বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৪৮ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে, আমরাজুরী ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে কৃষক কার্ড হালনাগাদের লক্ষ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন কৃষি অধিদপ্তরের পিরোজপুরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার। বুধবার দিনব্যাপী উপজেলা আমরাজুরীর আমরাজুরী, গন্তব্য ও রোঙ্গাকাঠি—এই তিনটি ওয়ার্ডে চলমান তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তিনি পরিদর্শন করেন।
কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা যায়, ওই তিনটি ওয়ার্ডে মোট ৯৪৩টি কৃষক পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করা হবে, যা নিশ্চিত করবে যে সরকারি কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, বীজ, সার এবং অন্যান্য সেবা কৃষকদের কাছে আরও সহজে পৌঁছায়।
তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাইনুল হুদা রোমান, সৈয়দ ফাহিম, সাকায়েত হোসেন তুহিন, রফিকুল ইসলাম, কেয়া সিকদার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলও উপস্থিত ছিলেন।
কৃষক গৌতম বড়াল বলেন, "কৃষি কর্মকর্তারা আমাদের বাড়িতে এসে জমি, ফসল ও চাষাবাদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এতে প্রকৃত কৃষকদের সঠিক তালিকা তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে সরকারের সুবিধা পেতে আমাদের সুবিধা হবে।" কৃষক নারায়ণ মণ্ডল বলেন, "আগে অনেক সময় তথ্যের অসঙ্গতির কারণে বিভিন্ন সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে হতো। এবার বাড়িতে এসে তথ্য নেওয়ায় আমরা আশাবাদী, প্রকৃত কৃষকরাই সরকারি সুবিধা পাবেন।"
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, "কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে কৃষকদের একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারি কৃষি সহায়তা ও প্রণোদনা বিতরণ আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে।" কৃষি অধিদপ্তর, পিরোজপুরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, "কৃষকদের সঠিক তথ্য সংরক্ষণ বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ যেন নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়, সেদিকে আমরা নিবিড়ভাবে তদারকি করছি। সরকারের কৃষিবান্ধব কর্মসূচির সুফল প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগের দল ইন্টার মায়ামি। তবে এই ঘোষণার পর ফ্লোরিডার ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিয়ে এক বিবৃতিতে এমএলএস জানায়, ‘লিগ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।'
ঠিক কোন বিষয়ে এই তদন্ত, তা সম্পর্কে সূত্রের বরাতে ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, কাসেমিরোর সঙ্গে যোগাযোগের আগে তার ডিসকভারি প্রায়োরিটি না নেওয়ার অভিযোগে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে এমএলএসের কাছে অভিযোগ করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি।
তবে ইন্টার মায়ামি উল্লেখ করেছে যে, তারা কাসেমিরো ইস্যুতে ইতিমধ্যে এলএ গ্যালাক্সির সঙ্গে ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে তবুও তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে এমএলএস।
এ প্রসঙ্গে এমএলএসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাসেমিরোকে চুক্তিবদ্ধ করার ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে ইন্টার মায়ামি ও লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি সমঝোতায় পৌঁছেছে। কিন্তু তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরেই সেই সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব একসঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড়কে তাদের ডিসকভারি লিস্টে রাখতে পারে। কোনো খেলোয়াড়কে এই তালিকায় রাখলে, সেই ক্লাব ওই খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রথম অধিকার পায় এবং অন্য ক্লাবের আগে চুক্তির সুযোগ পায়।
কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির কাছে। অর্থাৎ, ইন্টার মায়ামিকে কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি করতে হলে আগে ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সের এই ক্লাবটির কাছ থেকে তার স্বত্ব নিতে হতো।
এমএলএসের নিয়মে বলা হয়েছে, যদি কোনো ক্লাব অন্য কোনো ক্লাবের ডিসকভারি লিস্টে থাকা খেলোয়াড়কে দলে নিতে চায় এবং সেই খেলোয়াড়ের ওপর অন্য ক্লাবের বেশি ডিসকভারি প্রায়োরিটি থাকে, তাহলে তারা ওই ক্লাবকে ৫০ হাজার ডলার জেনারেল অ্যালোকেশন মানি (জিএএম) দিয়ে খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তির অধিকার নিতে পারে।
নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়কে ডিসকভারি লিস্টে রাখা ক্লাব এরপর পাঁচ দিনের মধ্যে (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার উইন্ডোর সময় তিন দিনের মধ্যে) দুটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে। প্রথমত, তারা জিএএম গ্রহণ করে খেলোয়াড়কে সই করার অধিকার ছেড়ে দিতে পারে। অথবা দ্বিতীয়ত, খেলোয়াড়কে একটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারে।
গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর পর ইন্টার মায়ামি কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেছে মায়ামি। তবে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কাসেমিরো নিজেও। ব্রাজিল এ তারকা গতকাল বুধবার বলেছেন, এই পরিস্থিতি নিয়ে, বিশেষ করে আমার ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই। কিছুদিন আগে আমি গ্যালাক্সির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমি তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম যে আমি মায়ামিতে যোগ দিতে চাই। কারণ শেষ পর্যন্ত এটি এমন একটি শহর, যেটিকে আমি ভালোবাসি। ছুটির দিনে আমি, আমার স্ত্রী ও সন্তানরা সবসময় এখানে থাকি। আমরা এই শহরকে চিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে অপরাধ পরিস্থিতি সম্পর্কে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের নিজস্ব তথ্য-উপাত্তের মধ্যে মিলের অভাব রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই মাসের পর্যবেক্ষণে তিনি রাজধানীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আগের তুলনায় উন্নত অভিহিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে শাহবাগ থানা পরিদর্শনের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপনে এসব তথ্য তুলে ধরেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, টিআইবির প্রতিবেদনে রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধির যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা পুলিশের তথ্যের সঙ্গে সমন্বয়পূর্ণ নয়। পুলিশের নিয়মিত অপরাধ পরিসংখ্যান এবং মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে অপরিষ্কার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও জানান, রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন। এর ফলে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে দাবি করেছে তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও মানসিক সুস্থতার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের চাপ কমাতে এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের কেউ যদি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে মানসিক চাপের শিকার হন, তা গোপন না রেখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সহায়তা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
সম্প্রতি পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যার সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ব্যক্তিগত সমস্যা অনেক সময় মানসিক চাপের সৃষ্টি করে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের মানসিক চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এছাড়া, রাজধানীর বিভিন্ন থানার অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়েও চলমান কাজ রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, থানাগুলোর অফিসার্স মেস ও ফোর্স ব্যারাক আধুনিকীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে পুলিশ সদস্যদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানা পরিদর্শনের সময় তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম, সেবার মান এবং সদস্যদের কর্মপরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জনসেবামুখী পুলিশিং আরও কার্যকর করার জন্য গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে বিতর্কিত পরীক্ষাপদ্ধতি সংস্কারের ব্যাপারে বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের নীরবতা নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে তোলপাড়। নীতিগত কারণের জন্য ক্যাটরিনার নীরবতার প্রতিবাদ জানানোর জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অভিনেত্রীর একটি জনপ্রিয় ফ্যান পেজ, যার অনুসারী সংখ্যা ছিল ৭০ হাজারেরও বেশি।
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) পরিচালনা করা এই ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে ফ্যান পেজটির অ্যাডমিন এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান।
ফ্যান পেজের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "ছোটবেলা থেকেই আপনার অনুরাগী ছিলাম। কিন্তু যারা আপনাকে গভীরভাবে ভালোবাসেন, সেই ভারতীয় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পাশে আপনি কোনো কথা বললেন না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস আপনার নেই। বিপদের সময়ে আমরা যখন আপনার পাশে ছিলাম, আপনি তখন আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তাই বাধ্য হয়ে এই পেজ বন্ধ করছি এবং আপনাকে আনফলো করছি।"
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সিদ্ধান্তটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক। অনেকেই ফ্যান পেজটির অ্যাডমিনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অপরদিকে, ক্যাটরিনার অনুরাগী কিছু পক্ষ অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে, তেমনিভাবে নীরব থাকা বা নিজের মতামত প্রকাশ না করার স্বাধীনতাও একজন শিল্পীর রয়েছে। তাই কাউকে এভাবে বাধ্য করা অনুচিত।
উল্লেখযোগ্য যে, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সমর্থনে ইতিমধ্যেই সোচ্চার হয়েছেন অনেক তারকা, যেমন শাবানা আজমি, প্রীতি জিনতা, রিতেশ দেশমুখ, সোনু সুদ ও প্রকাশ রাজ। সেই অবস্থানে ক্যাটরিনার নীরবতা কিছু ভক্তদের মধ্যে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডিসিপ্লিনারি কমিটি লিটন দাস ও শেখ মেহেদী হাসানকে আর্থিক জরিমানার সুপারিশ করেছে। তারা পৃথকভাবে দুই ক্রিকেটারের বক্তব্য শোনার পর এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
লিটন দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে যে, তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ছিলেন এবং এই অবস্থায় বিসিবিকে না জানিয়ে বিদেশ সফর করেছেন। গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে চোট পাওয়ার কারণে তিনি টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলতে পারেননি।
পরে তিনি জিম্বাবুয়ে সফরে ওয়ানডে দলে থাকলেও কোনো ম্যাচ না খেলেই দেশে ফিরে আসেন। এরপর বোর্ডকে অবহিত না করেই বিদেশ যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে, মেহেদী হাসান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে একাদশে জায়গা না পাওয়ার কারণে সংবাদমাধ্যমে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এই ঘটনার জন্যও ডিসিপ্লিনারি কমিটি তাকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিবেচনা করেছে।
দুই ক্রিকেটারই নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন। ডিসিপ্লিনারি বিভাগ আচরণবিধি ভঙ্গ করায় তাদের আর্থিক জরিমানা করার জন্য বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছে। লিটনের তুলনায় মেহেদীর জন্য বেশি অর্থদণ্ডের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে জরিমানার নির্দিষ্ট অঙ্ক এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বোর্ডের অনুমোদনের পরই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ