শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩০ পি.এম
নিউইয়র্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী, ন্যায্য ও ঝুঁকি-সংবেদনশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করবে।
তিনি শুক্রবার নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘লিডিং এসডিজি অ্যাকশন’ শীর্ষক লিডার্স ডায়ালগে এই আহ্বান জানান।
ড. তিতুমীর বলেন, ‘আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে সম্মিলিত ও ভবিষ্যৎমুখী। আমাদের এমন একটি বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা শুধু উন্নয়নে অর্থায়নই করবে না, বরং উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও সৃষ্টি করবে।’
তিনি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার জন্য পাঁচটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
অগ্রাধিকারগুলো হলো — সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়াশীল পদ্ধতির পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্ত ও প্রশমনে সক্ষম আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকিপ্রবণ দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরদার করা, দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পব্যয়ী ও ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা, জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সমন্বয় বাড়ানো এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে নমনীয় সহায়তা ও অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখা।
বাংলাদেশের ‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্যোগকে তৃণমূল পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন ড. তিতুমীর।
তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় জনগণের চাহিদা ও অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে এই উদ্যোগের আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল সেবা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সংলাপে আরও অংশগ্রহণ করেন ইউরোপীয় কমিশনের নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট তেরেসা রিবেরা, বেনিনের অর্থমন্ত্রী আরিস্তিদ মেদেনু এবং পানামার সামাজিক উন্নয়নমন্ত্রী বিয়াত্রিস কার্লেস দে আরাঙ্গো।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাউথ আফ্রিকান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের শেরউইন ব্রাইস-পিস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি রেকর্ড নবম ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে অগ্রসর হয়েছেন। তিনি ইকুয়েডরের অফিশিয়াল জুরির প্রথম পছন্দের ভোট লাভ করেছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির ব্যালন ডি’অর ভোটার সাংবাদিক পাত্রিসিও কর্নেহো গার্সেস।
ঘানার শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়েন ডট কম ডট জিএইচের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রবীণ সাংবাদিক ও জুরি প্যাট্রিসিও কর্নেহো গার্সেস ব্যালটের শীর্ষস্থানে মেসিকে রেখে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট নিশ্চিত করেছেন।
ইকুয়েডরের ব্যালন ডি’অর ভোটার পাত্রিসিও কর্নেহো গার্সেস জানিয়েছেন, “২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের জন্য প্রথম পছন্দের ভোট লিওনেল মেসিকে দিয়েছি।”
ফ্রান্স ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, ফিফা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০০টি দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিকরা এই ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। বর্তমানে ইকুয়েডর ২৫তম স্থানে অবস্থান করায় তিনি এই ভোটাধিকার লাভ করেছেন।
৩৯ বছর বয়সী মেসি ৪৯টি ম্যাচে ৪৫টি গোল ও ৩০টি অ্যাসিস্ট করেছেন, যা তাকে ওই সময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরা পারফর্মিং খেলোয়াড়দের মধ্যে স্থান দিয়েছে। ক্লাব পরিসংখ্যানের বাইরে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে মেসির প্রভাব ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের দৌড়ে তাকে এগিয়ে রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের জাজিরায় রান্নাঘরে মজুদ করা ককটেল বিস্ফোরণের ফলে আহত রোকেয়া বেগম (৪০) মারা গেছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার মূলনা ইউনিয়নসংলগ্ন সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া চরকান্দি এলাকায় ফারুক ছৈয়ালের বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মূলনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল শিকদার এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তমিজ খাঁর সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় ১০ আগস্ট সন্ধ্যায় একই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। ওই সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে একজনের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়। পরে ককটেল বিস্ফোরণে গুরুতর আহত ৭০ বছর বয়সী মান্নান সরদার মারা যান। এ ঘটনায় একটি মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
রোকেয়া বেগম ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে রান্না করতে রান্নাঘরে প্রবেশ করেন। ফারুক ছৈয়াল মূলনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল শিকদারের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। এ সময় রান্নাঘরে রাখা ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় রান্নাঘরের টিনের চালা উড়ে পাশের বাঁশঝাড়ে গিয়ে পড়ে। এতে সামাদ ছৈয়াল ও হাকিম ছৈয়ালের দুটি বসতঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন রোকেয়া বেগমকে উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠান। এরপর থেকে তিনি বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডের হিসাব ব্যবস্থাপক হিমেল আহমেদ জানান, রোকেয়া বেগম নামের নারী আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে গেছেন। আজ সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান। পরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহমেদ কালের কণ্ঠকে জানান, রোকেয়া বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এ-সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক কাগজপত্র এখনো থানায় আসেনি। ওসি বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ে নতুন রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ৪ জন।
এখন পর্যন্ত, গত ১০ এপ্রিল থেকে হাম-সংক্রান্ত রোগে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৩ জনে পৌঁছেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবারের সকাল। ছুটির দিনের অলসতা তখনও কাটেনি অনেকের। অথচ নেত্রকোনা শহরের রাজপথে তখন ব্যস্ত একদল মানুষ। কারও হাতে ঝাড়ু, কারও হাতে কোদাল। কেউ সরাচ্ছেন জমে থাকা ময়লা, কেউ আবার পরিষ্কার করছেন পানি জমে থাকা স্থান।
সবচেয়ে নজরকাড়া দৃশ্য—পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিজ হাতে ময়লা পরিষ্কার করছেন নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
তার পাশে হলুদ টি-শার্ট পরা একদল তরুণ। তাদের টি-শার্টে লেখা—‘লেটস রিবিল্ড আওয়ার নেশন’। প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষের এই সম্মিলিত উদ্যোগ যেন পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার নতুন এক বার্তা ছড়িয়ে দিল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নেত্রকোনা পৌরসভা আয়োজিত ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর দ্বিতীয় সপ্তাহের কার্যক্রমে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশজুড়ে চলমান তিন মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’ অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে নেত্রকোনা পৌরসভা। তবে এ আয়োজন কেবল মশক নিধন কিংবা ময়লা পরিষ্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর মাধ্যমে নাগরিকদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বাড়ানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে অংশ নিয়ে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা পৌরসভার ওপর নির্ভর করলে হবে না। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।
তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি শনিবার পর্যায়ক্রমে শহরের বিভিন্ন স্পটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও পৌরসভা যৌথভাবে এ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, এটি কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে এ উদ্যোগকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে চান তারা।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ডিডিএলজি) এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা।
তিনি জানান, ডেঙ্গুর ‘হট জোন’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। পাশাপাশি যেখানে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণই পারে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে।
দিনের কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওয়াহিদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিজা খাতুনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, পৌরসভার সংশ্লিষ্টরা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা অপসারণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।
ছুটির দিনের সকালে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এভাবে সরাসরি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের মধ্যেও সাড়া ফেলেছে। হাতে হাত মিলিয়ে শহর পরিষ্কারের এ উদ্যোগে যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে একটি বার্তা—ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার দায়িত্বও সবার।
নেত্রকোনার রাজপথে ঝাড়ু-কোদালের এই দৃশ্য তাই নিছক একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়; বরং নাগরিক অংশগ্রহণে একটি পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত শহর গড়ার সম্মিলিত অঙ্গীকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ