১২:২৭ এম
এখনো পর্যন্ত মোজতবা খামেনির সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ পাননি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। গত মার্চে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ পান প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতাবা খামেনি। আব্বাস আরাগচি জানান, ইসরায়েল যে নিরাপত্তা ফাঁকফোকর বা ত্রুটি ব্যবহার করে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছিল, সেই জাতীয় নিরাপত্তা ত্রুটি এখনো রয়ে গেছে, বলেন তিনি বিস্ফোরক মন্তব্যে। অন্যদিকে, পডকাস্টার জাভাদ মোগুয়েকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি যুদ্ধকালীন চরম ঝুঁকির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার সময় জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আলোচনা চলাকালীন মার্কিন দূতদের কাছে একটি প্রশ্ন রেখেছিলেন তিনি। আসলে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, তারা কি কখনো বড় একটি আতঙ্কের মধ্যে বসে বৈঠক করার পূর্ব অভিজ্ঞতা রাখেন? প্রধান নেতা খামেনির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ইরান প্রথম যে পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেটিও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, খামেনিকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে, প্রথমেই ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করার পরিকল্পনা ছিল। আরাগচি বলেন, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আঞ্চলিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সতর্ক করে দেন যে, তারা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানবেন; এটি মূলত আমেরিকার বিরুদ্ধে হামলার একটি পদক্ষেপ। সামরিক প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি দাবি করেন, জুন ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬—এই আট মাসের সময়ের মধ্যে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এতটাই উন্নত করেছে যে, এটি অবিচ্ছিন্নভাবে ব্যবহারিত হলেও শেষ হবে না। নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনির ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আরাগচি বলেন, আমি এখনও তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করিনি। তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়েছেন এমন ব্যক্তিদের সংখ্যা খুবই সীমিত। ভবিষ্যতে কীভাবে এগোতে হবে সে বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ, আমাদের যদি নিশ্চিত সামরিক বিজয় অর্জনের সামর্থ্য না থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই আলোচনার পথে যেতে হবে। আর সেই আলোচনা তখনই হওয়া উচিত, যখন সামরিক ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান শক্তিশালী হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন