প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের মাঘুরালি গ্রামে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কায়দায় গত শত বছরের চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগের নলতা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং মাগুরালি গ্রামের হাজী আবুল হোসেনের পুত্র সাইদুল ইসলামের সন্ত্রাসী বাহিনী তান্ডব চালায়।
এতে বাড়িঘর ভাঙচুর এবং সন্ত্রাসী হামলার দরুন পিটিয়ে, কুপিয়ে নারী-পুরুষ সহ ৮ জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জখম করা হয়েছে। রবিবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭ টার কিছু পরে নলতা মাঘুরালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত রক্তাক্ত ৮ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাঘুরালি গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী নুরুন্নাহার (২৫), মোহাসিন কারিগরের স্ত্রী রাফেজা বেগম (৪০), নুর ইসলামের স্ত্রী খাদিজা খাতুন (৫০), আব্দুল আজিজের পুত্র আবুল কালাম (২২), মৃত আদর আলী কারিগরের পুত্র নুরুল ইসলাম (২২), গোলাম ওয়ারেস (৫২), এসহানুলের পুত্র সাব্বির হোসেন (২৩) এবং একই গ্রামের বেলায়েত আলী কারিগরের পুত্র আব্দুল আজিজ (৪২)।
এই ঘটনায় ইউপি সদস্য সিরাজ সহ মাগুরালি গ্রামের সবুজ, মহসিন এবং ইসমাইল সহ একাধিক ব্যক্তি জানান যে, শত বছর ধরে গ্রামের লোকজন রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে আসছে। হঠাৎ করে যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে শহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন, মোকসেদ, শাহিন, জাহিদ, বাবলু সহ ২০/৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে গ্রামের লোকজনের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
এসব মানুষকে সন্ত্রাসী কায়দায় কুপিয়ে এবং পিটিয়ে রক্তাক্ত যখম করা হয়। খবর পেয়ে থানার উপ পরিদর্শক বিপ্লব ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম এ ব্যাপারে বিরোধীয় চলাচলের পথকে তার রেকর্ডিয় সম্পত্তি বলে দাবি করেছেন। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
বিষয়টি নিয়ে এর আগেও একাধিকবার চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের পরিষদে সালিশ হলেও সাইদুল ইসলাম তা প্রত্যাখ্যান করে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছে বলে এলাকাবাসী মন্তব্য করেন। বিরোধীয় চলাচলের পথ নিয়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গ্রামবাসীর একাধিক অভিযোগ জমা দেয়া হয়েছে, তবে সেখান থেকে কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। এর ফলে প্রতিনিয়ত এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন