মামুন বিল্লাহ (কালীগঞ্জ) সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
০৮:১৩ পি.এম
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের মাঘুরালি গ্রামে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কায়দায় গত শত বছরের চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগের নলতা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং মাগুরালি গ্রামের হাজী আবুল হোসেনের পুত্র সাইদুল ইসলামের সন্ত্রাসী বাহিনী তান্ডব চালায়।
এতে বাড়িঘর ভাঙচুর এবং সন্ত্রাসী হামলার দরুন পিটিয়ে, কুপিয়ে নারী-পুরুষ সহ ৮ জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জখম করা হয়েছে। রবিবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭ টার কিছু পরে নলতা মাঘুরালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত রক্তাক্ত ৮ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাঘুরালি গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী নুরুন্নাহার (২৫), মোহাসিন কারিগরের স্ত্রী রাফেজা বেগম (৪০), নুর ইসলামের স্ত্রী খাদিজা খাতুন (৫০), আব্দুল আজিজের পুত্র আবুল কালাম (২২), মৃত আদর আলী কারিগরের পুত্র নুরুল ইসলাম (২২), গোলাম ওয়ারেস (৫২), এসহানুলের পুত্র সাব্বির হোসেন (২৩) এবং একই গ্রামের বেলায়েত আলী কারিগরের পুত্র আব্দুল আজিজ (৪২)।
এই ঘটনায় ইউপি সদস্য সিরাজ সহ মাগুরালি গ্রামের সবুজ, মহসিন এবং ইসমাইল সহ একাধিক ব্যক্তি জানান যে, শত বছর ধরে গ্রামের লোকজন রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে আসছে। হঠাৎ করে যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে শহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন, মোকসেদ, শাহিন, জাহিদ, বাবলু সহ ২০/৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে গ্রামের লোকজনের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
এসব মানুষকে সন্ত্রাসী কায়দায় কুপিয়ে এবং পিটিয়ে রক্তাক্ত যখম করা হয়। খবর পেয়ে থানার উপ পরিদর্শক বিপ্লব ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম এ ব্যাপারে বিরোধীয় চলাচলের পথকে তার রেকর্ডিয় সম্পত্তি বলে দাবি করেছেন। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
বিষয়টি নিয়ে এর আগেও একাধিকবার চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের পরিষদে সালিশ হলেও সাইদুল ইসলাম তা প্রত্যাখ্যান করে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছে বলে এলাকাবাসী মন্তব্য করেন। বিরোধীয় চলাচলের পথ নিয়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গ্রামবাসীর একাধিক অভিযোগ জমা দেয়া হয়েছে, তবে সেখান থেকে কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। এর ফলে প্রতিনিয়ত এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ছয় মাসের সামরিক অভিযান চালিয়ে অসফল হয়ে পড়ছে, ঘোষিত রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। সামরিক সক্ষমতায় এগিয়ে থাকলেও, ওয়াশিংটন তেহরানের নীতি কিংবা আচরণে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারেনি। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থাকে দেশটির মিত্ররা ক্রমেই একটি কৌশলগত ব্যর্থতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
শুক্রবার প্রকাশিত ওই বিশ্লেষণে সাবেক কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতামত তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ওপর চাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতি রাশিয়া ও চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির কাছে ওয়াশিংটনের সীমাবদ্ধতার বার্তা হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।
বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চলমান যুদ্ধটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সীমা স্পষ্ট করেছে এবং একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। সামরিক চাপের উপস্থিতিতে ইরান আঞ্চলিক প্রভাব ধরে রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালিকে এখনও একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সক্ষমতা বজায় রেখেছে।
প্রতিবেদনটি হরমুজ প্রণালিকে ইরানের প্রধান কৌশলগত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ বিষয়ে ইরান ও ওমানের আলোচনাকে বর্তমান সংকটের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ইস্যু হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজের নিয়ন্ত্রণে তৃতীয় কোনো পক্ষের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করছে তেহরান। এর ফলে ভবিষ্যতের আলোচনায় এই প্রণালিটি ইরানের দর-কষাকষির একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।
প্রতিবেদনে মূল্যায়ন করা হয়েছে যে, ইরানের পারমাণবিক এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। একই সাথে, তেহরান হরমুজ প্রণালির ওপর কার্যকর প্রভাব ধরে রেখেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—দুই দেশই তুলনামূলকভাবে কঠিন অবস্থানে পড়েছে এবং পরিস্থিতির জন্য একে অপরকে দায়ী করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রকে বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার একটি উৎস হিসেবে দেখতে একটি প্রবণতা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিত্র দেশের মধ্যে ওয়াশিংটনের নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখলেও একই সঙ্গে ইরান, ইউরোপ, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদারের চেষ্টা করছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রকল্পের পরিচালক আলি ভায়েজের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ মনে করছে, চলমান সংঘাত তাদের নিজস্ব নিরাপত্তাকেও প্রভাবিত করছে। তাই তারা বিকল্প কূটনৈতিক ভারসাম্য তৈরির পথ খুঁজছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘায়িত যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত মতপার্থক্য বেড়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো সমঝোতার স্থায়িত্ব নিয়েও ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে সংশয় রয়েছে।
এ বিশ্লেষণে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্রদের উদ্বেগের বিষয়টিও উঠে এসেছে। ট্রাম্পের পূর্ববর্তী স্বরাষ্ট্রনীতি, ন্যাটোর বিষয়ে অবস্থান এবং গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তার মন্তব্য ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের সাবেক পরিচালক রবিন নিবলেটের মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে বলা হচ্ছে, যুদ্ধের ফলাফল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ব্যর্থতার চিত্র বর্ণনা করছে। তার মতে, এর ফলে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর মিত্রদের আস্থা দুর্বল হতে পারে। এমনকি ভবিষ্যতে ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এলেও, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ সহজে কাটবে না।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে, এই সংঘাতের প্রভাব কেবল যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো পক্ষই দ্রুত নির্ণায়ক সাফল্যের কাছে পৌঁছাতে পারছে না। ফলস্বরূপ, যুদ্ধবিরতি এবং নতুন করে উত্তেজনা—দুইয়ের পুনরাবৃত্তিতে সংঘাতটি দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আইন, অপরাধবিজ্ঞান ও বিচারব্যবস্থাকে উপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে নতুনভাবে মূল্যায়নের লক্ষ্য নিয়ে দেশের প্রথম ‘ডিকলোনাইজিং ল অ্যান্ড ক্রিমিনোলজি কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ, ড্যাফোডিল লিগ্যাল রিসার্চ সেন্টার এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশের পাশাপাশি বিদেশের গবেষক, আইনবিদ, বিচারক, নীতিনির্ধারক, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘আনশ্যাকলিং দ্য মাইন্ড: ডিকলোনাইজিং ল, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড জাস্টিস ইন বাংলাদেশ’। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজার (গভর্ন্যান্স) ড্রাগান পোপোভিচ, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এম. এ. মতিন এবং বাংলাদেশ আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি জিনাত আরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা, মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে কার্যকর আইন ও বিচারব্যবস্থা অপরিহার্য। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী বলেন, দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সামাজিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখে এমন আইনগত কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সম্মেলনের বিভিন্ন একাডেমিক অধিবেশনে আদিবাসী বিচারব্যবস্থা, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় উপনিবেশবাদের প্রভাব, নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমের ডিকলোনাইজেশন, ট্রানজিশনাল জাস্টিস এবং অপরাধবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন ও প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা শাজিয়া শারমিন, তুরস্কের বোগাজিচি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সেলচুক আইদিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, নেপাল ফোরাম ফর রেস্টোরেটিভ জাস্টিসের নির্বাহী পরিচালক রাম তিওয়ারিসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ওপেনার ইমরুল কায়েস সফলভাবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার লেভেল-২ কোচিং সম্পন্ন করেছেন। এটি তার ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হয়ে রইল।
ইমরুল গত বছরের মতো, এই কোর্সটি সম্পন্ন করার খবর প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পেশাদার ক্রিকেট থেকে কয়েক বছর আগে অবসর নেওয়া ইমরুল জানিয়েছেন, তিনি বিশেষভাবে আনন্দিত যে আজ তিনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অধীনে লেভেল-২ ক্রিকেট কোচিং কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টে ইমরুল লিখেছেন, ‘আমি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং এনএসডব্লিউকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই, যাদের তত্ত্বাবধানে আমি এই কোর্সটি সম্পন্ন করেছি। এটি আমার ক্রিকেট কোচিংয়ের যাত্রায় একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা হয়ে রইল।’
বাংলাদেশের সাবেক এই ক্রিকেটার জানিয়েছেন যে তিনি এই কোর্সে মূলবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তরুণ ক্রিকেটারদের উন্নয়নে অবদান রাখতে এই কোর্সের সহায়তা নিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
ইমরুল আরও লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই কোর্স থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা আমাকে পরবর্তী প্রজন্মের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য উন্নতিতে অবদান রাখতে এবং আমার সেরাটা দিতে সক্ষম করে তুলবে। এটি সত্যিই একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা ছিল।’
এদিকে, বাংলাদেশের ‘এ’ দল চলতি মাসের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই সফরে ‘এ’ দলের কোচিং স্টাফের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইমরুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অনূর্ধ্ব-২৩ ক্যাম্প শুরু করেছে।
সত্যিই, অনূর্ধ্ব-১৯ এবং হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) কর্মসূচির মধ্যে ব্যবধান মেটানোর লক্ষ্যে অনূর্ধ্ব-২৩ ধাপটি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯ থেকে ২৩ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় ক্রিকেটাররা সিনিয়র ক্রিকেটে উঠে আসার পথ খুঁজে পাবে।
এই কার্যক্রম বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির অধীনে পরিচালনা করা হচ্ছে। এই দলের কোচিংয়ের দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশের কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ নাভিদ নেওয়াজ।
কোচিং প্যানেলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে আছেন আলমগীর কবির, সাইমন হোসেন, জেমস বাপ্পি ও জয় সাহা।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিসিবি মালয়েশিয়ার অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজের আয়োজন করেছে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিজেদের মধ্যে দু’টি দলের বিভাজন করে দু’টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে।
আগামী ৮ ও ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ। এছাড়া মালয়েশিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ বসুন্ধরা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ