মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৩:৪৭ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের রোকনপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ-ইনে সহায়তার অভিযোগে সাত বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) রাতে সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এর মধ্যে চারজনকে বিজিবি এবং বাকি তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূরে আলম বলেন, সোমবার রাতে রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় সাতজন বাংলাদেশি তাদের প্রবেশে সহায়তা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সহায়তাকারী সবাই রোকনপুর সীমান্তসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।
বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করে এবং ঘটনাস্থল থেকে চারজন বাংলাদেশিকে আটক করে। পরে ভোর ৪টার দিকে বিজিবি তাদের গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে একই অভিযোগে আরও তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।
বিজিবির ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, ‘বিএসএফের ৮৮ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ওয়াদা ক্যাম্পের সদস্যরা রাতে নৌকাযোগে কয়েকজনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি টহল দলের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে সেই চেষ্টা হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা না স্বাস্থ্যব্যবসা নিয়ে এখন সন্দেহ প্রকাশ করতে হয়। আজ জনগণকে সেবা না দিয়ে অনেক হাসপাতাল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে। তিনি বলেন, সমাজের উচ্চপর্যায়ে যারা আছেন তাদের যদি এগিয়ে না আসার উদাহরণ না থাকে, তবে দেশের পরিবর্তন সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) নগর ভবন অডিটোরিয়ামে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণের পর তিনি এসব কথা বলেন।
এই উপলক্ষে তিনি এদিন ১০০ কর্মীকে স্বাস্থ্য কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। তারা সমাজকে সুন্দর রাখায় কাজ করেন, তাই আমাদেরও দায়িত্ব তাদের জীবনের যে আবর্জনাগুলো আছে, সেগুলো সরাতে কাজ করা। আমাদের সচেতন হলে এ শহরকে আরও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু সম্পর্কে তিনি অমানবিক মন্তব্য করে বলেন, হাসপাতালে মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নিতে যায় কিন্তু সেখানে যদি চরম শঙ্কাতে পড়তে হয়, তবে তা কোনো সেবার মধ্যে পড়ে না।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাস্থ্য কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে। প্রথমবারের মত এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কার্ড আমরা বিতরণ করছি। এর মাধ্যমে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান উৎসাহিত হবে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ক্ষমতায় এসে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দিয়ে পিছিয়েপড়া জনগণের জন্য সাহায্য করে যাচ্ছেন। তিনি হকারদের উচ্ছেদের চিন্তা বাদ দিয়ে তাদের পুনঃবাসনের বিষয়েও সুরাহা করেছেন।
আজ যারা রাষ্ট্র নিয়ে চিন্তা করছেন, সরকার চিন্তা করছেন, কিন্তু যাদের প্রতিষ্ঠান আছে এবং সমাজের উচ্চপর্যায়ে আছেন, তারা যদি এগিয়ে না আসেন, তবে দেশের পরিবর্তন কখনোই সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।
তিনি ৪৫০টি হাসপাতালের কথা উল্লেখ করে বলেন, সিটি করপোরেশনের সাথে এই ৪৫০টি হাসপাতাল কাজ করবে। স্বাস্থ্যসেবা না স্বাস্থ্যব্যবসা এই বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে সন্দেহ প্রকাশ করতে হয়। আজ যারা আপনারা এগিয়ে এসেছেন আপনাদের সত্যিই ধন্যবাদ প্রাপ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬ই জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সভা কার্যালয়ে কক্ষে,
নারায়ণ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির, বিশেষ অতিথি উপস্থিতিতে,
মানব পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ে অংশী জনের অংশগ্রহণের সেনসিটাইজেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা সুপার মহোদয়,
নারায়ণগঞ্জ জেলার এডিসি মহোদয়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ,
মানব পাচার ও চোরাচালান রোদে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় এবং নারায়ণগঞ্জের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়।
মানবপাচারও চোরা চালানের রোদে জনসাধারণকেও সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন বক্তব্যে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি বৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন তিনি। কিছুক্ষণ পর তিনি দু’হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। চারপাশ থেকে সতীর্থরা ছুটে এলেন। কেউ তাকে জড়িয়ে ধরলেন, কেউ তাকে কাঁধে হাত রাখলেন। কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহার চোখের পানি তখন শুধুই আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং একটি দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গর্বের মুহূর্তের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে আফ্রিকার ছোট্ট দেশ কেপ ভার্দে। আর এই অবিশ্বাস্য ফলের নেপথ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নায়ক হলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা।
বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় অঘটনের পেছনে প্রায়ই দেখা যায় কোথাও না কোথাও অপ্রত্যাশিত একটি নায়ক। এবারের ম্যাচে সেই ভূমিকায় রত ছিলেন ভোজিনহা। স্পেনের একের পর এক আক্রমণ তিনি ঠেকিয়ে দিয়েছেন এবং দলের রক্ষাকবচ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। ফেরান তোরেস, পেদ্রি ও আইমেরিক লাপোর্তের নিশ্চিত গোলের সুযোগ তিনি নষ্ট করে দিয়ে ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেন এই অভিজ্ঞ গোলকিপার।
ভোজিনহার প্রকৃত নাম হল জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। কিন্তু ফুটবল জগতের কাছে তিনি পরিচিত 'ভোজিনহা' নামটি দিয়েই। পর্তুগিজ ভাষায় এই নামটির মানে 'ছোট দাদি'।
শৈশবে তার বাবা সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং তার মা কাজের ব্যস্ততায় ছিলেন। সেই কারণে জীবনের বড় এক অংশ তিনি দাদা-দাদির সাথে কাটিয়েছেন। সেই থেকেই তার ডাকনাম হয়ে গেছে 'ভোজিনহা'।
কেপ ভার্দের সাও ভিসেন্তে শহর থেকে তার ফুটবল যাত্রা শুরু হয়। পরে আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার পরও তিনি নিজের পরিচয়ের অংশ হিসেবে 'ভোজিনহা' নামটিই ধরে রেখেছেন।
চলতি বছরের শুরুতে ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, যখন আমি অ্যাঙ্গোলায় খেলতে যাই, তখন সেখানে জোসিমার নামের আরেকজন গোলরক্ষক ছিল। তখন আমি নিশ্চিত হয়ে যাই যে, জার্সিতে 'জোসিমার-২' লিখব না। কেপ ভার্দেতে সবাই আমাকে ভোজিনহা নামেই চিনতো, তাই সেই নামটাই আমি ধরে রেখেছি।
বর্তমানে তিনি পর্তুগালের ক্লাব ক্লাব শ্যাভেসের হয়ে খেলছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি কেপ ভার্ডে, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, সাইপ্রাস, স্লোভাকিয়া ও পর্তুগালের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন এই গোলরক্ষক।
বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই তিনি আলো ছড়িয়ে বলেন, নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের ব্যাপার। আমি কেঁদেছি কারণ আমার দাদা-দাদি আজ আর বেঁচে নেই। তারা আমার জন্য অনেক কিছু করেছেন।
মায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ভিসা জটিলতার কারণে তার মা গ্যালারিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তিনি বলেন, আমার মা এখানে থাকতে পারেননি। ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সময়মতো সবকিছু করা সম্ভব হয়নি।
স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ভোজিনহার রাতারাতি জনপ্রিয়তা বেড়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীদের সংখ্যা কয়েক লাখ থেকে কয়েক মিলিয়নে পৌঁছেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার পারফরমেন্সে মুগ্ধ হয়েছেন ফুটবল বিশ্বের অনেক পরিচিত মুখ। পল পগবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, কেপ ভার্দের গোলরক্ষক সত্যিই অবিশ্বাস্য, ওয়াও!
অন্যদিকে সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সন বলেছেন, আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই একটি পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। আজকের রাতটা শুধু তাদের জন্য। ভোজিনহাকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরও প্রায় কান্না চলে আসছিল।
স্পেনের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র শুধু একটি ম্যাচের ফল নয়, এটি কেপ ভার্দের ফুটবল ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আর সেই ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এক নাম, ভোজিনহা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সফরের মাধ্যমে হাইতির মানুষের প্রতি সংহতি জানাতে যাচ্ছেন।
এই দরিদ্র ক্যারিবীয় দেশটি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটে ভোগে এবং গ্যাং সহিংসতার শিকার মানুষের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করবেন।
মহাসচিবের কার্যালয় ঘোষণা করেছে যে, গুতেরেসের ২০২৩ সালের জুলাই মাসের পোর্ট-অ-প্রিন্স সফরের পর এবার সেখানকার নারী, পুরুষ ও শিশুদের সঙ্গে কথা বলবেন যাঁরা সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
এএফপি জানাচ্ছে, মহাসচিব তার সফরের সময় সরাসরি দেশের মানবিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তিনি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য জাতীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টাও দশার করবেন।
হাইতি, আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ হিসেবে বহু বছর ধরে অস্থিরতায় ভুগছে। দেশটিতে শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অপহরণ চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, হাইতির মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ, যেখানে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে রয়েছে এবং ৫০ লক্ষাধিক মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটের মুখোমুখি।
২০২৪ সালের শুরুর দিকে নিরাপত্তা সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সেই সময় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ধারাবাহিক সহিংসতায় দেশের অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।
তার স্থলাভিষিক্ত হয় একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিলস-এমের হাতে ন্যস্ত হয়।
নিরাপত্তাহীনতার কারণে ২০১৬ সালের পর হাইতিতে কোনো নির্বাচন হয়নি।
গত বছর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নতুন একটি আন্তর্জাতিক গ্যাং দমন বাহিনী গঠনের অনুমোদন দেয়। এই বাহিনীকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিষ্ক্রিয় করার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
নতুন বাহিনী ধীরে ধীরে হাইতির পুলিশকে সহায়তা প্রদানকারী আগের বহুজাতিক মিশনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যাবে, যেটি পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও অর্থের অভাবে সমালোচনার মুখে ছিল।
ফারহান হক জানান, গুতেরেস হাইতির বহুমাত্রিক সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন, যেখানে গ্যাং দমন বাহিনীকে প্রদান করা লজিস্টিক ও পরিচালনাগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুতেরেসের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভল্কার তুর্ক সোমবার বলেন, নতুন গ্যাং দমন বাহিনী জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন।
তিনি হাইতির কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান যে, দায়মুক্তির সংস্কৃতি বন্ধ করতে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, চলতি বছরের শুরু থেকে হাইতিতে গ্যাং সহিংসতায় অন্তত ২ হাজার ৩০০ জন নিহত, ১ হাজার ১০০ জন আহত এবং ৯৯ জন অপহৃত হয়েছেন। বিচারিক ইউনিটগুলোকে দ্রুত সক্রিয় করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ