ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আর্থিক বিরোধের কারণে তিনজনকে পুড়িয়ে হত্যা


আর্থিক বিরোধের কারণে তিনজনকে পুড়িয়ে হত্যা

ভারতের রাজধানী দিল্লির তুঘলকাবাদ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়।

এই মারাত্মক ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১২ জুন)। প্রাথমিকভাবে এটি দুর্ঘটনা মনে হলেও, পরবর্তীতে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন নতুন তথ্য প্রকাশ পায়।

তদন্তের সময় পুলিশ জানতে পারে, এ ঘটনাটি দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে আর্থিক বিরোধের কারণে সংঘটিত একটি পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগের ঘটনা। এই মামলায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে, তাদের নাম হলো নিরঞ্জন (৩৩), রাজকুমার (২৭) এবং সরিতা (২৭)। এছাড়া ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীও আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নির্ধারিত ওই নারী ও কিশোরীর মধ্যে অভিযুক্ত দুই যুবকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র আজই ইরানে হামলা চালাতে পারে: ট্রাম্পের সতর্কতা

পুলিশের তদন্ত বলে, গত ১২ জুন মধ্যরাতে ভবনের নিচ তলায় পার্ক করা একটি স্কুটারে আগুন লাগানোর কথা স্বীকার করে ওই কিশোরী। ওই আগুন দ্রুত ভবনের পঞ্চম তলায় পৌঁছে যায়।

এই ঘটনার ফলে আটজনকে উদ্ধার করা হয় এবং তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাদের নাম পঙ্কজ, সুশীলা দেবী এবং সোনিয়া কুমারী।

আারম্ভে এটি দুর্ঘটনা মনে করা হলেও, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে আসল ঘটনা সামনে আসে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আগুন লাগার আগের মুহূর্তে একজন কিশোরী ওই ভবনে প্রবেশ করেন। অন thereafter, তাকে শনাক্ত করার পর পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিশোরীটি জানায় যে, সরিতা তাকে স্কুটারটিতে আগুন দিতে প্ররোচিত করেছিল। ওই স্কুটারটি ছিল দীপকের চাচাতো ভাই নিরঞ্জনের, যিনি ভবনের পঞ্চম তলায় বসবাস করতেন। পুলিশ আরও জানান, সরিতা ওই কিশোরীকে পেট্রোল ও একটি ম্যাচবাক্স সরবরাহ করতে সহায়তা করেছিল।

আরও পড়ুন: ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কফলার

পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে যে, অগ্নিসংযোগের মূল কারণ হল দীপক ও নিরঞ্জনের মধ্যে চলমান আর্থিক বিরোধ। উল্লেখ্য, নিরঞ্জন সম্প্রতি অন্য একটি মামলায় কারাভোগ শেষে মুক্তি পেয়েছিলেন।

পুলিশ ইতোমধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, অবহেলার কারণে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ক্ষতিসাধন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের মতো গুরুতর ধারায় মামলা করেছে। এছাড়া এই ষড়যন্ত্রে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন: ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের নেতৃত্বে জেন-জি, কেন তারা ক্ষুব্ধ?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের এইচএসসির লেভেল সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সমান: সংসদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


দেশের এইচএসসির লেভেল সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সমান: সংসদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বিগত ২০ বছরের অবহেলায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্য এমন শোচনীয় দশায় পৌঁছেছে যে বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) লেভেলকে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সাথে তুলনা করা হচ্ছে।

রোববার (১৪ জুন), ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন।

ববি হাজ্জাজ জানিয়ে দেন, বিগত ২০ বছরের অবহেলায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার যে শোচনীয় দশা হয়েছে, তার জন্য ভারত ও পাকিস্তানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) লেভেলকে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সমমান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি সন্তানদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সাংস্কৃতিক কারিকুলাম যুক্ত করার বিরোধিতাকারীদের মনোভাব নিয়ে সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি, বক্তব্যের শুরুতেই নতুন বাজেটকে জনগণবান্ধব এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার বাজেট হিসেবে আখ্যায়িত করে বললেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেই পরিষ্কার ছিল যে শিক্ষা খাতকে জাতির সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান এবং অর্থমন্ত্রী প্রথম থেকেই এই দূরদর্শী চিন্তা ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তার পরিণতিতে দেশ ও জাতির সামনে এবারই প্রথম দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগের অংশ হিসেবে সামগ্রিক শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে একে পুরোপুরি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ দাবি করেন, অতীতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় যে চরম নৈরাজ্য চলেছে, তা এখন স্পষ্ট। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী পাস করতে পারেন না। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ সিঙ্গাপুরে আমাদের দেশের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) লেভেলকে তাদের ষষ্ঠ শ্রেণির সমমান হিসেবে তুলনা করা হয়। এই শোচনীয় দশা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষা কারিকুলাম, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, অবকাঠামো এবং প্রশাসনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কারের কাজ এগিয়ে চলছে।

তিনি সংসদে ও সংসদের বাইরের রাজনৈতিক বিরোধীদের নেতিবাচক প্রচারণার তীব্র সমালোচনা করেন। ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার যখন সঠিক শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রাথমিকে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি থেকে খেলাধুলা, স্পোর্টস এবং কালচার বা সাংস্কৃতিক কারিকুলাম অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা শুরু করেছে, তখন বিরোধীদের কেউ কেউ এ নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছেন। অথচ এই বিরোধী শিবিরেরই অনেকে অতীতে নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন যা ভদ্র সমাজে উচ্চারণ করা যায় না। সেই একই নোংরা মনোভাব থেকে তারা এখন অপপ্রচার চালাচ্ছেন যে সাংস্কৃতিক শিক্ষা নাকি সন্তানদের ভুল পথে নিয়ে যাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের যে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ দেখাচ্ছেন, সেখানে পৌঁছাতে হলে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ও ক্রিয়েটিভ চেতনার জায়গা তৈরি করতে হবে। সেই কারণেই সংস্কৃতি ও ক্রীড়াকে শিক্ষার বড় অংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাজেটের অর্থনৈতিক দিক বিশ্লেষণ করে তিনি জানান, এটি একটি আশাবাদী ও জনবান্ধব বাজেট। এখানে জনগণের ওপর বিনিয়োগের পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এবং পুরোনো ফ্যাক্টরিগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে সাপ্লাই সাইড এক্সপ্যানশনের সুনির্দিষ্ট জায়গা রাখা হয়েছে।

শিক্ষা বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ববি হাজ্জাজ জানান, অতীতে শিক্ষা খাতে জিডিপির ১ দশমিক ৩ বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বরাদ্দ থাকলেও এবার তা ২ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামী দিনে এটি পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বের দরবারে ঈর্ষণীয় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন গঠনমূলক সমালোচনা করলেও দেশের এই মূল লক্ষ্য অর্জনে ও অগ্রযাত্রায় কোনো বাধা সৃষ্টি না করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাননীয় মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আই সি সি ইউ, শুভ উদ্বোধন করলেন, নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোহাম্মদ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


মাননীয় মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আই সি সি ইউ, শুভ উদ্বোধন করলেন, নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে

১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে আইসিইউ আই সি সি ইউ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ কামরুলুজ্জামান চৌধুরী, মাননীয় সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট মোঃ আবুল কালাম, মাননীয় সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৫; মোঃ সাখাওয়াত হোসেন খান, প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন; মাসুকুল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক; অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ; মোঃ রায়হান কবির, জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ; নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক; সিভিল সার্জনসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সংস্থার কোষাধ্যক্ষ মোঃ অহিদুর রহমান আরিফসহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনতে গুনতে হলো বিপুল টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


দিল্লিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনতে গুনতে হলো বিপুল টাকা

দিল্লির মালব্য নগরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিক শামিয়া চৌধুরী একটি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য হলো, অগ্নিকাণ্ডে নিহত স্বজনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য প্রথমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে দিল্লিতে অবস্থিত দূতাবাসে তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার রুপি দাবি করা হয় এবং তা আদায় করা হয়।

বার্তা সংস্থা 'এএনআই'-এর সাথে আলাপকালে শামিয়া চৌধুরী জানিয়েছেন যে, দুর্ঘটনার পর তাঁদের পরিবারকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে মরদেহ পরিবহনের সমস্ত খরচ সরকার বহন করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি।

শামিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘সরকার আশ্বাস দিয়েছিল যে বিনামূল্যে মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়া হবে, কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। উল্টো আমাদের কাছ থেকে দূতাবাসে ১,৮০,০০০ রুপি নেওয়া হয়েছে। আমি জানতে চাই, কেন এটি বিনামূল্যে করা হলো না? আমরা এই টাকা ফেরত পাব কি না জানি না, তবে কেন আমাদের কাছ থেকে এই টাকা দাবি করা হলো, আমি তার স্পষ্ট জবাব চাই।’'

তিনি আরও জানান যে, পুলিশের মাধ্যমে তিনি তাঁর কিছু জিনিসপত্র ফেরত পেয়েছেন, তবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মালামাল এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের স্মৃতিচারণা করে শামিয়া বলেন, ‘‘হ্যাঁ, আমি পুলিশের কাছ থেকে আমার কিছু জিনিসপত্র পেয়েছি। সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ। যদিও কিছু জিনিস এখনো পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের সময় আমি ভবনের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর রুমে ছিলাম, আমরা সেখানে পাঁচজন ছিলাম। সকাল ৮টার দিকে আগুন লাগে। আমার মনে হয়েছিল আমি আর বাঁচব না—আমি মারা যাচ্ছি। মনে হচ্ছিল এটাই আমার শেষ সময়, এই পৃথিবীতে আমি আর থাকব না। সেই মুহূর্তের আতঙ্ক ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’’

এদিকে, দিল্লির সচিবালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ এবং আবেগঘন অনুষ্ঠানে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা মালব্য নগরের হাউজ রানি এলাকার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং সাকেতের সাইদুলাজাব এলাকায় ধসে পড়া ভবনের ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

দিল্লি মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সেইসব সাহসী নাগরিক, পুলিশ সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং উদ্ধারকর্মীদের সম্মানিত করেছেন, যাঁরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে অন্য মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছেন। তাঁদের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রশংসাপত্র এবং ২১,০০০ রুপির চেক উপস্থিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালব্য নগরের বিধায়ক সতীশ উপাধ্যায় এবং ছাতারপুরের বিধায়ক কার্তার সিং তানওয়ার। অনুষ্ঠান চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে রিয়াজুদ্দিন মনসুরি নামের এক স্থানীয় নাগরিককে সম্মানিত করেন। হাউজ রানির অগ্নিকাণ্ডের সময় রিয়াজুদ্দিন অসাধারণ সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে ভবনের নিচে তোশক বিছিয়ে দিয়েছিলেন, যার ফলে ওপর থেকে লাফিয়ে পড়া বেশ কয়েকজন মানুষের প্রাণ বেঁচে যায়।

তাঁর এই মানবিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী তোশকগুলোর ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎসাহভাতা হিসেবে তাঁকে ২১,০০০ রুপির একটি চেক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে উভয় দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হওয়ায় মালব্য নগরের এই অগ্নিকাণ্ডে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজ পছন্দ না হলে চলে যান, অনুপস্থিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ফোনে প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


কাজ পছন্দ না হলে চলে যান, অনুপস্থিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ফোনে প্রতিমন্ত্রী

'আপনার যদি কাজ পছন্দ না হয়, এখান থেকে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন, আমাদের বিব্রত করে লাভ কী বলেন?'— মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘটে যাওয়া ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এমরানুর রহমানের ওপর মোবাইল ফোনে এমনভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য রাজিব আহসান।

শনিবার (১৩ জুন) হাসপাতালের প্রশাসনিক ও চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে উপস্থিত লোকজনের সামনেই ওই কর্মকর্তাকে মুঠোফোনের মাধ্যমে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী।

এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওর মধ্যে প্রতিমন্ত্রীকে বলতে শুনা যায়, আপনাকে তো আমরা বেঁধে রাখিনি। আপনার যদি এখানে কাজ করতে পছন্দ না হয়, আপনি চলে যাবেন। আপনার সাথে আমি একাধিক দিন কথা বলেছি, আপনি তো কোনো কাজই করেন না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অবস্থা দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। এই অনিয়ম দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে ওই কর্মকর্তার জবাবদিহি চান।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের হাজিরা খাতা ও বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সাথেও কথা বলেন। রোগীরা তার কাছে হাসপাতালের নানা অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ তোলেন।

নানা অনিয়ম ও কর্তব্যে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আমূল পরিবর্তন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। একই সাথে দায়িত্ব অবহেলাকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও ইঙ্গিত দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%