০৪:৩৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো বিশ্বকাপের জন্য দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেননি। কারণ, তার ভ্রমণ অনুমোদন নথি (ইএসটিএ) এখন পর্যালোচনার অধীনে রাখা হয়েছে।
ইএসটিএ (ইলেকট্রোনিক সিস্টেম ফর ট্রাভেল অথোরাইজেশন) হলো একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, যা ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের যোগ্যতা নির্ধারণ করে।
সুইস দল গত মঙ্গলবার (২ জুন) জুরিখ থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে উড়াল দেয়। পরে, তাদের সান ডিয়েগোর একটি বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। গ্রুপ বি'তে থাকা সুইজারল্যান্ড ১৩ জুন সানফ্রান্সিসকোতে তাদের প্রথম ম্যাচে কাতারের বিপক্ষে মাঠে নামবে।
সুইস ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানায়, 'দুঃখজনকভাবে, ব্রিল এমবোলো বর্তমানে দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে পারছেন না।'
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তার ইএসটিএ অনুমোদন আগে সকালের দিক পর্যন্ত বৈধ ছিল। তবে সকালে ১০:৩০ মিনিটে জানানো হয় যে, তার আবেদনটি আরও পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।
ফেডারেশন জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এছাড়া আশা করছে এমবোলো হয় আজই (গতকাল) বা আগামীকাল (বুধবার) দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন।
এমবোলোর এই সমস্যাটি ঠিক তখনই এসেছে, যখন ২০১৮ সালে বাসেলে একটি ঘটনার সাথে সম্পর্কিত একটি সুইস আদালতের রায় সম্প্রতি চূড়ান্ত হয়েছে।
২০২৩ সালে তিনি হুমকি দেওয়ার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন এবং স্থগিত জরিমানার শাস্তি পান, যা আপিলেও বহাল থাকে। সুইস গণমাধ্যম জানায়, তিনি ফেডারেল কোর্টে আপিল না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় রায়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তাইওয়ান সামরিক প্রযুক্তিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। চীনের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশটি রোবট কুকুর উদ্ভাবন করেছে। এটি মোটেই প্রথম নয়, এরই মধ্যে একটি সফল প্রদর্শনীও করানো হয়েছে। অস্ত্র বহন করতে সক্ষম রোবটগুলো ভবিষ্যতে দক্ষিণ চীন সাগরের কৌশলগত দ্বীপগুলোতে মোতায়েন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকরা এটিকে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নতুন অধ্যায় হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
গত মঙ্গলবার (২ জুন) তাইওয়ানের সামরিক বাহিনীর প্রধান অস্ত্র গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান তিনটি রোবটিক টহল কুকুর জনসমক্ষে তুলে ধরেছে। চার পাটি ওয়ালা রোবটগুলো বিভিন্ন সামরিক মিশন পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রদর্শিত তিনটি সংস্করণের মধ্যে একটি নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ, একটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যটি অগ্নিশক্তি প্রয়োগের জন্য তৈরি। অস্ত্রসজ্জিত সংস্করণটিতে একটি অস্ত্র রয়েছে, যা প্রয়োজন হলে দূর থেকে পরিচালনা করা সম্ভব।
তাইওয়ানের সামরিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জানাচ্ছে, এসব রোবট দুর্গম এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চল কিংবা সম্ভাব্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে সৈন্যদের ঝুঁকি কমানোর জন্য টহল ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সৈকত, উপকূলীয় এলাকা এবং দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে এসব রোবট কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। বিশেষভাবে সীমিত জনবল দিয়ে বড় এলাকা পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা দেবে বলেও মনে করা হচ্ছে।
তাইওয়ান জানাচ্ছে, ভবিষ্যতে এসব রোবটকে দক্ষিণ চীন সাগরের কৌশলগত দ্বীপগুলোতেও মোতায়েন করা যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীন, তাইওয়ান এবং অন্যান্য আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্প্র্যাটলি এবং প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জের দূরবর্তী উপকূলগুলোতে টহল ও পরিদর্শনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাইওয়ানের সর্বোচ্চ অস্ত্র উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, সামরিক মালিকানাধীন ন্যাশনাল চুং-শান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এনসিএসআইএসটি) তিন ধরনের চার পায়ের যান্ত্রিক কুকুর প্রদর্শন করেছে, যেগুলো সেনাবাহিনীতে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
এই রোবটগুলো মূলত আমেরিকান কোম্পানি ‘গোস্ট রোবোটিক্স’ তৈরি করেছে, আর তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠান এতে নিজেদের প্রযুক্তি যুক্ত করেছে। এর মধ্যে একটি কুকুরের পিঠে গুলি চালানোর বন্দুকও রয়েছে।
এনসিএসআইএসটির মিসাইল ও রকেট গবেষণা বিভাগের উপপ্রধান জেন কুয়ো-কুয়াং জানিয়েছেন, তাইওয়ানের সেনাবাহিনী এই ধরনের রোবট কুকুরগুলোর প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তবে এখনও কোনও অর্ডার দানে এগোতে পারেনি। তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন, সেনাবাহিনী এই রোবট কুকুরগুলোকে তাইওয়ানের মূল দ্বীপ থেকে অনেক দূরের দ্বীপগুলোতে ব্যবহার করতে চায়—যেমন দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের দাবিকৃত দ্বীপগুলোতে।
‘আসলে মেরিন বাহিনী মনে করে, সমুদ্র সৈকত ও উপকূল এলাকায়—বিশেষ করে নানশা (স্প্র্যাটলি) এবং দংশা (প্রাতাস) দ্বীপে কোস্ট গার্ডের টহল ও পরিদর্শনের জন্য এই রোবটগুলোর খুবই প্রয়োজন রয়েছে,’ বলেন তিনি।
বর্তমানে তাইওয়ান পুরো প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জ এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ (ইতু আবা) নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু চীন দাবি করে, এই সব দ্বীপ এবং দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় সব এলাকা তাদের। এর ফলে এবং দূরবর্তী অবস্থানের (তাইওয়ানের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ২৫০ মাইল দূরে) কারণে প্রাতাস দ্বীপগুলোকে তাইওয়ানের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসাবে গণ্য করা হয়।
তাইওয়ানের কোস্ট গার্ড প্রাতাস ও ইতু আবায় নিজেদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে, কিন্তু সেখানে কোনও বেসামরিক লোক থাকে না। তাই রোবট কুকুরগুলো সেখানে খুবই কার্যকর হতে পারে।
এছাড়া তাইওয়ান এবং চীন, উভয়েই প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ক্রমশ রোবটিক্সের দিকে ঝুঁকছে। চীন, যেটি রোবটিক্সে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ, ইতিমধ্যে সামরিক ব্যবহারের জন্য বেশ কয়েকটি রোবট কুকুর তৈরি করেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে ওয়ার্ল্ড ডিফেন্স শোতে একটি চীনা কোম্পানি পিঠে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল বহনকারী রোবট কুকুর প্রদর্শন করেছে।
মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, তাইওয়ানকে বড় অস্ত্র বিক্রির একটি প্রস্তাব (যার বিরোধিতা চীন করছে) এখনও পর্যালোচনাধীন রয়েছে। তিনি জানান, তাইওয়ান নিয়ে ওয়াশিংটনের নীতি অপরিবর্তিত আছে। ‘দ্বিতীয় একটি বিক্রয় প্রস্তাব... ১৪ বিলিয়ন ডলারেরটি, সেটি এখনও পর্যালোচনাধীন,’ সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির শুনানিতে তিনি বলেন। ‘তাইওয়ান নিয়ে আমাদের নীতি বদলাচ্ছে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটক ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আব্দুল হান্নান শেলী বর্তমান সময়ের এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। তিনি কিডনি ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর দিন পার করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিনোদন অঙ্গনে কাজ করা এই অভিনেতার জন্ম ১৯৫৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর।
গতকাল, মঙ্গলবার (২ জুন), সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন সহশিল্পীর মাধ্যমে এই চরম সংকটের কথা তুলে ধরেছেন অভিনেতা এম কে এইচ পামির।
পামির তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘হান্নান শেলি ভাই অনেক দিন যাবৎ অসুস্থ, বিষয়টি আমরা শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই জানি। আমার ও শেলি ভাইয়ের বাড়ি পাবনা জেলা হওয়ায় আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ঈদে বাড়িতে গিয়ে শেলি ভাইকে দেখতে যাব। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমি শেলি ভাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম।’
পামির এই পোস্টে আরো উল্লেখ করেছেন, ‘আমাকে দেখার পর শেলী ভাই যে কতটা খুশি হয়েছেন, তা আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন- ‘আমি অসুস্থ হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কেউ আমাকে দেখতে আসেনি, আপনি এসেছেন পামির ভাই, আমার যে কী ভালো লাগছে!’ এ কথা বলেই তিনি কেঁদে ফেললেন।’
হান্নান শেলীর শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতির কথা উল্লেখ করে পামির লেখেন, ‘শেলী ভাই এতটাই অসুস্থ যে যখন সে উঠে দাঁড়ালে পুরো শরীর কাঁপে। তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। তার পুরোপুরি সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে।’
সবশেষে এম কে এইচ পামির তার পোস্টে বলেন, ‘আমরা সবাই শেলী ভাইয়ের জন্য দোয়া করব। আল্লাহ তাআলা যেন দ্রুত সুস্থ করে দেন শেলী ভাইকে, আমিন।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অভিনেতা আব্দুল হান্নান শেলী ঢালিউডের নানান প্রশংসিত কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কিত্তনখোলা’, ‘দ্য লাস্ট ঠাকুর’ এবং ওটিটির প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের নজর কাড়া ‘দুই দিনের দুনিয়া’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে গ্যাভি ভ্যাকসিন জোটে পুনরায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, আফ্রিকার কিছু দেশে ইবোলা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এদিকে কঙ্গোর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। দেশটিতে ইবোলা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৪২ জন মারা গেছেন।
ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে আফ্রিকায় নতুন আন্তর্জাতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্যাভির সঙ্গে আবারও সম্পৃক্ত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সিনেটের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটিতে বক্তব্যে তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগে প্রশাসন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। গ্যাভি মূলত দরিদ্র দেশগুলোতে হাম, ডিপথেরিয়া রোগের টিকা সহজলভ্য করার পাশাপাশি ইবোলার মতো প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কাজ করে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সহায়তার অবস্থান আবারও সক্রিয় হবে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইবোলা প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কঙ্গো সফরের পর সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, ইবোলা মোকাবেলার পাশাপাশি আক্রান্ত অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানায়, দেশটিতে কয়েক সপ্তাহ ধরে শনাক্ত না হওয়া ইবোলা ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঙ্গোতে একটি বিশেষজ্ঞ দল চীনের পাঁচ সদস্য নিয়ে পৌছেছে। তারা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করবেন। তাদের মূল লক্ষ্য হবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, রোগ শনাক্তকরণ, এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কঙ্গোর দুর্গম এলাকা, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব ইবোলা নিয়ন্ত্রণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বিরল বুন্ডিবুগিও স্ট্রেইনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ভ্যাকসিন বা চিকিৎসার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ