০৬:৩১ এম
বজ্রপাতের শঙ্কা শেষ হওয়ার পর, লম্বা বিরতির পরে শুরু হয়েছে ম্যাচটি। আর বিলম্বিত দ্বিতীয়ার্ধে যখন মাঠে নেমে পড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পে, তখন তিনি বাজিমাত করে দেন। ৫৪ মিনিটে তিনি নিজের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন। ফলে চলতি বিশ্বকাপে এটি তার চতুর্থ গোল এবং এমবাপ্পে এখন যৌথভাবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করা দ্বিতীয় ফুটবলার (মিরোস্লাভ ক্লোসা ১৬, এমবাপ্পে ১৬) হিসেবে নাম লেখালেন। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১০০তম ম্যাচটি এই দারুণ কীর্তি দিয়ে সাজিয়ে রাখলেন। একই ম্যাচে সোমবার ইরাকের বিপক্ষে মাঠে নেমে গোল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপে নিজের ১৫তম গোল পূর্ণ করেছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। এই গোলের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পাশে এক নতুন নাম লেখালেন। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা ফ্রান্স প্রথমার্ধের ১৪ মিনিটে এগিয়ে যায়। এসময় এমবাপের টানা নেওয়া একটি শট ইরাকের ডিফেন্ডাররা বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে, বল পেয়ে যান মাইকেল অলিসে। তার নিখুঁত ব্যাকপাস থেকে ঠাণ্ডা মাথায় বলটি জালে জড়িয়ে দেন এমবাপে। এই গোলের সুবাদে, ১-০ ব্যবধানের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এর আগে সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে এমবাপ্পে ফর্মে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ইরাকের বিপক্ষে এই গোলটি তাকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দিল। লিওনেল মেসি যখন বিশ্বকাপের রেকর্ড গোলদাতা হিসেবে সবার উপর আছেন, এমবাপ্পে যেভাবে গোল করে চলছেন, তাতে ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন সেই রেকর্ডের দিকে। ফ্রান্সের হয়ে শততম ম্যাচ খেলা এমবাপ্পে যেভাবে ধারাবাহিকভাবে গোল পাচ্ছেন, তাতে আগামী ম্যাচগুলোতে তিনি গোল সংখ্যা আরও বাড়িয়ে দেবেন বলেই প্রত্যাশা করছে ভক্তরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন