প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগের দল ইন্টার মায়ামি। তবে এই ঘোষণার পর ফ্লোরিডার ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিয়ে এক বিবৃতিতে এমএলএস জানায়, ‘লিগ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।'
ঠিক কোন বিষয়ে এই তদন্ত, তা সম্পর্কে সূত্রের বরাতে ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, কাসেমিরোর সঙ্গে যোগাযোগের আগে তার ডিসকভারি প্রায়োরিটি না নেওয়ার অভিযোগে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে এমএলএসের কাছে অভিযোগ করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি।
তবে ইন্টার মায়ামি উল্লেখ করেছে যে, তারা কাসেমিরো ইস্যুতে ইতিমধ্যে এলএ গ্যালাক্সির সঙ্গে ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে তবুও তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে এমএলএস।
এ প্রসঙ্গে এমএলএসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাসেমিরোকে চুক্তিবদ্ধ করার ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে ইন্টার মায়ামি ও লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি সমঝোতায় পৌঁছেছে। কিন্তু তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরেই সেই সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব একসঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড়কে তাদের ডিসকভারি লিস্টে রাখতে পারে। কোনো খেলোয়াড়কে এই তালিকায় রাখলে, সেই ক্লাব ওই খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রথম অধিকার পায় এবং অন্য ক্লাবের আগে চুক্তির সুযোগ পায়।
কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির কাছে। অর্থাৎ, ইন্টার মায়ামিকে কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি করতে হলে আগে ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সের এই ক্লাবটির কাছ থেকে তার স্বত্ব নিতে হতো।
এমএলএসের নিয়মে বলা হয়েছে, যদি কোনো ক্লাব অন্য কোনো ক্লাবের ডিসকভারি লিস্টে থাকা খেলোয়াড়কে দলে নিতে চায় এবং সেই খেলোয়াড়ের ওপর অন্য ক্লাবের বেশি ডিসকভারি প্রায়োরিটি থাকে, তাহলে তারা ওই ক্লাবকে ৫০ হাজার ডলার জেনারেল অ্যালোকেশন মানি (জিএএম) দিয়ে খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তির অধিকার নিতে পারে।
নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়কে ডিসকভারি লিস্টে রাখা ক্লাব এরপর পাঁচ দিনের মধ্যে (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার উইন্ডোর সময় তিন দিনের মধ্যে) দুটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে। প্রথমত, তারা জিএএম গ্রহণ করে খেলোয়াড়কে সই করার অধিকার ছেড়ে দিতে পারে। অথবা দ্বিতীয়ত, খেলোয়াড়কে একটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারে।
গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর পর ইন্টার মায়ামি কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেছে মায়ামি। তবে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কাসেমিরো নিজেও। ব্রাজিল এ তারকা গতকাল বুধবার বলেছেন, এই পরিস্থিতি নিয়ে, বিশেষ করে আমার ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই। কিছুদিন আগে আমি গ্যালাক্সির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমি তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম যে আমি মায়ামিতে যোগ দিতে চাই। কারণ শেষ পর্যন্ত এটি এমন একটি শহর, যেটিকে আমি ভালোবাসি। ছুটির দিনে আমি, আমার স্ত্রী ও সন্তানরা সবসময় এখানে থাকি। আমরা এই শহরকে চিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন