০৪:৩৩ পি.এম
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার সঙ্গে যুক্ত আগের তদন্ত কর্মকর্তাদের বর্তমান টাস্কফোর্স খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, এজন্যই তদন্তে আশানুরূপ অগ্রগতি হচ্ছে না।
বুধবার (৩ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সকালে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির সন্তান মেঘের সঙ্গে এবং মামলার বাদী রুনির ভাই নওশের রোমানের সঙ্গে যখন সাক্ষাৎ করেন, তখন তিনি এই কথা বলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও জানান, ঘটনার অনেক আলামত ও নথিপত্র তাদের কাছে আসেনি। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার অনেক আলামতও গায়েব হয়ে গেছে। সে কারণে নতুন তদন্ত দলকে ধারাবাহিকতা না থাকার কারণে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তবে বিচারিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন: মেহেরপুরে নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি
এ সময় বাবামা হত্যার বিচার চান সন্তান মেঘ। অ্যাটর্নি জেনারেল তাকে আশ্বস্ত করেন।
১৪ বছর পার হলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় এখনো কোনও সংস্থা কুল কিনারা বের করতে পারেনি। প্রায় এক বছর আগে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হলেও তারাও এখনো অন্ধকারে রয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল এ সময় বলেন, ঘটনার তদন্তের চেইন অব অ্যাকশন নেই। সেই সময় ঘটনাস্থলে যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়েছিলেন, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
সাগর-রুনি হত্যা মামলা আলো আধারের মধ্যেও চলছে, তবে আলোর মুখ দেখার আশা প্রকাশ করেছেন আইনজীবী শিশির মনির।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
বাদীপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, অতীতে যে তদন্ত করা হয়েছে, সে তদন্তের সময়কার কিছু জবানবন্দি ফাইল বন্দি করা রয়েছে। আমি দুটো ডিএনএ রিপোর্টও দেখেছি। একটি রিপোর্ট তো আমেরিকার একটি ইনস্টিটিউশন থেকে করা। এ কারণে আমার মনে হচ্ছে, প্রগ্রেস রিপোর্টটি আপনারা দেখালে বা পাবলিক ডকুমেন্ট হিসেবে কোর্ট থেকে নিলে, তখন পরিবার যখন তা দেখতে পাবে, তখন তারা আলো আধারের মাঝে কিছু আশার আলো দেখতে পাবে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের বাসায় খুন হন। ১৪ বছর পার হলেও এই হত্যার মোটিভ এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি তদন্তকারী কয়েকটি সংস্থার পক্ষ থেকে। বর্তমানে মামলাটি কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে আটকে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন