১০:১০ পি.এম
সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ শিকার এবং সেই মাছ দিয়ে শুঁটকি তৈরির অভিযোগে বন বিভাগ একটি অবৈধ আস্তানার সন্ধান পেয়েছে। অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে দুই বস্তা শুঁটকি, চার বোতল কীটনাশক, দুটি ডিঙি নৌকা এবং মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম। একই সময়, অবৈধ ওই আস্তানাটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
এই অভিযানটি শনিবার সন্ধ্যায় পূর্ব সুন্দরবনের চরাপুটিয়া বন কার্যালয়ের আওতাধীন শিয়ালা নদীর অফিস খাল এলাকায় পরিচালিত হয়। বন বিভাগের উপস্থিতির বিষয়টি জানার পর জেলে পরিচয়ে থাকা দুর্বৃত্তরা সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যায়। এই কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
চরাপুটিয়া বন কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, একটি অসাধু দলের সদস্যরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোপনে সুন্দরবনে প্রবেশ করে কীটনাশক ব্যবহার করে মাছ শিকার করছিলেন। পরে, বনের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি মাচায় আগুনের তাপে সেই মাছ শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় অভিযানের মাধ্যমে ঘটে যাওয়া ঘটনা স্থান থেকে শুঁটকি, কীটনাশক, নৌকা এবং অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয় এবং অবৈধ স্থাপনাটি অপসারণ করা হয়।
আরও পড়ুন: বাঁশখালীতে ডায়নামিক সিটি লায়ন্স ক্লাব ও সালমা-আদিল ফাউন্ডেশনের চক্ষুসেবা ও পুনর্বাসন সহায়তা
তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে থাকা ৪ থেকে ৫ জন দুর্বৃত্ত পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্তকরণ ও আটকের জন্য বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রতি বছরের মতো এবছরও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে বনজীবী ও পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন