প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার জন্য ইলন মাস্কের স্বপ্নের প্রকল্প স্পেসএক্স তাকে এমন এক অবস্থানে পৌছে দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি নিউইয়র্কের শেয়ারবাজার নাসডাক-এ তালিকাভূক্ত হয়েছে।
বিষয়টি নিছক তালিকাভূক্তির বিষয় নয়, কারণ স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে এসেছে সর্বকালের সবচেয়ে বড় আইপিও'র মাধ্যমে।
৫৫৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন শেয়ার, প্রতিটির মূল্য ১৩৫ ডলার, ছেড়ে স্পেসএক্স সংগ্রহ করেছে ৭৫ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সবচেয়ে বড় আইপিওর রেকর্ড আছিল সৌদি আরামকোর। ২০১৯ সালে সৌদি আরামকো ২৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছিল।
বৃহস্পতিবার স্পেসএক্সের ওয়েবসাইটে তাদের তালিকাভূক্তির খবরটি জানানো হয়। এই রেকর্ডভাঙ্গা আইপিওর মাধ্যমে স্পেসএক্স পরিণত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পাবলিক কোম্পানিতে। এর ফলে প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক পৃথিবীর প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথ থেকে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলেন।
স্পেসএক্সের আইপিও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাস্কের নিট সম্পৎ ২৭৫ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ৯৭০ বিলিয়ন ডলারে পৌছেছে।
যদিও মাস্ক নিজে তাতে পৌছাতে পারেননি, তার কোম্পানি ততদিনে ট্রিলিয়ন ডলারের ম্যাজিক ফিগারকে অতিক্রম করেছে। নাসডাকে তালিকাভূক্তির পর স্পেসএক্সের বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার।
ইলন মাস্ক সাধারণত আমেরিকানদের স্বপ্ন দেখান। তার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতুহলের অন্ত নেই। তাই তো স্পেসএক্সের তালিকাভূক্তি নিয়ে বিরাট চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
আইপিওতে আগ্রহী সংখ্যা ছিল চার গুন। যদি এই আগ্রহ বজায় থাকে, তবে আজই ইলন মাস্ক ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। আজ শুক্রবার নাসডাকে লেনদেনে যদি স্পেসএক্স অসাধারণ কিছু করে, তবে ইলন মাস্কের নিট সম্পদ ৩০ বিলিয়ন ডলার বেড়ে এক ট্রিলিয়নে পৌছাতে পারে। তবে যদি আজ না হয়, তবুও মাস্কের ট্রিলিয়নিয়ারে পরিণত হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। আজ না হয় কাল অথবা পরশু, ইলন মাস্কই প্রথম এই শীর্ষে উঠবেন। একজন ব্যক্তিকে ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে দেখতে পারাও একটি অসাধারণ বিষয়। ট্রিলিয়ন ডলার! মাস্ক চাইলে গোটা বাংলাদেশকে দুটি বার কিনতে পারবেন!
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন