মোঃ সোহেল রানা , রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
০৬:০৪ পি.এম
টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট একযোগে খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খোলার মাধ্যমে কর্ণফুলী নদীতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি ছেড়ে দেওয়া শুরু হয়।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, শনিবার সকাল ১০টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৪ দশমিক ০৮ ফুট এমএসএলে পৌঁছেছে। অব্যাহত বর্ষণ এবং উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে হ্রদে পানির প্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে স্পিলওয়ের জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি উৎপাদন ইউনিটই সচল রয়েছে। এই ইউনিট থেকে গড়ে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। একই সঙ্গে টারবাইনের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি হ্রদের পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এর আগে, গত ১৬ জুলাই বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ এক সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে প্রয়োজন হলে স্পিলওয়ের জলকপাট খুলে পানি ছাড়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। কাপ্তাই হ্রদের সর্বাধিক পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে পর্যায়ক্রমে আরও জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
জলকপাট খুলে পানি ছাড়ার ফলে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল, চরাঞ্চল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা বা জানমালের ক্ষয়ক্ষতি না ঘটে, সেই লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে, শনিবার রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং জলকপাট দিয়ে পানি ছাড়ার কার্যক্রম ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আলমগীর হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম, কাপ্তাই পিডিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের সব প্রস্তুতি নিশ্চিত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং’ আগামীকাল, ১৯ জুলাই, আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। এই মহড়া দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত হচ্ছে। উভয় দেশের ১৬০ জনেরও বেশি সামরিক সদস্য এতে অংশগ্রহণ করবেন।
শনিবার, ১৮ জুলাই, এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে।
এবারের ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’ মহড়ায় মূলত জঙ্গলাঞ্চলে অভিযান, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং কৌশলগত যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এর মাধ্যমে উভয় দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা বাস্তব পরিস্থিতিতে কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি একে অপরের দক্ষতা সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পাবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই দ্বিপাক্ষিক মহড়াটি ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এর মূল লক্ষ্য হলো— পেশাগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, সামরিক কার্যক্রমের দক্ষতা ও প্রস্তুতি উন্নত করা, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও আন্তঃকার্যক্ষমতা আরও জোরদার করা।
এখন পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে এই দ্বিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়া ২০১৭ সালে প্রথমবার শুরু হয়। কোভিড-১৯ মহামারির জন্য এটি সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও, পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে তা ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
এবারের মহড়াটি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক ও মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন পরিবেশে পরিচালিত হবে। সবশেষে সমাপনী পর্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ’-এর মাধ্যমে এই মহড়ার সমাপ্তি ঘটবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার সুজানগরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১১ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত অভিযানের মাধ্যমে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কর্তৃক ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এই বিষয়ে ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। তবে আটকদের নাম পরিচয় এখনো তার কাছে জানা যায়নি।
এছাড়াও, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে সুজানগর থানায় উপজেলা ও জেলা শাখাসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি মামলা দায়ের করেছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর রাতে অভিযানে গিয়ে পুলিশ মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার শিকার হয় এবং গাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এই হামলায় সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন ও কনস্টেবল সবুজ হোসেন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতরভাবে আহত ওয়াসি মোজাফফর হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, গাড়ি ভাঙচুর ও হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশকে মারধরের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল ওহাবকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহাগসহ ৫৫ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে।
একই দিনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। ওই মামলায়ও প্রধান আসামি আব্দুল ওহাব। এতে দলটির জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ বাবু ও ছাত্রলীগের সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আমিরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহাগসহ নামীয় ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলাটি দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ও এসব কাজে সহযোগিতার অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। উভয় মামলাতেই ২৫০-৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পাবনা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশিদুল ইসলাম জানান, মামলার পর শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার ভোর অবধি সুজানগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয় এবং এক নারীসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে এজাহারনামীয় ও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে। তিনি আরো জানান, আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক এবং সদস্য নিয়োগের মাধ্যমে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে বানচালের অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রূপগঞ্জ ইউনিয়ন শাখা সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিবাদ হিসেবে।
শনিবার, ১৮ জুলাই সকালে উপজেলার পিতলগঞ্জস্থ ইউনিয়ন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে অভিযোগ করেন যে, সরকার সম্প্রতি জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা নূরনবী ভূঁইয়াসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবং মহিলা দলের নেত্রীদের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
তারা দাবি করেছেন যে, এ ধরনের দলীয় নিয়োগ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থি এবং এটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের উপর প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি অপচেষ্টা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন রূপগঞ্জ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. আবু বকর সিদ্দীক, কর্মপরিষদ সদস্য শহিদুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাছির।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মোল্লা, কর্মপরিষদ সদস্য নেয়ামুল কবির জিলান, মাওলানা আব্দুল বারী, আনোয়ার হোসেন, বাবুল মিয়া, মানিক, সাজাহান, মজিবর, আব্দুল আহাদ, আব্দুল্লাহ, নজরুল ইসলাম এবং মনজুর হোসেনসহ অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের পথ সুগম করা। কিন্তু রূপগঞ্জ ইউনিয়নে প্রশাসক ও সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয়করণ ঘটানো হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তাদের দাবি হলো, পূর্বাচল এলাকার সীমানা ও ভোটারসংক্রান্ত জটিলতাকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্যে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের নিয়োগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা দ্রুত নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহ থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন এটিএম মাহমুদুল হক।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে তিনি উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের সময় থানার সাবেক ওসি মো: ওবায়দুর রহমান এবং থানায় কর্মরত এসআই, এএসআই ও পুলিশ সদস্যরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।
নতুন ওসি দায়িত্ব গ্রহণের পর থানার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জ্যোতির্ময় সরকার মিশু, এসআই হুমায়ুন, এসআই কামরুজ্জামান, এএসআই মুস্তাফিজুর রহমান, সহ মেলান্দহ থানার সকল অফিসার বৃন্দ ও পুলিশ সদস্যরা।
অফিসার ইনচার্জ এটিএম মাহমুদুল হক তার দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ