বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৪৫ পি.এম
গত ১৯ জুলাই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের পর্দা নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্পেন ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়। যদিও ম্যাচ শেষ হয়ে গেছে, তবে ফাইনাল নিয়ে বিতর্ক থামেনি। রেফারিং এবং ভিএআরের কিছু সিদ্ধান্ত সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে আর্জেন্টিনায় একটি অনলাইন ক্যাম্পেইন ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চেঞ্জডটওআরজি-তে গিসেলা সানচেজ নামে এক ফুটবল সমর্থক পিটিশনটি চালু করেছেন। সর্বশেষ আপডেটে সেখানে ৬১ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ এ পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন। পিটিশনে ফিফার কাছে স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের ম্যাচ পরিচালনার পদ্ধতি এবং ভিএআরের কয়েকটি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পিটিশনের উদ্যোক্তা দাবি করছেন যে, ফাইনালে এমন কিছু রেফারিং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ম্যাচের গতিপথে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে। আরও তিনি কয়েকটি অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে যাচাইকৃত বা গ্রহণযোগ্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। মূলত তিনি ফিফার কাছে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনার আহ্বান জানাচ্ছেন।
এদিকে, এই ধরনের অনলাইন পিটিশনের কোনো আনুষ্ঠানিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এমন আবেদনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার ফল পরিবর্তন বা ম্যাচ পুনরায় আয়োজন করতে বাধ্য নয়। সাধারণত, কোনো ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কেবল তখনই, যখন ক্রীড়া আইন বা প্রতিযোগিতার বিধিমালার আওতায় ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে থাকে অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সে সিদ্ধান্ত নেয়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আর্জেন্টিনার উদ্যোগটি মূলত বিশ্বকাপ চলাকালীন সামর্থক-নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদের ধারাবাহিকতা জানাচ্ছে।
এর আগে ফ্রান্সেও একই ধরনের একটি অনলাইন ক্যাম্পেইনে ৮২ হাজারের বেশি মানুষের স্বাক্ষর ছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, স্পেনের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে পেনাল্টি থেকে গোল করার আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় ম্যাচটি পুনরায় আয়োজন করা উচিত। তবে সেই আবেদনও কোনো ফলাফল নিয়ে আসেনি।
উল্লেখযোগ্য যে, ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে স্পেন শিরোপা ছিনিয়ে নেয়। ম্যাচ শেষের পর আর্জেন্টিনাজুড়ে হাজারো সমর্থক রাস্তায় নেমে লিওনেল মেসি ও দলের প্রতি সমর্থন এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও শিরোপা হাতছাড়া করায় তাদের মধ্যে হতাশা ছিল স্পষ্ট। অতঃপর ফাইনাল-পরবর্তী সময়ে রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে পুলিশের সঙ্গে কিছু সমর্থকের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটিতে আজ সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন এবং বন বিভাগের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সেমিনার কুমার সমিত রায় জিমনেসিয়াম মাঠে বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চাকমা সার্কেল চীফ ব্যরিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, সাবেক উপমন্ত্রী মনি স্বপন দেওয়ান, রাঙ্গামাটি সদর জোন কমান্ডার মো. একরামুল রাহাত পিএসসি, জেলা বন সংরক্ষক আব্দুর আউয়াল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোছাইন, জেলা বিএনপি’nın সাধারণ সম্পাদক এড. মামুনুর রশীদ মামুন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও বৃক্ষরোপণ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব এস এম সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা বাংলাদেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর যে কর্মসূচি চলমান রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি তা সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। পাহাড়ে যেসব এলাকায় গাছ নেই, সেসব এলাকা চিহ্নিত করে নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
আলোচনা সভার শুরুতে বন বিভাগের পক্ষ থেকে বন ও প্রকৃতি সংক্রান্ত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করা হয়। অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠান স্থলে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করেন।
পরে অতিথিরা বৃক্ষরোপণ অভিযান উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বৃক্ষেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এর আগে, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে কুমার সমিত রায় জিমনেসিয়াম পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর বেলাবো উপজেলায় সেফটি ট্যাংক খননের সময় প্রায় ২০ ফুট গভীর গর্তে মাটি ধসে আটকে পড়া এক শ্রমিককে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনকল করার পর জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, বুধবার (২২ জুলাই) রাত ৮টা ৫৭ মিনিটে বেলাবো থানার বাড়িচা কুকুরমারা এলাকার শান্তিপুরে হারুন মিয়ার বাড়িতে সেফটি ট্যাংক খননের সময় এক শ্রমিক মাটি ধসে ২০ ফুট গভীরে আটকা পড়েন। পরে স্থানীয় একজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে দ্রুত উদ্ধারের সহায়তা চান।
এ খবর পেয়ে ৯৯৯ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নরসিংদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে বিষয়টি জানানো হয়। কলটি গ্রহণ করেন কল টেকার কনস্টেবল উজ্জ্বল মিয়া। উদ্ধার কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ফায়ার স্টেশনের সঙ্গে সমন্বয় ও তদারকি করেন ৯৯৯-এর ফায়ার ডিসপাচার ফায়ার ফাইটার মো. মেহেদী হাসান।
সংবাদ পেয়ে নরসিংদী ও বেলাবো ফায়ার স্টেশনের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডিএম শিমুল মোহাম্মদ রাফির নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এক্সকাভেটরের সাহায্যে মাটি সরিয়ে প্রায় ২০ ফুট গভীর থেকে মোশারফ হোসেন (৪০) নামে ওই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর তাকে বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মোশারফ হোসেন নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার বাসিন্দা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে, আমরাজুরী ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে কৃষক কার্ড হালনাগাদের লক্ষ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন কৃষি অধিদপ্তরের পিরোজপুরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার। বুধবার দিনব্যাপী উপজেলা আমরাজুরীর আমরাজুরী, গন্তব্য ও রোঙ্গাকাঠি—এই তিনটি ওয়ার্ডে চলমান তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তিনি পরিদর্শন করেন।
কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা যায়, ওই তিনটি ওয়ার্ডে মোট ৯৪৩টি কৃষক পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করা হবে, যা নিশ্চিত করবে যে সরকারি কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, বীজ, সার এবং অন্যান্য সেবা কৃষকদের কাছে আরও সহজে পৌঁছায়।
তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাইনুল হুদা রোমান, সৈয়দ ফাহিম, সাকায়েত হোসেন তুহিন, রফিকুল ইসলাম, কেয়া সিকদার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলও উপস্থিত ছিলেন।
কৃষক গৌতম বড়াল বলেন, "কৃষি কর্মকর্তারা আমাদের বাড়িতে এসে জমি, ফসল ও চাষাবাদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এতে প্রকৃত কৃষকদের সঠিক তালিকা তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে সরকারের সুবিধা পেতে আমাদের সুবিধা হবে।" কৃষক নারায়ণ মণ্ডল বলেন, "আগে অনেক সময় তথ্যের অসঙ্গতির কারণে বিভিন্ন সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে হতো। এবার বাড়িতে এসে তথ্য নেওয়ায় আমরা আশাবাদী, প্রকৃত কৃষকরাই সরকারি সুবিধা পাবেন।"
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, "কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে কৃষকদের একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারি কৃষি সহায়তা ও প্রণোদনা বিতরণ আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে।" কৃষি অধিদপ্তর, পিরোজপুরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, "কৃষকদের সঠিক তথ্য সংরক্ষণ বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ যেন নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়, সেদিকে আমরা নিবিড়ভাবে তদারকি করছি। সরকারের কৃষিবান্ধব কর্মসূচির সুফল প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগের দল ইন্টার মায়ামি। তবে এই ঘোষণার পর ফ্লোরিডার ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিয়ে এক বিবৃতিতে এমএলএস জানায়, ‘লিগ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।'
ঠিক কোন বিষয়ে এই তদন্ত, তা সম্পর্কে সূত্রের বরাতে ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, কাসেমিরোর সঙ্গে যোগাযোগের আগে তার ডিসকভারি প্রায়োরিটি না নেওয়ার অভিযোগে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে এমএলএসের কাছে অভিযোগ করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি।
তবে ইন্টার মায়ামি উল্লেখ করেছে যে, তারা কাসেমিরো ইস্যুতে ইতিমধ্যে এলএ গ্যালাক্সির সঙ্গে ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে তবুও তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে এমএলএস।
এ প্রসঙ্গে এমএলএসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাসেমিরোকে চুক্তিবদ্ধ করার ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে ইন্টার মায়ামি ও লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি সমঝোতায় পৌঁছেছে। কিন্তু তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরেই সেই সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব একসঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড়কে তাদের ডিসকভারি লিস্টে রাখতে পারে। কোনো খেলোয়াড়কে এই তালিকায় রাখলে, সেই ক্লাব ওই খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রথম অধিকার পায় এবং অন্য ক্লাবের আগে চুক্তির সুযোগ পায়।
কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির কাছে। অর্থাৎ, ইন্টার মায়ামিকে কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি করতে হলে আগে ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সের এই ক্লাবটির কাছ থেকে তার স্বত্ব নিতে হতো।
এমএলএসের নিয়মে বলা হয়েছে, যদি কোনো ক্লাব অন্য কোনো ক্লাবের ডিসকভারি লিস্টে থাকা খেলোয়াড়কে দলে নিতে চায় এবং সেই খেলোয়াড়ের ওপর অন্য ক্লাবের বেশি ডিসকভারি প্রায়োরিটি থাকে, তাহলে তারা ওই ক্লাবকে ৫০ হাজার ডলার জেনারেল অ্যালোকেশন মানি (জিএএম) দিয়ে খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তির অধিকার নিতে পারে।
নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়কে ডিসকভারি লিস্টে রাখা ক্লাব এরপর পাঁচ দিনের মধ্যে (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার উইন্ডোর সময় তিন দিনের মধ্যে) দুটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে। প্রথমত, তারা জিএএম গ্রহণ করে খেলোয়াড়কে সই করার অধিকার ছেড়ে দিতে পারে। অথবা দ্বিতীয়ত, খেলোয়াড়কে একটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারে।
গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর পর ইন্টার মায়ামি কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেছে মায়ামি। তবে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কাসেমিরো নিজেও। ব্রাজিল এ তারকা গতকাল বুধবার বলেছেন, এই পরিস্থিতি নিয়ে, বিশেষ করে আমার ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই। কিছুদিন আগে আমি গ্যালাক্সির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমি তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম যে আমি মায়ামিতে যোগ দিতে চাই। কারণ শেষ পর্যন্ত এটি এমন একটি শহর, যেটিকে আমি ভালোবাসি। ছুটির দিনে আমি, আমার স্ত্রী ও সন্তানরা সবসময় এখানে থাকি। আমরা এই শহরকে চিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ