরিমানা, প্রায় দুই লাখ টাকার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


মঠবাড়িয়ায় অবৈধ চাক ও চায়না দুয়ারী জাল বিক্রির দায়ে ৩ জনের জরিমানা, প্রায় দুই লাখ টাকার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
 
 
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অমান্য করে নিষিদ্ধ চাক ও চায়না দুয়ারী জাল বিক্রির দায়ে ৩ ব্যক্তিকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত । একই সাথে অভিযানকালে জব্দকৃত আনুমানিক প্রায় দুই লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
 
আজ বুধবার দুপুরে বালুর মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধ জাল বিক্রির দায়ে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মৎস্য আইন অনুযায়ী প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাথে উদ্ধারকৃত অবৈধ জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকা।
 
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন,  উপজেলার উত্তর মিঠাখালী গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মোঃ রানা (৩০), একই গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে মুছা মিয়া (৪০) এবং দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের হোসেন মুন্সির ছেলে আইয়ুব মুন্সি (৩৫)।
 
অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মঠবাড়িয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ। অভিযান পরিচালনাকালে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক।
 
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, ইলিশসহ দেশের অন্যান্য মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মৎস্য আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ও জনস্বার্থে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%