১১:২৩ এম
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরপর দুই ম্যাচে দাপুটে জয়ে সিরিজ এক ম্যাচ বাকি রেখেই জিতে নিয়েছে। দুই ম্যাচেই মহান পেস বোলিংয়ে নাহিদ রানা, মুস্তাফিজুর রহমান এবং তাসকিন আহমেদরা আগুন ঝরিয়েছেন। সিরিজ নিশ্চিত হওয়ার পর তাসকিন বলেন, বাংলাদেশ ভালো উইকেটে খেলেই জয় পায়।
কয়েক বছর আগে বাংলাদেশের দল ঘরের মাঠে সম্পূর্ণ স্পিনবান্ধব উইকেট বানিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা করেছিল। তবে এখন তারা নিয়মিত স্পোর্টিং উইকেটে খেলার সুযোগ পাচ্ছে, যেখানে পেস এবং স্পিনের যুগলবন্দিতে সাফল্যও মিলছে।
ভালো উইকেট পেয়ে পেসাররা জানান দিচ্ছেন তাদের সামর্থ্য। পাকিস্তান ও নিউ জিল্যান্ডের পর এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ে নাহিদ রানা, তাসকিন ও মুস্তাফিজদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
আরও পড়ুন: মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় ১৫ বেসামরিক নাগরিক নিহত, আহত ৩২
বিশেষ করে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে, তাসকিন ও মুস্তাফিজ একটি ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবার শূন্য রানে প্রথম ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের এই দুই পেসার। একসঙ্গে তারা ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংকে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।
ভালো উইকেটে তাদের এমন পারফরম্যান্সে তাসকিন অত্যন্ত আনন্দিত। সংবাদ সম্মেলনে অভিজ্ঞ পেসার বলেন, ভালো উইকেটে খেলে জয় পাওয়ায় এটি তার কাছে একটি বড় অর্জন।
“আলহামদুলিল্লাহ, এটা (শূন্য রানে ৩ উইকেট) দুর্দান্ত অনুভূতি। বাস্তবে খুবই ভালো লাগছে। আমরা মাঠে আছি, তাই অত কিছু দেখার সুযোগ পাইনি। প্রত্যেকটি ওভার নতুন করে শুরু হয়। আমরা চেষ্টা করেছি সবাই মিলে দ্রুত ম্যাচ শেষ করতে। পরের দিকে ওদের আবার জুটি হয়েছে, আবারও শেষ হয়েছে।”
“এটা দারুণ যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আমাদের ভালো পারফরম্যান্স হচ্ছে। এখন কেউ উইকেট নিয়েও কিছু বলতে পারবে না। আমরা ভালো উইকেটে খেলছি, এমন নয় যে ধানক্ষেত। বুঝেছেন? আমরা ভালো উইকেটে খেলছি ও ভালো টিমের বিরুদ্ধে জিতছি। তাই এটি একটি মহান অর্জন।”
আরও পড়ুন: বিয়ের ১ মাস পর স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, শরীরে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন
এসময়, নিয়মিত ভালো উইকেটে খেলার দীর্ঘমেয়াদি সুফলের কথাও বলেন ৩১ বছর বয়সী পেসার।
“গত বছরখানেক ধরে দলের উন্নতি ধীরে ধীরে ঘটছে। তারা ভালো উইকেটে, ভালো কন্ডিশনে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য কিন্তু একটাই, বড় টুর্নামেন্টগুলোতে ভালো ফলাফল করা। এটা এখনও সেভাবে হয়নি।”
“এজন্যই আমাদের বোর্ড এবং ক্রিকেটাররা মিলিতভাবে চাচ্ছে, ভালো কন্ডিশনে খেলে আমাদের স্কিল উন্নত করা এবং মানিয়ে নেওয়া। অস্ট্রেলিয়া কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা- যেখানে খেলা হবে, সেখানে উইকেটে বাড়তি বাউন্স থাকবে, তখন কিছুটা হলেও মানিয়ে নেওয়া সহজ হবে।
আরও পড়ুন: ‘আমি কেন এত পরিশ্রম করব?’ ভারতীয় দলে সুযোগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ সরফরাজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন