মোহাম্মদ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৬:০৫ পি.এম
১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে আইসিইউ আই সি সি ইউ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ কামরুলুজ্জামান চৌধুরী, মাননীয় সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট মোঃ আবুল কালাম, মাননীয় সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৫; মোঃ সাখাওয়াত হোসেন খান, প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন; মাসুকুল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক; অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ; মোঃ রায়হান কবির, জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ; নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক; সিভিল সার্জনসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সংস্থার কোষাধ্যক্ষ মোঃ অহিদুর রহমান আরিফসহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিল্লির মালব্য নগরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিক শামিয়া চৌধুরী একটি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য হলো, অগ্নিকাণ্ডে নিহত স্বজনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য প্রথমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে দিল্লিতে অবস্থিত দূতাবাসে তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার রুপি দাবি করা হয় এবং তা আদায় করা হয়।
বার্তা সংস্থা 'এএনআই'-এর সাথে আলাপকালে শামিয়া চৌধুরী জানিয়েছেন যে, দুর্ঘটনার পর তাঁদের পরিবারকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে মরদেহ পরিবহনের সমস্ত খরচ সরকার বহন করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি।
শামিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘সরকার আশ্বাস দিয়েছিল যে বিনামূল্যে মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়া হবে, কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। উল্টো আমাদের কাছ থেকে দূতাবাসে ১,৮০,০০০ রুপি নেওয়া হয়েছে। আমি জানতে চাই, কেন এটি বিনামূল্যে করা হলো না? আমরা এই টাকা ফেরত পাব কি না জানি না, তবে কেন আমাদের কাছ থেকে এই টাকা দাবি করা হলো, আমি তার স্পষ্ট জবাব চাই।’'
তিনি আরও জানান যে, পুলিশের মাধ্যমে তিনি তাঁর কিছু জিনিসপত্র ফেরত পেয়েছেন, তবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মালামাল এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের স্মৃতিচারণা করে শামিয়া বলেন, ‘‘হ্যাঁ, আমি পুলিশের কাছ থেকে আমার কিছু জিনিসপত্র পেয়েছি। সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ। যদিও কিছু জিনিস এখনো পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের সময় আমি ভবনের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর রুমে ছিলাম, আমরা সেখানে পাঁচজন ছিলাম। সকাল ৮টার দিকে আগুন লাগে। আমার মনে হয়েছিল আমি আর বাঁচব না—আমি মারা যাচ্ছি। মনে হচ্ছিল এটাই আমার শেষ সময়, এই পৃথিবীতে আমি আর থাকব না। সেই মুহূর্তের আতঙ্ক ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’’
এদিকে, দিল্লির সচিবালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ এবং আবেগঘন অনুষ্ঠানে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা মালব্য নগরের হাউজ রানি এলাকার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং সাকেতের সাইদুলাজাব এলাকায় ধসে পড়া ভবনের ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
দিল্লি মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সেইসব সাহসী নাগরিক, পুলিশ সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং উদ্ধারকর্মীদের সম্মানিত করেছেন, যাঁরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে অন্য মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছেন। তাঁদের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রশংসাপত্র এবং ২১,০০০ রুপির চেক উপস্থিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালব্য নগরের বিধায়ক সতীশ উপাধ্যায় এবং ছাতারপুরের বিধায়ক কার্তার সিং তানওয়ার। অনুষ্ঠান চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে রিয়াজুদ্দিন মনসুরি নামের এক স্থানীয় নাগরিককে সম্মানিত করেন। হাউজ রানির অগ্নিকাণ্ডের সময় রিয়াজুদ্দিন অসাধারণ সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে ভবনের নিচে তোশক বিছিয়ে দিয়েছিলেন, যার ফলে ওপর থেকে লাফিয়ে পড়া বেশ কয়েকজন মানুষের প্রাণ বেঁচে যায়।
তাঁর এই মানবিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী তোশকগুলোর ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎসাহভাতা হিসেবে তাঁকে ২১,০০০ রুপির একটি চেক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে উভয় দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হওয়ায় মালব্য নগরের এই অগ্নিকাণ্ডে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
'আপনার যদি কাজ পছন্দ না হয়, এখান থেকে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন, আমাদের বিব্রত করে লাভ কী বলেন?'— মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘটে যাওয়া ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এমরানুর রহমানের ওপর মোবাইল ফোনে এমনভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য রাজিব আহসান।
শনিবার (১৩ জুন) হাসপাতালের প্রশাসনিক ও চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে উপস্থিত লোকজনের সামনেই ওই কর্মকর্তাকে মুঠোফোনের মাধ্যমে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী।
এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওর মধ্যে প্রতিমন্ত্রীকে বলতে শুনা যায়, আপনাকে তো আমরা বেঁধে রাখিনি। আপনার যদি এখানে কাজ করতে পছন্দ না হয়, আপনি চলে যাবেন। আপনার সাথে আমি একাধিক দিন কথা বলেছি, আপনি তো কোনো কাজই করেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অবস্থা দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। এই অনিয়ম দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে ওই কর্মকর্তার জবাবদিহি চান।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের হাজিরা খাতা ও বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সাথেও কথা বলেন। রোগীরা তার কাছে হাসপাতালের নানা অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ তোলেন।
নানা অনিয়ম ও কর্তব্যে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আমূল পরিবর্তন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। একই সাথে দায়িত্ব অবহেলাকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও ইঙ্গিত দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত বাংলাদেশের শিক্ষাখাত বিশ্লেষণ বিষয়ক কর্মশালায় বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সরকার শিক্ষাকে আনন্দময় করে তোলার লক্ষ্যে শিক্ষাখাতের সব ধরনের সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘আগামী জুলাই মাসের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হবে। এছাড়া, প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে শিগগিরই ‘মিড-ডে মিল’ (দুপুরের খাবার) দেওয়া হবে।
আজ রোববার রাজধানী একটি হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ (ইএসএ) ২০২৬’ বিষয়ক যাচাইকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক ও নৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে গড়ে উঠুক। এই লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
দেশের বিপুল জনশক্তিকে সম্পদে রূপান্তরের ওপর জোর দিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশের ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এই লক্ষ্য অর্জনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘আগামীর বাংলাদেশ’ গড়তে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া এবং ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশনের (ক্যামপে) নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স, ব্রিটিশ হাই কমিশনের ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের ডেপুটি ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর মার্টিন ডসন এবং বাংলাদেশে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশনের মিনিস্টার কাউন্সিলর মাইকেল ক্রেজা।
কর্মশালায় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উন্নয়ন অংশীদার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর সাতক্ষীরা সদর থানার একটি হত্যা মামলায় আওয়ামীলীগ নেত্রী সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার (১৪ জুন ) সাতক্ষীরা অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মন্ডলের আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
এর আগে তিনি অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, লুটপাট ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের তিনটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২০ মে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগরস্থ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন, সাতক্ষীরার সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লায়লা পারভীন সেঁজুতি। পরদিন তাকে সাতক্ষীরা সদর থানার জিআর ৭৭/২৫ মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সদর থানার জিআর ৯৬/২৫ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১১ জুন ২৫ তারিখে তাকে আসামী শ্রেণিভুক্ত করে সাতক্ষীরা সদর থানায় নতুন একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। দীর্ঘ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দুটি মামলায় এবং সম্প্রতি একটি মামলায় জামিন পান।
লায়লা পারভীন সেঁজুতির আইনজীবী এড. আল মাহামুদ জানান, কারামুক্ত হওয়ার আগেই ২০২৫ সালের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছে। নতুন এই মামলায় তার জামিন আবেদন করা হলে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে আরো জানা যায়, রবিবার আদালতে আসামির শ্যোন অ্যারেস্ট এর আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করলে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাৎক্ষনিক জামিনের আবেদন করেন। শুনানি চলাকালে আসামি পক্ষ দাবি করেন, দীর্ঘ প্রায় এক বছর ১ মাস ধরে (অন্যান্য মামলায়) হাজতে থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন ও কাল্পনিকভাবে দীর্ঘ দিন পর এই মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। এই হত্যা মামলার এজাহারে তার নাম নেই, কেউ দোষ স্বীকারোক্তি করে এই আসামীর নামও বলেনি। তাছাড়া মামলায় গ্রেপ্তার এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা একাধিক আসামী গ্রেপ্তার হলেও তারা সকলেই জামিনে আছেন। এসময় উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সিডব্লিউ মূলে আসামিকে জেলা হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
বিজ্ঞ আমলী সদর ১ম আদালতে (সাতক্ষীরা) দন্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৬৪/৩০২/২০১/৩৪ ধারা মোতাবেক এই নতুন নালিশী মামলাটি দায়ের করেছেন সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর গ্রামের মৃত অহেদ আলীর স্ত্রী পারুল বেগম (৪৭)।
আদালত বাদীনির আবেদন আমলে নিয়ে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে সাতক্ষীরা সদর থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা ও এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।
এই মামলায় তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতক্ষীরা) মীর্জা সালাউদ্দীন, ডিবি ওসি মহিদুল, সাতক্ষীরা সদর থানার তৎকালীন ওসি মো. আসাদুজ্জামানসহ মোট ৪৭জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জনকে আসামি করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ