০৬:৪০ এম
একটি কঠোর বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে বললেন, যুক্তরাষ্ট্র হয় ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাবে, না হয় তাদের ‘কাজ শেষ করে দেবে’। সোমবার তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, আমেরিকা চাইলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বড় বড় স্থাপনা ধ্বংস করতে সক্ষম। ট্রাম্প আরো বলেন, আমরা যেকোনোভাবেই জিতব। হয়তো আমরা চুক্তি করব এবং তা না হলে, কাজ শেষ করে দেব। তবে তিনি এই বিষয়টি পরিষ্কার করেন যে, সামরিক হামলার চেয়ে আলোচনা ও সমাধানকেই বেশি পছন্দ করেন। ট্রাম্প বলেন, আমি চুক্তি করতেই বেশি সাচ্ছন্দ্য বোধ করি, কারণ আমি ৯ কোটি মানুষের ক্ষতি করতে চাই না। তিনি জানান, আমরা চাইলে এক ঘণ্টার মধ্যে তাদের সব সেতু উড়িয়ে দিতে পারি এবং তাদের আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করতে পারি। একসময় ইরানে প্রচুর টাকা ছিল, কিন্তু এখন আর নেই। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, আমেরিকা তাদের কোনো টাকা দিয়েছে কিনা সেটাও স্পষ্ট নয়। কয়েকদিন আগেই ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আমেরিকা চাইলে একমাত্র আঘাতেই ইরানের বর্তমান শীর্ষ নেতাদের শেষ করে দিতে সক্ষম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার জানাজায় যোগ দেওয়া নেতাদের লক্ষ্য করে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তবে, আলোচনার পথ খোলা রাখার জন্যে আমেরিকা এমন কিছু করেনি বলে তিনি জানান। ট্রাম্পের এই ধরনের বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। আরমেনিয়ায় অবস্থিত ইরান দূতাবাস জানায়, আমেরিকা কখনোই খামেনির মৃত্যুর শোক অনুধাবন করতে পারবে, কারণ তাদের কোনো সভ্যতা, ইতিহাস বা সম্মান নেই। তারা আরো বলেন, মানুষকে মারা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। খামেনিকে হত্যা করে আমেরিকা আসলে একটি আতরের বোতল ভেঙেছে, যার সুবাস এখন সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, খামেনির মরদেহ বর্তমানে পবিত্র শহর কোমে পৌঁছেছে। হেলিকপ্টারে করে মরদেহটি সেখানে নেয়া হয়। মঙ্গলবার সেখানে জানাজা শেষে মরদেহটি ইরাকের নজফ ও কারবালায় নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন